Tags

Share this article

উন্নয়ন ও বিকাশ একমাত্র লক্ষ্য বিজেপির : বিকাশ

উন্নয়ন ও বিকাশ একমাত্র লক্ষ্য বিজেপির : বিকাশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: গ্রামাঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা ও উন্নয়নমূলক চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে মাঠপর্যায়ে জনসংযোগ জোরদার করেছে ২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি মণ্ডল। দলের উদ্যোগে চলমান ‘বুথ চলো অভিযান’-এর মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে উঠে আসা সমস্যাগুলি প্রশাসনের নজরে আনতে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছেন জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতৃত্ব।    সেই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার তেলিয়ামুড়া মহকুমার আরডি (রুরাল ডেভেলপমেন্ট) দপ্তরের কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন রাজ্যের জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী Bikash Debbarma। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি কৃষ্ণপুর মণ্ডলের সহ-সভাপতি গোপাল দাস-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।বৈঠকে আরডি তেলিয়ামুড়া সাব-ডিভিশনের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি, চলমান কাজের অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষভাবে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার, আধুনিক শ্মশানঘাট নির্মাণ, কালভার্ট নির্মাণ এবং আরডি দপ্তরের অধীনস্থ অন্যান্য জনস্বার্থমূলক প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।সূত্রের খবর, বুথ চলো অভিযানের সময় বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা যে সমস্যাগুলির কথা তুলে ধরেছেন, সেগুলিকেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রশাসনের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের জনস্বার্থে উন্নয়নমূলক কাজের গতি আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান।এরপর মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা ডিডাব্লিউএস (পানীয় জল ও স্যানিটেশন) দপ্তরের কার্যালয়েও যান। সেখানে কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় পানীয় জলের সংকট, বিকল হয়ে থাকা জল সরবরাহ প্রকল্প এবং অচল পানীয় জলের উৎসগুলির সংস্কার নিয়ে দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত মেরামত ও পুনরুদ্ধার কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশও দেন তিনি।স্থানীয়দের মতে, মাঠপর্যায়ে সরাসরি মানুষের সমস্যার খোঁজ নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে তা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করায় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে। বুথ চলো অভিযানের মাধ্যমে জনসাধারণের সঙ্গে প্রশাসনের সেতুবন্ধন আরও মজবুত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন অনেকেই।
পূর্ব শত্রুতার জেরে গভীর রাতে খুন এক বিবাহিত যুবক! ঘটনায় উত্তেজনা গোটা এলাকায়!!

পূর্ব শত্রুতার জেরে গভীর রাতে খুন এক বিবাহিত যুবক! ঘটনায় উত্তেজনা গোটা এলাকায়!!

নিজস্ব প্রতিনিধি: আঞ্চলিক থানার অন্তর্গত কাঠালতলী এলাকার সমীর দাসের সাথে বিবাদ চলছিল একই এলাকার স্বপন সূত্রধর ওরফে সপ্পার। সেই শত্রুতার জেরে সোমবার গভীর রাতে সমীর দাস তার নিজের স্কুটি নিয়ে বাড়িতে আসার পথে কাঠালতলী শনি মন্দিরের সামনে অভিযুক্ত স্বপন সূত্রধর সমীর দাসকে স্কুটি থেকে নামিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। ঘটনাস্থলে ই প্রাণ হারায় সমীর দাস। ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বপন সূত্রধর পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা সমীর দাসের রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করলে তার পরিবারের লোকজন সহ এলাকাবাসীরা ছুটে আসে। খবর দেওয়া হয় আমতলী থানায়। খবর পেয়ে আমতলী থানার ওসি ইন্সপেক্টর পরিতোষ দাস সহ বিশাল নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে আসে। পুলিশের পক্ষ থেকে খবর দেওয়া হয় ফরেনসিক টিম ও ডগ স্কোয়ার্ড কে। ফরেন্সি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে। মঙ্গলবার সকালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাড়তি নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যবস্থা করা হয় এলাকায়। সোমবার রাতেই স্বপন দাসের রক্তাক্ত দেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাঁপানিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তবে পুলিশ অভিযুক্ত স্বপন সূত্রধরকে জালে তুলতে মাঠে নেমেছে। এই ঘটনায় সমীর দাসের পরিবার অভিযুক্ত স্বপন সূত্রধরের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছে।
অজ্ঞাত কারণে রাস্তার সংস্কারের কাজ বন্ধ!

অজ্ঞাত কারণে রাস্তার সংস্কারের কাজ বন্ধ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: ৫ কোটির রাস্তায় লুটপাট—অর্ধেক কাজ করেই টাকা হজম, জলাবদ্ধতায় পুকুর বক্সনগরের আড়ালিয়া-ময়নামা সড়ক; অবরোধের হুঁশিয়ারি। কোটি টাকা বরাদ্দের রাস্তার কাজে চরম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বক্সনগর বিধানসভার আড়ালিয়া গ্রামে। আড়ালিয়া হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকা থেকে আড়ালিয়া হয়ে ময়নামা যাওয়ার প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটির কাজ অর্ধেক করেই বাকি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।  গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দায়সারা ভাবে কিছুটা কাজ করে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর হাত গুটিয়ে নিয়েছে। বর্তমানে রাস্তার অবস্থা বেহাল। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় হাঁটুজল জমে পুকুরে পরিণত হয়েছে। নিত্যদিন এই জল মাড়িয়েই স্কুল-কলেজে যেতে বাধ্য হচ্ছে এলাকার ছাত্রছাত্রীরা। রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতেও চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।  স্থানীয় বাসিন্দা বলে “৫ কোটি টাকার কাজ হলে রাস্তা এমন হবে কেন? অর্ধেক কাজ করেই বাকি টাকা মায়ের ভোগে চলে গেছে। আমরা প্রতিদিন মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করি।”  ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর হুঁশিয়ারি, দ্রুত রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু না হলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন এবং সড়ক অবরোধ করতে বাধ্য হবেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো আধিকারিকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
খোয়াইয়ে আবারও বাংলাদেশি নাগরিক আটক!ধলাবিলে চাঞ্চল্য !

খোয়াইয়ে আবারও বাংলাদেশি নাগরিক আটক!ধলাবিলে চাঞ্চল্য !

নিজস্ব প্রতিনিধি: সীমান্তবর্তী এলাকায় অনুপ্রবেশ রুখতে যখন নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে, ঠিক তখনই খোয়াইয়ে আবারও এক বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করল পুলিশ। ধৃত যুবকের নাম মনা কুমার দাস (৩০)। তিনি বাংলাদেশের রংপুর জেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।গতকাল রবিবার রাত আনুমানিক ৮টা নাগাদ খোয়াইয়ের ধলাবিল সংলগ্ন এলাকায় এক যুবককে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যুবকের কথাবার্তা এবং আচরণে সন্দেহ হওয়ায় এলাকার সাধারণ মানুষ তাকে আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। সন্তোষজনক উত্তর না মেলায় এবং তিনি বাংলাদেশি নাগরিক বুঝতে পেরে অবিলম্বে স্থানীয় থানায় খবর দেওয়া হয়।খবর পেয়ে খোয়াই থানার পুলিশ দ্রুত ধলাবিল এলাকায় ছুটে আসে এবং স্থানীয়দের হাত থেকে ওই যুবককে নিজেদের হেফাজতে নেয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত যুবক স্বীকার করেছেন যে তাঁর নাম মনা কুমার দাস, পিতা বীরেন চন্দ্র দাস এবং তাঁর বাড়ি বাংলাদেশের রংপুর জেলায়।বৈধ কাগজপত্র ছাড়া কীভাবে তিনি ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশ করলেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধৃত যুবকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম ও জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। এই ঘটনার পর থেকে ধলাবিল ও সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
উত্তর ত্রিপুরা জেলার পানিসাগর মহকুমার রেগা ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনিক্যাল বিভাগকে ঘিরে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন?

উত্তর ত্রিপুরা জেলার পানিসাগর মহকুমার রেগা ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনিক্যাল বিভাগকে ঘিরে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন?

নিজস্ব প্রতিনিধি:..দপ্তরের কর্মীদের অনিয়মিত উপস্থিতি, অফিস চলাকালীন সময়ে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবনের অভিযোগ এবং প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ।পানিসাগর মহকুমার রেগা ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনিক্যাল বিভাগে গিয়ে দেখা গেল এক অভিনব চিত্র। অভিযোগ, দপ্তরের বেশ কয়েকজন কর্মচারী নিয়মিতভাবে অফিসে উপস্থিত থাকেন না। নির্ধারিত সময়ে বহু কর্মীর দেখা মেলে না, ফলে ব্যাহত হচ্ছে দপ্তরের স্বাভাবিক কাজকর্ম।আরও গুরুতর অভিযোগ, অফিস কক্ষের মধ্যেই কিছু কর্মচারী নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করছেন। সরকারি দপ্তরের শৃঙ্খলা ও কর্মপরিবেশকে উপেক্ষা করে যেন পুরো অফিসটি একটি ক্লাবঘরে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র অসন্তোষ। তাদের দাবি, সরকারি দপ্তরে এমন অনিয়ম চলতে থাকলে পরিষেবা প্রাপ্তিতে সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে।সরকারি দপ্তরে কর্মচারীদের উপস্থিতি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব। কিন্তু পানিসাগরের এই দপ্তরকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের পরেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। এই দফতরের কর্মচারীগণ রাজনৈতিক নেতৃত্ব বর্গদেরও বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে মন মাফিক তাদের কাজকর্ম অব্যাহত রাখছেন বলে খবর। এখন দেখার বিষয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগগুলির তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে কিনা।
0

মেয়ের অসহায়ত্ব দেখে লোহার গেইটে মথা ঠুকছেন পিতা

নিজস্ব প্রতিনিধি: গেট বন্ধ দেখে মেয়েটি যখন কান্নায় ভেঙে পড়ে, তখন তার অসহায় বাবা এই চরম মানসিক আঘাত সহ্য করতে না পেরে নিজের মাথা ওই লোহার গেটেই ঠুকতে শুরু করেন। এরপরই তিনি আক্ষরিক অর্থেই রাস্তার পাথুরে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।বাবার বুকে মেয়ের কান্না: বাবার এই অবস্থা দেখে মেয়েটি নিজের পরীক্ষার কষ্টের কথা ভুলে বাবাকে জড়িয়ে ধরে রাস্তায় শুয়ে চিৎকার করে কাঁদতে থাকে। চারপাশের মানুষ তাদের তোলার চেষ্টা করছেন, আর বাবা বুক চাপড়ে কাঁদছেন— এই দৃশ্য যেকোনো পাথরের মনকেও গলিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।RE NEET পরীক্ষার কেন্দ্রের বাইরের ভিডিও।একজন ছাত্রী পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে সামান্য দেরি করায় তাকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।ঘটনাটি মধ্যপ্রদেশের বিদিশা।
হারানো ২৩টি মোবাইল উদ্ধার করে মালিকদের ফেরত দিল সোনামুড়া থানার পুলিশ

হারানো ২৩টি মোবাইল উদ্ধার করে মালিকদের ফেরত দিল সোনামুড়া থানার পুলিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি:...সোনামুড়ার বিভিন্ন এলাকায় হারিয়ে যাওয়া 23টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সোনামুড়া থানার কার্যালয়ে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনগুলো মালিকদের হাতে তুলে দেন সিপাহীজলা জেলার এডিশনাল এসপি রাজিব সূত্রধর। জনগণের হারানো সম্পদ উদ্ধারে এবং জনমুখী পুলিশি সেবা আরও কার্যকর করতে জেলা গোয়েন্দা শাখা বিশেষ অভিযান চালায়। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সোনামুড়া থানায় মোবাইল হারানো সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরি (জিডি) পর্যালোচনা করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার সমন্বয়ে পরিচালিত নিবিড় অনুসন্ধানের মাধ্যমে 23টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা সম্ভব হয়।জনগণের হারানো সম্পদ উদ্ধার করে তাদের হাতে ফিরিয়ে দিতে পারা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। সোনামুড়া থানার পুলিশ আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার সমন্বয়ে জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে কাজ করছে। হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারে জেলা গোয়েন্দা শাখার এ সাফল্য জনগণের আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে উপকারভোগীরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, পুলিশের এমন উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় করেছে।
ভাইয়ের হাতে ভাইয়ের খুন!

ভাইয়ের হাতে ভাইয়ের খুন!

নিজস্ব প্রতিনিধি: জমি সংক্রান্ত বিবাদ কে কেন্দ্র করে কৈলাশহর স্থিত চন্ডিপুর কেন্দ্রের ফুলতলী গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪ নং ওয়ার্ড এলাকায় ঘটে যায় এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা!!ঘটনার বিবরণী প্রকাশ দীর্ঘদিন ধরে তাদের জমি সংক্রান্ত বিবাদ চলতেই থাকে। এলাকাবাসীর অভিযোগ বড় ভাইয়ের নাম ময়ূর চাঁদ সিনা পেশায় রাজমিস্ত্রি ছোট ভাইয়ের নাম নীলধ্বস সিনা অবসরপ্রাপ্ত আর্মি। আজ সন্ধ্যায় বড় ভাইয়ের ঘরে গিয়ে ছোট ভাই তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে তৎসঙ্গে বড় ভাইও ছোট ভাইকে আঘাত করে ঘটনাস্থলে দুইজনেরই মৃত্যু হয়। এবং বড় ভাইয়ের ছেলেও গুরুতরভাবে আহত হয় ঘটনাস্থল থেকে তাকে কৈলাশহর ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে জানা যায় ঘটনার খবর পেয়ে কৈলাশহর থানার পুলিশ ছুটে যায়,ছোটে জান ঊনকোটি জেলার পুলিশ সুপার সুদাম্বিকা আর তাছাড়াও অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা সঙ্গে জান ডগ স্কোয়ার্ড এবং এর পরিবারের সঙ্গে জিজ্ঞাসা বাদ শুরু করে। তারপর মৃত দুই ব্যক্তিকে কৈলাসহ ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে দেওয়া হয় ময়না তদন্তের জন্য সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ফুলতলী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মৃদুল সিনহা বলেন।
গভীর রাতে ফরেস্ট গার্ডের ঘরে আটক মহিলা সহ কয়েকজন, উঠছে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ!!

গভীর রাতে ফরেস্ট গার্ডের ঘরে আটক মহিলা সহ কয়েকজন, উঠছে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ!!

নিজস্ব প্রতিনিধি: তেলিয়ামুড়া পুর পরিষদের ১৫ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত গামাইবাড়ি এলাকায় অবস্থিত বনদপ্তরের নগরবন পার্কে গভীর রাতে ঘটে গেল চাঞ্চল্যকর ঘটনা। পার্কের ভেতরে থাকা একটি ঘর থেকে এক ফরেস্ট গার্ড সহ কয়েকজন মহিলাকে আটক করেন স্থানীয় এলাকাবাসী।স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি এই পার্কের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরেই রাতের অন্ধকারে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছিল। অভিযোগ উঠেছে, ওই ফরেস্ট গার্ড প্রায়শই পার্কের নির্জন পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে মহিলাদের নিয়ে ফস্টিনষ্টিতে লিপ্ত থাকতেন। শুক্রবার রাতে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে তাদের ধরে ফেলেন বলে দাবি এলাকাবাসীর।ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ফরেস্ট গার্ডের ঘরটি ছিল সম্পূর্ণ লন্ডভন্ড অবস্থায়। ঘরের ভেতরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় অসংখ্য মদের বোতল। সরকারি সম্পত্তির ভেতরে এ ধরনের কার্যকলাপ নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা।খবর পেয়ে বনদপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও তাদের জনরোষের মুখে পড়তে হয়। পরে ঘটনার খবর পেয়ে তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আটক ব্যক্তিদের থানায় নিয়ে যায়।সরকারি জায়গায়, তাও আবার বনদপ্তরের অধীনস্থ একটি নগরবনে এমন অভিযোগের ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে দপ্তরের নজরদারি ব্যবস্থা। দীর্ঘদিন ধরে যদি এই ধরনের কর্মকাণ্ড চলতে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের ভূমিকা নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন। এখন দেখার বিষয়, ঘটনার পর বনদপ্তর এবং প্রশাসন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
বায়ু টেকনোলজির আর্থিক ঘোটালায় ধৃত ১

বায়ু টেকনোলজির আর্থিক ঘোটালায় ধৃত ১

নিজস্ব প্রতিনিধি: বায়ু টেকনোলজি ডিপার্টমেন্টে সরকারি অর্থ জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেফতার আরও এক। ধৃতের নাম সঞ্জীব দেব বাড়ি উজান অভয়নগর। শুক্রবার রাতে এনসিসির পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। এই মামলায় এনসিসি এসডিপিও সুব্রত বর্মন বিষয়টি বিস্তারিত জানান। তবে , সরকারী দপ্তরের টাকা আত্মসাৎ মামলায় বহু রাঘব বোয়াল জড়িত বলাই বাহুল্য । বিভিন্ন দপ্তরে উন্নয়ন প্রকল্প মূক ধুবড়ে পড়েছে । রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তার ভূমিকা নিয়ে ধোঁয়াশা থাকছেই। এই জল্পনা কল্পনার মাঝে বায়ু টেকনোলজির আর্থিক জালিয়াতি তদন্ত অজ্ঞাত কারনে মন্থর গতিতে বইছে। একজনকে আটক করা হলেও প্রকৃত তথ্য পুলিশ আড়াল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারিভাবেও কোন স্পষ্টিকরণ নেই । ধৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ কতটা কার্যকর এবং সফল হবে তাও জনমনে সংশয় রয়েছে। এখন দেখার রহস্যের উন্মোচন করেন পুলিশ এবং প্রশাসন কতটা স্বচ্ছ ভূমিকা রাখতে পারেন । সেটাই এখন কোটি টাকার প্রশ্ন জনমনে ।