২০২৬ - ২৭ অর্থবর্ষে ত্রিপুরার বাজেট ৫.৫২% বৃদ্ধি পেয়েছে, স্বাস্থ্য, গ্রামীণ উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী
আগরতলা: মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা আজ বলেছেন রাজ্যের বাজেট গত বছরের তুলনায় প্রায় ৫.৫২% বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি বর্তমান সরকার মোট ৪১% ডিএ এবং ডিআর প্রদান করেছে এবং ত্রিপুরা জনজাতি অঞ্চল স্বায়ত্তশাসিত জেলা পরিষদ (টিটিএএডিসি) এর জন্য তহবিল বরাদ্দও বৃদ্ধি করেছে।আজ রাজ্য বিধানসভায় অর্থমন্ত্রীর বাজেট প্রস্তাব পেশ করার পর বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। বিধানসভা প্রাঙ্গণে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, আজ ত্রিপুরা বিধানসভায় ২০২৬ এর বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী প্রনজিত সিংহ রায়। এত সুন্দর বাজেট পেশ করায় আমি তাঁকে ধন্যবাদ জানাই। এবারের বাজেটে দেখা গেছে ২০২৫ - ২৬ অর্থ বছরে যে বাজেট ছিল ৩২,৪২৩.৪৪ কোটি টাকা। আর এবার ২০২৬ - ২৭ অর্থ বছরে যে বাজেট হয়েছে সেখানে ৩৪,২১২.৩১ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। যা ২০২৫ - ২৬ এর তুলনায় ৫.৫২% বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থনীতিকে আরো চাঙ্গা করার লক্ষ্যে মূলধন ব্যয়ের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। ডাঃ সাহা জানান, ২০২৫ - ২৬ অর্থ বছরের বাজেটে ব্যয় ৭৯০৩.২৬ কোটি টাকা অনুমান করা হয়েছিল। ২০২৬ - ২৭ অর্থ বছরে সেটা ৮৯৪৫.৯২ কোটি টাকা অনুমান করা হয়েছে। যা ২০২৫ - ২৬ অর্থ বছরের তুলনায় ১৩.১৯% বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৬ - ২৭ অর্থ বছরে রাজ্য সরকার টিটিএএডিসিকে মোট ৯১৮.৮২ কোটি টাকা প্রদান করবে, যা ২০২৫ - ২৬ অর্থ বছরে ৮৬০.২১ কোটি টাকা ছিল। মুখ্যমন্ত্রী আরো জানান, নতুন কোন কর কার্যকর হয়নি। স্বাস্থ্য খাতে ২৪৪১.৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা গত বছরের তুলনায় ২৫.২৯% বৃদ্ধি হয়েছে। গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য ৪,০৯৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ১৭.৫০% বেশি। কৃষিতে ১,৯৮৫.৬১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা ৫.৩১% বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ৬,৪৩৯.৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৪.৪৩% বৃদ্ধি পেয়েছে। ডাঃ সাহা আরও ঘোষণা করেন, রাজ্য সরকার ধলাই জেলা হাসপাতালে একটি ক্রিটিক্যাল কেয়ার ব্লক, তেলিয়ামুড়া, বিশ্রামগঞ্জ এবং খোয়াইতে ট্রমা কেয়ার সেন্টার, জেলা ও মহকুমা হাসপাতালে মা ও শিশুদের কেয়ার ইউনিট এবং গোমতিতে একটি নতুন পিএইচসি খোলা হবে। ২০টি পিএইচসি এবং ৯টি সিএইচসিতে স্বাস্থ্য সুবিধার উন্নয়ন করা হবে। গোমতিতে একটি আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ, হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ এবং ত্রিপুরা ,ইউনিভার্সিটি অফ হেলথ সায়েন্সেস স্থাপন করা হবে। একটি আইটি পার্ক এবং আরও কিছু উদ্যোগের পরিকল্পনা করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগে আমরা ৩৬% দিয়েছিলাম, এখন আরও ৫% যোগ করা হয়েছে। একটি ভাল পরিমাণ ডিএ পাওয়া যাবে, যা ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে।
কোভিডে কর্মরত নার্সদের নিয়োগের দাবীতে দপ্তরের অধিকর্তাকে ডেপুটেশন
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে ১৬০ জনের মতো বেকার নার্স রয়েছেন যারা করোনা সময় কন্ট্রাকচুয়াল বেসিসের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মহামারীর সময় তারা ডিউটি করেছিলেন তৎকালীন সময়ে দপ্তর এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারা তাদেরকে আশ্বস্ত করা হয়েছিল তাদেরকে দপ্তর নিয়োগ করবে এবং নিয়োগের ক্ষেত্রে তাদেরকেই বেশি প্রায়োরিটি দেওয়া হবে! কিন্তু ২০২১ থেকে আজ পর্যন্ত তাদের এই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো রকম হেলদুল বলে তাদের অভিযোগ!! বেকার নার্সদের আজ স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তন নিকট এই গোটা বিষয় নিয়ে ডেপুটেশন দিতে আসেন তারা। তবে দফতরের অধিকতার নিকট তাদেরকে আশ্বস্ত করা হয়েছে তাদের গোটা বিষয়টা তারা লিখিত আকারে দপ্তরে জমা করতে এবং দপ্তর সেই বিষয়ে তাদেরকে নিশ্চয়ই প্রায়োরিটি দেবে এবং যা যা করণীয় দপ্তর তা করবে বলে তাদেরকে আশ্বস্ত করেন। পরবর্তী সময়ে তারা আধিকারিকের সাথে দেখা করার পর সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে গোটা বিষয়টি তুলে ধরেন এবং তারাও দফতরের আধিকারিকের আশাতে আশ্বস্ত হয়েছেন।
শন্তিরবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ধারাবাহিকতা অব্যাহত , আতঙ্ক জনমনে
নিজস্ব প্রতিনিধি: শান্তিরবাজারের পুরাতন ইলেক্ট্রিক অফিসে যেন আগুনের খেলা থামছেই না! এক সপ্তাহের ব্যবধানে আজ দ্বিতীয়বার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল এই চত্বরে!!বারবার একই স্থানে আগুনের ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দপ্তরের গাফিলতিকেই এই ঘটনার মূল কারণ হিসেবে দায়ী করছেন তারা।ঘটনার বিবরণে জানা যায়, শান্তিরবাজার পুরাতন ইলেক্ট্রিক অফিস চত্বরে আজ হঠাৎই আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান কর্মরতরা। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। খবর দেওয়া হয় শান্তিরবাজার অগ্নিনির্বাপক দপ্তরে। খবর পাওয়া মাত্রই দমকল বাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।তবে এই অগ্নিকাণ্ড ঘিরে উঠেছে একগুচ্ছ প্রশ্ন। অভিযোগ উঠেছে, অফিস চত্বরের জঙ্গল নিয়মিত পরিষ্কার না করার ফলেই বারবার এই আগুনের সূত্রপাত হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, বছর বছর এই একই চিত্র দেখা যায়, কিন্তু দপ্তরের কোনো হেলদোল নেই।এই বিষয়ে দপ্তরের এক আধিকারিককে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিস্ময়করভাবে জানান যে, আগুনের সূত্রপাত কোথা থেকে হয়েছে বা কেন বারবার এমন ঘটছে, সে সম্পর্কে তারা কিছুই জানেন না। দপ্তরের এই দায়সারা মন্তব্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে।এক সপ্তাহের মধ্যে দুইবার অগ্নি সংযোগের ঘটনায় জনমনে এখন একটাই প্রশ্ন— আর কতবার এমন ঘটনা ঘটলে টনক নড়বে বিদ্যুৎ দপ্তরের?
শন্তিরবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ধারাবাহিকতা অব্যাহত , আতঙ্ক জনমনে
নিজস্ব প্রতিনিধি: শান্তিরবাজারের পুরাতন ইলেক্ট্রিক অফিসে যেন আগুনের খেলা থামছেই না! এক সপ্তাহের ব্যবধানে আজ দ্বিতীয়বার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল এই চত্বরে!!বারবার একই স্থানে আগুনের ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দপ্তরের গাফিলতিকেই এই ঘটনার মূল কারণ হিসেবে দায়ী করছেন তারা।ঘটনার বিবরণে জানা যায়, শান্তিরবাজার পুরাতন ইলেক্ট্রিক অফিস চত্বরে আজ হঠাৎই আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান কর্মরতরা। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। খবর দেওয়া হয় শান্তিরবাজার অগ্নিনির্বাপক দপ্তরে। খবর পাওয়া মাত্রই দমকল বাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।তবে এই অগ্নিকাণ্ড ঘিরে উঠেছে একগুচ্ছ প্রশ্ন। অভিযোগ উঠেছে, অফিস চত্বরের জঙ্গল নিয়মিত পরিষ্কার না করার ফলেই বারবার এই আগুনের সূত্রপাত হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, বছর বছর এই একই চিত্র দেখা যায়, কিন্তু দপ্তরের কোনো হেলদোল নেই।এই বিষয়ে দপ্তরের এক আধিকারিককে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিস্ময়করভাবে জানান যে, আগুনের সূত্রপাত কোথা থেকে হয়েছে বা কেন বারবার এমন ঘটছে, সে সম্পর্কে তারা কিছুই জানেন না। দপ্তরের এই দায়সারা মন্তব্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে।এক সপ্তাহের মধ্যে দুইবার অগ্নি সংযোগের ঘটনায় জনমনে এখন একটাই প্রশ্ন— আর কতবার এমন ঘটনা ঘটলে টনক নড়বে বিদ্যুৎ দপ্তরের?
পোল্ট্রি ফার্ম বন্ধের দাবীতে সরব ভূমিহীন কলোনির বাসিন্দারা
নিজস্ব প্রতিনিধি: পোল্ট্রি ফার্ম থেকে বের হওয়া তীব্র দুর্গন্ধ ও মাছির উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন পশ্চিম নোয়াগাঁওয়ের রানীবাজার ভূমিহীন কলোনির বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে সমস্যার মুখে পড়েও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকাবাসীর ক্ষোভ বাড়ছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম নোয়াগাঁওয়ের রানীবাজার ভূমিহীন কলোনি এলাকায় একটি মুরগির ফার্মকে কেন্দ্র করে চরম সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, ফার্ম থেকে নির্গত দুর্গন্ধে পুরো এলাকায় বসবাস করা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি অসংখ্য মাছির উপদ্রবে নিত্যদিনের জীবনযাপনও কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা।এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি নিয়ে বহুবার খাদ্য দপ্তর এবং এসডিএমের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে দিন দিন সমস্যাটি আরও বাড়ছে।এদিকে এলাকার বিধায়ক রতন চক্রবর্তী বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকলেও এখনও পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত ওই পোল্ট্রি ফার্মটি বন্ধ করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হোক। অন্যথায় বাধ্য হয়ে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামবেন বলেও সতর্ক করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বাজেট অধিবেশনে নতুন কিছুর প্রত্যাশায় রাজ্যবাসী
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন শুরু হতেই স্নায়ুর চাপ ঊর্ধ্বমুখী সরকারের । প্রবল জনচাপ , বিরোধীদের প্রশ্নবাণে বিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা প্রবল । উল্লেখ্য , ৬০ আসন বিশিষ্ট ত্রিপুরা বিধানসভায় বিরোধীরা মজবুত অবস্থানে রয়েছে। শাসক শিবিরের একঝাঁক নতুন মুখ বিধানসভায় রয়েছেন । একাংশের রাজনৈতিক পরিপক্বতা বিধানসভায় ততটা ছাপ ফেলার নিদর্শন দেখা যায়নি । সেই জায়গায় বিরোধী দলের একাধিক প্রবীন ও দক্ষ বিধায়ক রয়েছেন । যাঁদের বিধানসভায় কিভাবে জনস্বার্থে কথা বলতে হয় অভিজ্ঞতা রয়েছে । প্রেক্ষিতে , ১৩ ই মার্চ রাজ্যপালের ভাষনের মধ্য দিয়ে অধিবেশন শুরু হয়। এবারের বাজেট পর্বে কি নতুন চমক থাকবে সেটা নিয়ে জোড়ালো হচ্ছে আলোচনা । লাগাতর বেকারদের কর্মসংস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা , শিক্ষায় বরাদ্দ কমিয়ে আনা , স্বাস্থ্যের রুগ্ন অবস্থা , দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি , স্মার্ট সিটির কাজের গতিময়তা অভাব সহ বহুবিধ সমস্যা নিয়ে বিরোধীদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে সরকারকে , খুব সহজেই অনুমেয়। প্রসঙ্গত , বিধানসভার মধ্যে শাসক ও বিরোধী উভয় শিবির আলোচনা করে জনকল্যাণকর দিশা নির্ণয় করবে এটাই গণতান্ত্রিক নিয়ম । তবে ,এক চেটিয়া মনোভাব পোষন করার পরিস্থিতি বারবার প্রত্যক্ষ করেছেন রাজ্যবাসী । চলতি বছরের বিধানসভা অধিবেশনের দিন বাড়ানো নিয়েও কোন আগ্রহ দেখা যায়নি । ক্রমান্বয়ে অধিবেশনের দিন সংকোচন করা হয়েছে । বছরে নুন্যপক্ষে ৬০ দিন অধিবেশন হলে আলোচনা করতে সুবিধা হয় । যত বেশী আলোচনা হবে জনকল্যাণ ততটা শিথীল হবে । অজ্ঞাত কারনে দিন বাড়াতে অনাগ্রহ । তথ্যবিজ্ঞ মহলের মতে , বেশিদিন বিধানসভার অধিবেশন চললে সরকার পক্ষের এক চেটিয়া সিদ্ধান্ত রুপায়ন ও প্রণয়ন ব্যাহত হবে । তাই দ্রুত অধিবেশন সমাপ্ত করে দেওয়ায় প্রবণতা দেখা যায় । এখন দেখার ৯ দিনের চলতি অধিবেশনে সরকার আদৌ কতটা নতুন রোডম্যাপ নির্ণয়ে সহায়ক হবে ? নাকি প্রবল বিরোধী চাপে বিপাকে পড়তে হয় ? সেদিকে তাকিয়েই রাজ্যের জনগন ।
জিতেন্দ্র ঘনিষ্ঠ বিজেপিতে!
নিজস্ব প্রতিনিধি: যোগেন্দ্র ত্রিপুরা বাড়ি সাব্রুম কলাছড়ায়, জিএমপি সাব্রুম বিভাগীয় কমিটির সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য। টিএসইউ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন, টিওয়াইএফ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন, জিএমপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। বর্তমানে সাব্রুম জিএমপি বিভাগীয় সম্পাদকমন্ডলী ও সিপিআইএম সাব্রুম মহকুমা কমিটির সদস্য। ২০২১সালে এডিসির নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি দলে যোগদান করেন। তাকে বরণ করেন প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা। উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ত্রিপুরা জিলা সভাধিপতি দীপক দত্ত, দক্ষিণ পিলাক জেলার সভাপতি দীপায়ন চৌধুরী,বিধায়ক মাইলাফ্রু মগ, প্রদেশ মিডিয়া কো-ইনচার্জ রঘুরাজ বড়াল।
জিতেন্দ্র ঘনিষ্ঠ বিজেপিতে!
নিজস্ব প্রতিনিধি: যোগেন্দ্র ত্রিপুরা বাড়ি সাব্রুম কলাছড়ায়, জিএমপি সাব্রুম বিভাগীয় কমিটির সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য। টিএসইউ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন, টিওয়াইএফ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন, জিএমপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। বর্তমানে সাব্রুম জিএমপি বিভাগীয় সম্পাদকমন্ডলী ও সিপিআইএম সাব্রুম মহকুমা কমিটির সদস্য। ২০২১সালে এডিসির নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি দলে যোগদান করেন। তাকে বরণ করেন প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা। উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ত্রিপুরা জিলা সভাধিপতি দীপক দত্ত, দক্ষিণ পিলাক জেলার সভাপতি দীপায়ন চৌধুরী,বিধায়ক মাইলাফ্রু মগ, প্রদেশ মিডিয়া কো-ইনচার্জ রঘুরাজ বড়াল।
যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু
নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে " যুদ্ধ নয় শান্তি চাই " । এটা অতীভ তাৎপর্যপূর্ণ । দেশের ও দশের হিতকামী প্রবাদ । যে যাই বলুক না কেন প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার উপরে ব্যয় হচ্ছে ইজরায়েল - আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে । পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ জিও রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে নিজ নিজ বিবেচনায় এক পক্ষকে সমর্থন করছে । পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দুই শিবিরের মধ্যে একটিকে সমর্থন করছে । ভারতের ন্যায় এমন খুব কম দেশই রয়েছে যারা শান্তির বার্তা নিয়ে দুই পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে চলছে । ভারতের অবস্থান স্পষ্ট কোন শিবিরের সঙ্গে সরাসরি নিজেদের জড়াবেনা । এমনকি ভারতের মাটিতে কোন অন্য রাষ্ট্রের সাময়িক খাতে ব্যবহার করতে দেবেনা । এই মহারণের শুরুই হয়েছিল ইরানের রাষ্ট্র প্রধান ও শীর্ষ ধর্ম গুরু খামেয়নি মহোদয়কে হত্যার মাধ্যমে । এতে করে ইরানের সেনা দলের প্রতিহিংসার ক্রোধ ভীষনভাবে জাগ্রত হয়েছে এটা অস্বীকার করা যায়না । অবশ্য চীন ও রাশিয়া আগে থেকেই ইরানের পাশে অবস্থানরত । মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদনকারী মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে পূর্বেই আমেরিকার সৈন্য ঘাটির স্থাপত্য বজায় ছিল । তাই ইরান স্ব - ধর্মীয়দের ও ঐ সৈন্য ঘাটিগুলোতে অবিরাম আক্রমন থেকে রেহাই দেয়নি । ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম বর্তমান যুদ্ধে দুই পক্ষেরই হতাহত হয়েছে প্রচুর । হিসেবে ইরানের হতাহত বেশীর দিকে । বর্তমানে বিশ্বের বাজারে এই দুই পক্ষের যুদ্ধে একটা অস্থিরতা বজায় রয়েছে । যুদ্ধের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছেনা বিশ্বে এমন দেশের আকাল । এদিকে ইরান হরমোজ প্রণালী দখল করে রয়েছে । প্রায় তৈলবাহী ৩৭/৩৮ টা বড় বড় জাহাজ হরমোজ প্রণালীতে অবরুদ্ধ । হরমোজ প্রণালী দিয়ে তৈলবাহী জাহাজ পরিবহনের অনুমতি আজও মেলেনি । ভারতের অবস্থা ও সংকটে । ভারতে মাত্র প্রায় এক মাসের অশোধিত তেল রয়েছে। অবশ্য রাশিয়া থেকে প্রয়োজনীয় অশোধিত তেলের ব্যবস্থা হয়ে গেছে । শুধু ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে শুধু তারাই চিন্তিত নয় । সমগ্র বিশ্ব উদ্বিগ্ন কি যে হয় ।অন্যদিকে রাশিয়া - ইউক্রেন এবং আফগানিস্থান পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ তো চলমান গতিতে প্রবাহমান । বিশ্ব বাজারে অস্ত্র উৎপাদক যুদ্ধ জাহাজ , হেলিকপ্টার উৎপাদনকারী দেশের তো সোনায় সোহাগা।যুদ্ধ সরঞ্জামের বাজার বর্তমানে রমরমা । ২/১ দিন পূর্বে সামাজিক মিডিয়ায় দেখা গেল বাংলাদেশ কিছু সংখ্যক ট্রেঙ্ক চীন থেকে ক্রয় করেছে । বর্তমানে বিশ্বের যুদ্ধং দেহী আবহাওয়ায় বেগতিকভাবে প্রবাহমান । কখন কোথায় কোন কোন দেশের মধ্যে যুদ্ধের বাদ্য বেজে উঠবে বলা মুশকিল । যুদ্ধ মানেই দুই পক্ষের চরম ক্ষতি । যান্ত্রিক ,জনবল ও অর্থবলের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতির বহরের হিসেব মেলা ভার । এতে করে সারা বিশ্বে সুবিধাবাদী পুঁজিপতিগন আগাম সমগ্র দৈনন্দিন ব্যবহৃত দ্রব্য মজুত করতে শুরু করে দিয়েছে। বাজারে কৃত্তিম পণ্যের আকালের সম্ভাবনা । অপরদিকে যুদ্ধাতংকে উৎপাদনকারী শিল্পে মন্দার আশঙ্কারত। কখন যুদ্ধের মোর কোনদিকে কখন ঘুড়ে যাবে বলা মুশকিল । সমগ্র বিশ্ব সিদ্ধান্তে কিংকর্তব্যবিমূঢ় । অনেক বৃহৎ মাঝারী শক্তিশালী দেশ যুদ্ধের আবহাওয়ায় কোন পক্ষে ঝুঁকবে তা বলা মুশকিল। বিশ্বে মুদ্রাস্ফীতি যুদ্ধকালীন সময়ের একটা অতীভ গুরুত্বপুর্ন উৎপাদন । অপরদিকে যুদ্ধকালীন সময়ে ব্যয় সংকোচনের প্রচেষ্টা অবশ্যম্ভাবী । প্রত্যেকটা দেশে আয় ব্যয়ের নিরীখে ঘাটতি স্বাভাবিক । প্রাণঘাতী যুদ্ধের কড়াল আঘাতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দেশীয় অর্থনীতির প্রচন্ড প্রকোপ । অনেক দেশ রয়েছে সেই দেশের ৩/৪ দিনের যুদ্ধের ব্যয় এক বছরের বাজেটের সমান হয়ে যায় কখনও কখনও।অপরদিকে যুদ্ধ আবহাওয়া নূতন শিল্প কারখানার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় । বেকারদের কপালে ভাঁজ । শিল্প বানিজ্যের চলমান নিম্নগামী আবহাওয়া । এদিকে কয়েকটা রাজ্য রান্না / বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সংবাদ প্রকাশ্যে আসছে । যুদ্ধের ফলাফল সর্বদাই ক্ষতির দিকে প্রভাবিত হয় । যারা জয়ী হয় তাদের ও জনবল , অর্থ এবং গোলাবারুদের ক্ষয়ক্ষতিতে নিমজ্জিত হতে হয় । আর যারা পরাজিত হয় তাদেরতো ক্ষতির ফিরিস্তি না দিলেই ভালো । তাই প্রতিপক্ষ দেশ গুলির মধ্যে অচীরেই যুদ্ধ বিরতি পৃথিবীর সার্বিক মঙ্গলের আশীর্বাদ এবং অহেতুক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির হাত থেকে সার্বিক দেশের জনগণ নিস্তার পাবেন । পরিশেষে বলা যায় ভারতের ন্যায় অন্যান্য উন্নতশীল দেশগুলি একজোটে যুদ্ধের অবসানে আলোচনার মাধ্যমে শাস্তির বাতাবরণ সৃষ্টির প্রয়াসই প্রশংসিত ও আকাঙ্খিত ।
যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু
নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে " যুদ্ধ নয় শান্তি চাই " । এটা অতীভ তাৎপর্যপূর্ণ । দেশের ও দশের হিতকামী প্রবাদ । যে যাই বলুক না কেন প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার উপরে ব্যয় হচ্ছে ইজরায়েল - আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে । পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ জিও রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে নিজ নিজ বিবেচনায় এক পক্ষকে সমর্থন করছে । পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দুই শিবিরের মধ্যে একটিকে সমর্থন করছে । ভারতের ন্যায় এমন খুব কম দেশই রয়েছে যারা শান্তির বার্তা নিয়ে দুই পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে চলছে । ভারতের অবস্থান স্পষ্ট কোন শিবিরের সঙ্গে সরাসরি নিজেদের জড়াবেনা । এমনকি ভারতের মাটিতে কোন অন্য রাষ্ট্রের সাময়িক খাতে ব্যবহার করতে দেবেনা । এই মহারণের শুরুই হয়েছিল ইরানের রাষ্ট্র প্রধান ও শীর্ষ ধর্ম গুরু খামেয়নি মহোদয়কে হত্যার মাধ্যমে । এতে করে ইরানের সেনা দলের প্রতিহিংসার ক্রোধ ভীষনভাবে জাগ্রত হয়েছে এটা অস্বীকার করা যায়না । অবশ্য চীন ও রাশিয়া আগে থেকেই ইরানের পাশে অবস্থানরত । মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদনকারী মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে পূর্বেই আমেরিকার সৈন্য ঘাটির স্থাপত্য বজায় ছিল । তাই ইরান স্ব - ধর্মীয়দের ও ঐ সৈন্য ঘাটিগুলোতে অবিরাম আক্রমন থেকে রেহাই দেয়নি । ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম বর্তমান যুদ্ধে দুই পক্ষেরই হতাহত হয়েছে প্রচুর । হিসেবে ইরানের হতাহত বেশীর দিকে । বর্তমানে বিশ্বের বাজারে এই দুই পক্ষের যুদ্ধে একটা অস্থিরতা বজায় রয়েছে । যুদ্ধের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছেনা বিশ্বে এমন দেশের আকাল । এদিকে ইরান হরমোজ প্রণালী দখল করে রয়েছে । প্রায় তৈলবাহী ৩৭/৩৮ টা বড় বড় জাহাজ হরমোজ প্রণালীতে অবরুদ্ধ । হরমোজ প্রণালী দিয়ে তৈলবাহী জাহাজ পরিবহনের অনুমতি আজও মেলেনি । ভারতের অবস্থা ও সংকটে । ভারতে মাত্র প্রায় এক মাসের অশোধিত তেল রয়েছে। অবশ্য রাশিয়া থেকে প্রয়োজনীয় অশোধিত তেলের ব্যবস্থা হয়ে গেছে । শুধু ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে শুধু তারাই চিন্তিত নয় । সমগ্র বিশ্ব উদ্বিগ্ন কি যে হয় ।অন্যদিকে রাশিয়া - ইউক্রেন এবং আফগানিস্থান পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ তো চলমান গতিতে প্রবাহমান । বিশ্ব বাজারে অস্ত্র উৎপাদক যুদ্ধ জাহাজ , হেলিকপ্টার উৎপাদনকারী দেশের তো সোনায় সোহাগা।যুদ্ধ সরঞ্জামের বাজার বর্তমানে রমরমা । ২/১ দিন পূর্বে সামাজিক মিডিয়ায় দেখা গেল বাংলাদেশ কিছু সংখ্যক ট্রেঙ্ক চীন থেকে ক্রয় করেছে । বর্তমানে বিশ্বের যুদ্ধং দেহী আবহাওয়ায় বেগতিকভাবে প্রবাহমান । কখন কোথায় কোন কোন দেশের মধ্যে যুদ্ধের বাদ্য বেজে উঠবে বলা মুশকিল । যুদ্ধ মানেই দুই পক্ষের চরম ক্ষতি । যান্ত্রিক ,জনবল ও অর্থবলের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতির বহরের হিসেব মেলা ভার । এতে করে সারা বিশ্বে সুবিধাবাদী পুঁজিপতিগন আগাম সমগ্র দৈনন্দিন ব্যবহৃত দ্রব্য মজুত করতে শুরু করে দিয়েছে। বাজারে কৃত্তিম পণ্যের আকালের সম্ভাবনা । অপরদিকে যুদ্ধাতংকে উৎপাদনকারী শিল্পে মন্দার আশঙ্কারত। কখন যুদ্ধের মোর কোনদিকে কখন ঘুড়ে যাবে বলা মুশকিল । সমগ্র বিশ্ব সিদ্ধান্তে কিংকর্তব্যবিমূঢ় । অনেক বৃহৎ মাঝারী শক্তিশালী দেশ যুদ্ধের আবহাওয়ায় কোন পক্ষে ঝুঁকবে তা বলা মুশকিল। বিশ্বে মুদ্রাস্ফীতি যুদ্ধকালীন সময়ের একটা অতীভ গুরুত্বপুর্ন উৎপাদন । অপরদিকে যুদ্ধকালীন সময়ে ব্যয় সংকোচনের প্রচেষ্টা অবশ্যম্ভাবী । প্রত্যেকটা দেশে আয় ব্যয়ের নিরীখে ঘাটতি স্বাভাবিক । প্রাণঘাতী যুদ্ধের কড়াল আঘাতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দেশীয় অর্থনীতির প্রচন্ড প্রকোপ । অনেক দেশ রয়েছে সেই দেশের ৩/৪ দিনের যুদ্ধের ব্যয় এক বছরের বাজেটের সমান হয়ে যায় কখনও কখনও।অপরদিকে যুদ্ধ আবহাওয়া নূতন শিল্প কারখানার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় । বেকারদের কপালে ভাঁজ । শিল্প বানিজ্যের চলমান নিম্নগামী আবহাওয়া । এদিকে কয়েকটা রাজ্য রান্না / বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সংবাদ প্রকাশ্যে আসছে । যুদ্ধের ফলাফল সর্বদাই ক্ষতির দিকে প্রভাবিত হয় । যারা জয়ী হয় তাদের ও জনবল , অর্থ এবং গোলাবারুদের ক্ষয়ক্ষতিতে নিমজ্জিত হতে হয় । আর যারা পরাজিত হয় তাদেরতো ক্ষতির ফিরিস্তি না দিলেই ভালো । তাই প্রতিপক্ষ দেশ গুলির মধ্যে অচীরেই যুদ্ধ বিরতি পৃথিবীর সার্বিক মঙ্গলের আশীর্বাদ এবং অহেতুক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির হাত থেকে সার্বিক দেশের জনগণ নিস্তার পাবেন । পরিশেষে বলা যায় ভারতের ন্যায় অন্যান্য উন্নতশীল দেশগুলি একজোটে যুদ্ধের অবসানে আলোচনার মাধ্যমে শাস্তির বাতাবরণ সৃষ্টির প্রয়াসই প্রশংসিত ও আকাঙ্খিত ।

