এস এস এ সহ চুক্তিবদ্ধ শিক্ষকদের নিয়মিত করনের জোড়ালো দাবী বিধানসভায়
নিজস্ব প্রতিনিধি: সমগ্র শিক্ষা অভিযান (এসএসএ) এবং অন্যান্য চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকদের নিয়মিতকরণের দীর্ঘদিনের দাবি বুধবার ত্রিপুরা বিধানসভায় জোরালোভাবে উত্থাপিত হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চাকরির নিরাপত্তা ছাড়াই কাজ করার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিধায়করা।আজ বাজেট অধিবেশনে বিষয়টি উত্থাপন করেন পল ডাংশু। তিনি জানান, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেও এসএসএ শিক্ষকরা এখনও চুক্তিভিত্তিক অবস্থায় রয়েছেন, যদিও তারা উচ্চ আদালত থেকে অনুকূল রায় পেয়েছেন। একই ধরনের সমস্যার মুখোমুখি ভোকেশনাল শিক্ষকসহ অন্যান্য চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকরাও।তিনি আরও বলেন, এসএসএ শিক্ষকরা আরটিই আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন করেছেন এবং স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে ডি.এল.এড সম্পন্ন করেছেন। পাঠদানের পাশাপাশি বুথ-লেভেল দায়িত্ব, মিড-ডে মিল পরিচালনা এবং বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।পল ডাংশু রাজ্য সরকারকে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা বিশেষ অনুমতি পিটিশন (এসএলপি) প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। তার মতে, এতে রাজ্যের আর্থিক চাপ কমবে। তিনি বলেন, এসএলপি প্রত্যাহার করা হলে শিক্ষকদের বেতনের মাত্র ১০ শতাংশ রাজ্যকে বহন করতে হবে, বাকিটা কেন্দ্র সরকার দেবে।এছাড়াও তিনি উল্লেখ করেন, ২০০-রও বেশি শিক্ষক চাকরিরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন, কিন্তু তাদের পরিবারের জন্য পেনশন বা ‘ডাই-ইন-হারনেস’ সুবিধা নেই। দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সকল চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকের জন্য সম্মানজনক বেতন ও স্থায়ী কাঠামো গড়ে তোলার দাবি জানান তিনি।এই দাবিকে সমর্থন করেন বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী। তিনি একে অপূর্ণ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বলে উল্লেখ করেন। অসমসহ কয়েকটি রাজ্যে এসএসএ শিক্ষকদের পূর্ণ সুবিধা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান এবং বলেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।এদিকে, বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা বলেন, বিষয়টি বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার আগে আইন দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও তিনি জানান।
জুনের শেষে ভিলেজ কমিটি নির্বাচনের রায় প্রদান সুপ্রিম কোর্টের
নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রায় এক দশক পর আগামী জুন মাসের শেষ সপ্তাহে টিটিএএডিসি-এর অধীন ভিলেজ কমিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আজ দেশের সর্বোচ্চ আদালতে সংশ্লিষ্ট মামলার শুনানী ছিল। সেখানে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের হলফনামায় সম্মতি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আইনজীবী ভাস্কর দেববর্মা জানান, সুপ্রিম কোর্টের কোর্ট নং ১৪-তে দুটি বিষয় শুনানির জন্য বিচারপতি মনোজ মিশরা এবং বিচারপতি মনমোহনের বেঞ্চে ওঠে। একটি বিষয় ছিল দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা ভিলেজ কমিটি নির্বাচন এবং অন্যটি ছিল টিটিএএডিসি-র বিভিন্ন বিল, যা এখনও রাজ্য সরকারের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আজ আদালতে সংশ্লিষ্ট মামলার শুনানী ছিল। সেখানে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের হলফনামায় সম্মতি দিয়েছে সুপ্রীম কোর্ট। সেখানে জানানো হয়েছে, ভোটগ্রহণ থেকে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া ২০২৬ সালের জুন মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যেই সম্পন্ন করা হবে। বিষয়টি পুনরায় শুনানির জন্য আগামী ২০ মে ধার্য করা হয়েছে। ফলে সুপ্রিম কোর্টের সরাসরি তত্ত্বাবধানে নির্বাচন প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে। অন্যদিকে, টিটিএএডিসি-র বকেয়া বিল সংক্রান্ত মামলায় আদালত রিট পিটিশন গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলিকে নোটিশ জারি করার নির্দেশ দিয়েছে।এদিকে, এই রায়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিপরা মথার প্রাক্তন সুপ্রিমো প্রদ্যোত কিশোর দেবর্বমা সামাজিক মাধ্যমে বলেন, দশ বছর পর জুন মাসে ভিলেজ কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আমাদের তিপ্রাসা জনগণের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করায় সুপ্রিম কোর্টকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
শিশু ধর্ষন মামলায় অভিযুক্তের ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০২২ সালের ৭ ই আগস্ট আগরতলা শহর লাগাওয়া বিষ্ণুপদ দাস তার পাশের বাড়ির এক ১১ বছরের নাবালিকাকে মুড়ি খাওয়া বার লোভ দেখিয়ে বাড়িতে এনে ধর্ষণ করে। পরবর্তী সময়ে ইস্ট আগরতলা মহিলা থানাতে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত বিষ্ণুপদ দাসের বিরুদ্ধে মামলা রজু করেন নাবালক মেয়েটির মা। দীর্ঘ ৪ বছর ধরে মামলাটি আদালতে চলছিল। গত ১৬ মার্চ স্পেশাল পোসকো আদালত মামলাটি শুনানি শেষে দোষী সাব্যস্ত করেন আসামী বিষ্ণুপদ দাস কে। আদালত ২০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। পাশাপাশি পাঁচ হাজার টাকা ফাইন করেন অনাদায় আরো দুই মাসের জেল হাজতের নির্দেশ দেন।এ বিষয়ে আইনজীবী জয়ন্ত চৌধুরী বলেন এই রায়ে নির্যাতিত পরিবার সুবিচার পেয়েছেন । আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয় ।
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বৃজেশ পান্ডে ও পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকগণ ধর্মনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক
নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী ৯ই এপ্রিল ৫৬ নম্বর ধর্মনগর বিধানসভা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য উপনির্বাচনকে সামনে রেখে উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগরে শুরু হলো উচ্চপর্যায়ের রিভিউ মিটিং। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক ব্রিজেস পান্ডের উপস্থিতিতে উওরের জেলাশাসকের কনফারেন্স হলে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বুধবার বিকেলে।উপনির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে এদিন ধর্মনগরে পৌঁছান মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত নির্বাচন আধিকারিক ঊষা জেন মগ,রাজ্যের অতিরিক্ত ডিজিপি জি. এস. রাও এবং পুলিশ অবজারভার এস. শীতেশ বিনো। রিভিউ মিটিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা নির্বাচন আধিকারিক তথা জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রন,নির্বাচন আধিকারিক তথা মহকুমা শাসক দেবযানী চৌধুরী, জেলা পুলিশ সুপার অভিনাশ রাই সহ নির্বাচনের কাজে নিযুক্ত অন্যান্য প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিকরা। বৈঠকের শুরুতেই জেলা নির্বাচন আধিকারিক চাঁদনী চন্দ্রন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকসহ অন্যান্য অতিথিদের স্বাগত জানান। এরপর উপনির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। রিভিউ মিটিং শেষে ধর্মনগরের সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে স্থাপিত উপনির্বাচনের স্ট্রং রুম এবং ভোট গণনা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক সহ উপস্থিত অন্যান্য আধিকারিকরা। নির্বাচনের প্রস্তুতি সঠিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে কিনা,তা খতিয়ে দেখেন তারা।
২০২৬ - ২৭ অর্থবর্ষে ত্রিপুরার বাজেট ৫.৫২% বৃদ্ধি পেয়েছে, স্বাস্থ্য, গ্রামীণ উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী
আগরতলা: মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা আজ বলেছেন রাজ্যের বাজেট গত বছরের তুলনায় প্রায় ৫.৫২% বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি বর্তমান সরকার মোট ৪১% ডিএ এবং ডিআর প্রদান করেছে এবং ত্রিপুরা জনজাতি অঞ্চল স্বায়ত্তশাসিত জেলা পরিষদ (টিটিএএডিসি) এর জন্য তহবিল বরাদ্দও বৃদ্ধি করেছে।আজ রাজ্য বিধানসভায় অর্থমন্ত্রীর বাজেট প্রস্তাব পেশ করার পর বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। বিধানসভা প্রাঙ্গণে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, আজ ত্রিপুরা বিধানসভায় ২০২৬ এর বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী প্রনজিত সিংহ রায়। এত সুন্দর বাজেট পেশ করায় আমি তাঁকে ধন্যবাদ জানাই। এবারের বাজেটে দেখা গেছে ২০২৫ - ২৬ অর্থ বছরে যে বাজেট ছিল ৩২,৪২৩.৪৪ কোটি টাকা। আর এবার ২০২৬ - ২৭ অর্থ বছরে যে বাজেট হয়েছে সেখানে ৩৪,২১২.৩১ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। যা ২০২৫ - ২৬ এর তুলনায় ৫.৫২% বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থনীতিকে আরো চাঙ্গা করার লক্ষ্যে মূলধন ব্যয়ের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। ডাঃ সাহা জানান, ২০২৫ - ২৬ অর্থ বছরের বাজেটে ব্যয় ৭৯০৩.২৬ কোটি টাকা অনুমান করা হয়েছিল। ২০২৬ - ২৭ অর্থ বছরে সেটা ৮৯৪৫.৯২ কোটি টাকা অনুমান করা হয়েছে। যা ২০২৫ - ২৬ অর্থ বছরের তুলনায় ১৩.১৯% বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৬ - ২৭ অর্থ বছরে রাজ্য সরকার টিটিএএডিসিকে মোট ৯১৮.৮২ কোটি টাকা প্রদান করবে, যা ২০২৫ - ২৬ অর্থ বছরে ৮৬০.২১ কোটি টাকা ছিল। মুখ্যমন্ত্রী আরো জানান, নতুন কোন কর কার্যকর হয়নি। স্বাস্থ্য খাতে ২৪৪১.৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা গত বছরের তুলনায় ২৫.২৯% বৃদ্ধি হয়েছে। গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য ৪,০৯৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ১৭.৫০% বেশি। কৃষিতে ১,৯৮৫.৬১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা ৫.৩১% বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ৬,৪৩৯.৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৪.৪৩% বৃদ্ধি পেয়েছে। ডাঃ সাহা আরও ঘোষণা করেন, রাজ্য সরকার ধলাই জেলা হাসপাতালে একটি ক্রিটিক্যাল কেয়ার ব্লক, তেলিয়ামুড়া, বিশ্রামগঞ্জ এবং খোয়াইতে ট্রমা কেয়ার সেন্টার, জেলা ও মহকুমা হাসপাতালে মা ও শিশুদের কেয়ার ইউনিট এবং গোমতিতে একটি নতুন পিএইচসি খোলা হবে। ২০টি পিএইচসি এবং ৯টি সিএইচসিতে স্বাস্থ্য সুবিধার উন্নয়ন করা হবে। গোমতিতে একটি আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ, হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ এবং ত্রিপুরা ,ইউনিভার্সিটি অফ হেলথ সায়েন্সেস স্থাপন করা হবে। একটি আইটি পার্ক এবং আরও কিছু উদ্যোগের পরিকল্পনা করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগে আমরা ৩৬% দিয়েছিলাম, এখন আরও ৫% যোগ করা হয়েছে। একটি ভাল পরিমাণ ডিএ পাওয়া যাবে, যা ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে।
কোভিডে কর্মরত নার্সদের নিয়োগের দাবীতে দপ্তরের অধিকর্তাকে ডেপুটেশন
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে ১৬০ জনের মতো বেকার নার্স রয়েছেন যারা করোনা সময় কন্ট্রাকচুয়াল বেসিসের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মহামারীর সময় তারা ডিউটি করেছিলেন তৎকালীন সময়ে দপ্তর এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারা তাদেরকে আশ্বস্ত করা হয়েছিল তাদেরকে দপ্তর নিয়োগ করবে এবং নিয়োগের ক্ষেত্রে তাদেরকেই বেশি প্রায়োরিটি দেওয়া হবে! কিন্তু ২০২১ থেকে আজ পর্যন্ত তাদের এই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো রকম হেলদুল বলে তাদের অভিযোগ!! বেকার নার্সদের আজ স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তন নিকট এই গোটা বিষয় নিয়ে ডেপুটেশন দিতে আসেন তারা। তবে দফতরের অধিকতার নিকট তাদেরকে আশ্বস্ত করা হয়েছে তাদের গোটা বিষয়টা তারা লিখিত আকারে দপ্তরে জমা করতে এবং দপ্তর সেই বিষয়ে তাদেরকে নিশ্চয়ই প্রায়োরিটি দেবে এবং যা যা করণীয় দপ্তর তা করবে বলে তাদেরকে আশ্বস্ত করেন। পরবর্তী সময়ে তারা আধিকারিকের সাথে দেখা করার পর সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে গোটা বিষয়টি তুলে ধরেন এবং তারাও দফতরের আধিকারিকের আশাতে আশ্বস্ত হয়েছেন।
শন্তিরবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ধারাবাহিকতা অব্যাহত , আতঙ্ক জনমনে
নিজস্ব প্রতিনিধি: শান্তিরবাজারের পুরাতন ইলেক্ট্রিক অফিসে যেন আগুনের খেলা থামছেই না! এক সপ্তাহের ব্যবধানে আজ দ্বিতীয়বার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল এই চত্বরে!!বারবার একই স্থানে আগুনের ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দপ্তরের গাফিলতিকেই এই ঘটনার মূল কারণ হিসেবে দায়ী করছেন তারা।ঘটনার বিবরণে জানা যায়, শান্তিরবাজার পুরাতন ইলেক্ট্রিক অফিস চত্বরে আজ হঠাৎই আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান কর্মরতরা। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। খবর দেওয়া হয় শান্তিরবাজার অগ্নিনির্বাপক দপ্তরে। খবর পাওয়া মাত্রই দমকল বাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।তবে এই অগ্নিকাণ্ড ঘিরে উঠেছে একগুচ্ছ প্রশ্ন। অভিযোগ উঠেছে, অফিস চত্বরের জঙ্গল নিয়মিত পরিষ্কার না করার ফলেই বারবার এই আগুনের সূত্রপাত হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, বছর বছর এই একই চিত্র দেখা যায়, কিন্তু দপ্তরের কোনো হেলদোল নেই।এই বিষয়ে দপ্তরের এক আধিকারিককে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিস্ময়করভাবে জানান যে, আগুনের সূত্রপাত কোথা থেকে হয়েছে বা কেন বারবার এমন ঘটছে, সে সম্পর্কে তারা কিছুই জানেন না। দপ্তরের এই দায়সারা মন্তব্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে।এক সপ্তাহের মধ্যে দুইবার অগ্নি সংযোগের ঘটনায় জনমনে এখন একটাই প্রশ্ন— আর কতবার এমন ঘটনা ঘটলে টনক নড়বে বিদ্যুৎ দপ্তরের?
শন্তিরবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ধারাবাহিকতা অব্যাহত , আতঙ্ক জনমনে
নিজস্ব প্রতিনিধি: শান্তিরবাজারের পুরাতন ইলেক্ট্রিক অফিসে যেন আগুনের খেলা থামছেই না! এক সপ্তাহের ব্যবধানে আজ দ্বিতীয়বার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল এই চত্বরে!!বারবার একই স্থানে আগুনের ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দপ্তরের গাফিলতিকেই এই ঘটনার মূল কারণ হিসেবে দায়ী করছেন তারা।ঘটনার বিবরণে জানা যায়, শান্তিরবাজার পুরাতন ইলেক্ট্রিক অফিস চত্বরে আজ হঠাৎই আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান কর্মরতরা। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। খবর দেওয়া হয় শান্তিরবাজার অগ্নিনির্বাপক দপ্তরে। খবর পাওয়া মাত্রই দমকল বাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।তবে এই অগ্নিকাণ্ড ঘিরে উঠেছে একগুচ্ছ প্রশ্ন। অভিযোগ উঠেছে, অফিস চত্বরের জঙ্গল নিয়মিত পরিষ্কার না করার ফলেই বারবার এই আগুনের সূত্রপাত হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, বছর বছর এই একই চিত্র দেখা যায়, কিন্তু দপ্তরের কোনো হেলদোল নেই।এই বিষয়ে দপ্তরের এক আধিকারিককে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিস্ময়করভাবে জানান যে, আগুনের সূত্রপাত কোথা থেকে হয়েছে বা কেন বারবার এমন ঘটছে, সে সম্পর্কে তারা কিছুই জানেন না। দপ্তরের এই দায়সারা মন্তব্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে।এক সপ্তাহের মধ্যে দুইবার অগ্নি সংযোগের ঘটনায় জনমনে এখন একটাই প্রশ্ন— আর কতবার এমন ঘটনা ঘটলে টনক নড়বে বিদ্যুৎ দপ্তরের?
পোল্ট্রি ফার্ম বন্ধের দাবীতে সরব ভূমিহীন কলোনির বাসিন্দারা
নিজস্ব প্রতিনিধি: পোল্ট্রি ফার্ম থেকে বের হওয়া তীব্র দুর্গন্ধ ও মাছির উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন পশ্চিম নোয়াগাঁওয়ের রানীবাজার ভূমিহীন কলোনির বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে সমস্যার মুখে পড়েও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকাবাসীর ক্ষোভ বাড়ছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম নোয়াগাঁওয়ের রানীবাজার ভূমিহীন কলোনি এলাকায় একটি মুরগির ফার্মকে কেন্দ্র করে চরম সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, ফার্ম থেকে নির্গত দুর্গন্ধে পুরো এলাকায় বসবাস করা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি অসংখ্য মাছির উপদ্রবে নিত্যদিনের জীবনযাপনও কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা।এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি নিয়ে বহুবার খাদ্য দপ্তর এবং এসডিএমের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে দিন দিন সমস্যাটি আরও বাড়ছে।এদিকে এলাকার বিধায়ক রতন চক্রবর্তী বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকলেও এখনও পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত ওই পোল্ট্রি ফার্মটি বন্ধ করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হোক। অন্যথায় বাধ্য হয়ে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামবেন বলেও সতর্ক করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বাজেট অধিবেশনে নতুন কিছুর প্রত্যাশায় রাজ্যবাসী
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন শুরু হতেই স্নায়ুর চাপ ঊর্ধ্বমুখী সরকারের । প্রবল জনচাপ , বিরোধীদের প্রশ্নবাণে বিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা প্রবল । উল্লেখ্য , ৬০ আসন বিশিষ্ট ত্রিপুরা বিধানসভায় বিরোধীরা মজবুত অবস্থানে রয়েছে। শাসক শিবিরের একঝাঁক নতুন মুখ বিধানসভায় রয়েছেন । একাংশের রাজনৈতিক পরিপক্বতা বিধানসভায় ততটা ছাপ ফেলার নিদর্শন দেখা যায়নি । সেই জায়গায় বিরোধী দলের একাধিক প্রবীন ও দক্ষ বিধায়ক রয়েছেন । যাঁদের বিধানসভায় কিভাবে জনস্বার্থে কথা বলতে হয় অভিজ্ঞতা রয়েছে । প্রেক্ষিতে , ১৩ ই মার্চ রাজ্যপালের ভাষনের মধ্য দিয়ে অধিবেশন শুরু হয়। এবারের বাজেট পর্বে কি নতুন চমক থাকবে সেটা নিয়ে জোড়ালো হচ্ছে আলোচনা । লাগাতর বেকারদের কর্মসংস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা , শিক্ষায় বরাদ্দ কমিয়ে আনা , স্বাস্থ্যের রুগ্ন অবস্থা , দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি , স্মার্ট সিটির কাজের গতিময়তা অভাব সহ বহুবিধ সমস্যা নিয়ে বিরোধীদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে সরকারকে , খুব সহজেই অনুমেয়। প্রসঙ্গত , বিধানসভার মধ্যে শাসক ও বিরোধী উভয় শিবির আলোচনা করে জনকল্যাণকর দিশা নির্ণয় করবে এটাই গণতান্ত্রিক নিয়ম । তবে ,এক চেটিয়া মনোভাব পোষন করার পরিস্থিতি বারবার প্রত্যক্ষ করেছেন রাজ্যবাসী । চলতি বছরের বিধানসভা অধিবেশনের দিন বাড়ানো নিয়েও কোন আগ্রহ দেখা যায়নি । ক্রমান্বয়ে অধিবেশনের দিন সংকোচন করা হয়েছে । বছরে নুন্যপক্ষে ৬০ দিন অধিবেশন হলে আলোচনা করতে সুবিধা হয় । যত বেশী আলোচনা হবে জনকল্যাণ ততটা শিথীল হবে । অজ্ঞাত কারনে দিন বাড়াতে অনাগ্রহ । তথ্যবিজ্ঞ মহলের মতে , বেশিদিন বিধানসভার অধিবেশন চললে সরকার পক্ষের এক চেটিয়া সিদ্ধান্ত রুপায়ন ও প্রণয়ন ব্যাহত হবে । তাই দ্রুত অধিবেশন সমাপ্ত করে দেওয়ায় প্রবণতা দেখা যায় । এখন দেখার ৯ দিনের চলতি অধিবেশনে সরকার আদৌ কতটা নতুন রোডম্যাপ নির্ণয়ে সহায়ক হবে ? নাকি প্রবল বিরোধী চাপে বিপাকে পড়তে হয় ? সেদিকে তাকিয়েই রাজ্যের জনগন ।

