সরকারি হাসপাতালের প্রবেশ পথে বেসরকারি সংস্থার বিজ্ঞাপন!প্রশ্নের মুখে কর্তৃপক্ষ!
নিজস্ব প্রতিনিধি: ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের প্রবেশপথে বেসরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা ঊনকোটি হসপিটাল-এর বিজ্ঞাপনের ব্যানার ঘিরে বুধবার চাঞ্চল্য ছড়ায়। সরকারি হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এভাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রচার চালানো নিয়ে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন।জানা গেছে,বিষয়টি সামনে আসতেই তড়িঘড়ি করে ব্যানারগুলি সরিয়ে ফেলা হয়। তবে সরানোর আগেই সেই বিজ্ঞাপনের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।এই বিষয়ে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের মেডিকেল সুপার ভাস্কর দাস জানান,সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন,কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই ওই ব্যানারগুলি লাগানো হয়েছিল।
বর্ষা আসার পর বাধ সারাই করতে মনে হয়! বললেন কৈলাসহরের বিধায়ক বীরজিৎ সিনহা
নিজস্ব প্রতিনিধি: টানা তিনদিনের ভারী বর্ষণে কৈলাসহর মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। মনু নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় গৌরনগর ব্লকের লাঠিয়াপুরা এলাকায় ৬২ নম্বর গেইট সংলগ্ন বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান বিধায়ক বীরজিৎ সিনহা ও অন্যান্যরা।প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাটি ভর্তি বস্তা ও সিমেন্টের ব্লক ফেলে বাঁধ রক্ষার কাজ চলছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, স্থায়ী সমাধান জরুরি। পরিদর্শন শেষে বিধায়ক বলেন, “বাঁধের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ, দ্রুত যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করা প্রয়োজন। শুধু বালুর বস্তা দিয়ে এই সমস্যা সমাধান হবে না।”
প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে , খোলা থাকবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : মুখ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিনিধি: টানা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া সত্ত্বেও আপাতত ত্রিপুরায় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, স্কুল ও কলেজ খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। আজ বিকেল সাড়ে চারটায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা।বৈঠকে ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার প্রভাবে সৃষ্ট পরিস্থিতির বিস্তারিত মূল্যায়ন করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি সব দপ্তরকে জননিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেন।তিনি বলেন, সম্ভাব্য যেকোনো জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলায় সব দপ্তরকে সর্বদা প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে সক্রিয় রাখা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, জেলা প্রশাসন, ত্রিপুরা স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি এবং পুলিশ যৌথভাবে কাজ করছে, যাতে ঝুঁকি কমানো যায় এবং স্বাভাবিক অবস্থা দ্রুত ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।এদিকে, লংতরাই ভ্যালি এলাকায় এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী নিহতের পরিবারের জন্য দ্রুত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। যেকোনো জরুরি অবস্থায় দ্রুত ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রয়েছে প্রশাসন।
মনু নদীর পাড় ভাঙ্গনে উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা
নিজস্ব প্রতিনিধি: মনু নদীর জল বেড়ে গিয়ে বাঁধের কাটা অংশ দিয়ে জল প্রবেশ করতে শুরু হওয়ায় কৈলাসহর লাটিয়াপুড়া গ্রামে চিৎকার চেচামেচি শুরু হয়ে যায়। ঊনকোটি জেলার জেলাশাসক তমাল মজুমদারের নির্দেশে বন্যা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের পক্ষ থেকে তড়িঘড়ি করে মাটির বস্তা এবং বোল্ডার ফেলা শুরু হয়।অল্পতে রক্ষা পেল কৈলাসহরবাসীরা। উল্লেখ্য, ঊনকোটি জেলার জেলাসদর কৈলাসহরে তিনদিন ধরে লাগাতার বৃষ্টি পড়ছে। প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে শহর এলাকার ড্রেন সহ লক্ষীছড়া এবং গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন নালা নর্দমায় বৃষ্টির জল রয়েছে। একইসাথে কৈলাসহরের মনু নদীর জলও বেড়েছে। অন্যদিকে, কৈলাসহরের লাটিয়াপুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে ভারত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার ভিতরে জিরো পয়েন্টে মনু নদীর বাঁধ বিপদজনক হয়ে যায়। অল্প বৃষ্টি হলেই লাটিয়াপুড়া গ্রামের ভারত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের জিরো পয়েন্ট এলাকায় জল জমে যায়। সেই জল নিষ্কাশনের জন্য বিগত দুই দিন পূর্বে বন্যা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের পক্ষ থেকে জিরো পয়েন্টের কাছে যে বাঁধটি রয়েছে সেই বাঁধ কেটে বড় লোহার পাইপ বসানোর কাজ শুরু হয়েছিলো। মঙ্গলবার সকালে হঠাৎ করে মনু নদীর জল বেড়ে গিয়ে বাঁধের কাটা অংশ দিয়ে জল প্রবেশ করতে শুরু হওয়ায় গোটা লাটিয়াপুড়া গ্রামে চিৎকার চেচামেচি শুরু হয়ে যায়। এই খবর সামাজিক মাধ্যমে চাউর হতেই গোটা কৈলাসহর মহকুমায় তীব্র আতংক বিরাজ করতে থাকে। এখবর শোনা মাত্রই মঙ্গলবার দুপুরে ঊনকোটি জেলার জেলাশাসক ডক্টর তমাল মজুমদারের নির্দেশে বন্যা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের পক্ষ থেকে তড়িঘড়ি করে মাটির বস্তা এবং বোল্ডার ফেলা শুরু হয়। বিকেল পাঁচটা নাগাদ ঊনকোটি জেলার জেলাশাসক ডক্টর তমাল মজুমদার, কৈলাসহর মহকুমার মহকুমাশাসক বিপুল দাস, বন্যা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রনজয় দেববর্মা সহ আরও অন্যান্য আধিকারিক মঙ্গলবার বিকেলে ঘটনাস্থলে যান এবং শ্রমিকদের কাজ খতিয়ে দেখেন। কাজ পরিদর্শনকালে বিএসএফের আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। এব্যাপারে জেলাশাসক ডক্টর তমাল মজুমদার জানান যে, আতংকের কিংবা ভয়ের কিছু নেই। কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। হঠাৎ করে নদীর জল বেড়ে যাওয়াতেই এই বিপত্তির সৃষ্টি হয়েছিলো। মনু নদীর জল বাড়তে থাকলেও এখনও বিপদসীমার দেড় মিটারের নীচেই রয়েছে বলেও জানান। তাছাড়া কাঞ্চনপুর, লংতরাই ভ্যালী সহ উঁচু পাহাড় এলাকায় বৃষ্টিপাত আর না হলে মনু নদীর জল আর বাড়বে না বলেও জানান। এছাড়া বিগত তিনদিন ধরে লাগাতার ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে গোটা ঊনকোটি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে প্রচুর বড় বড় গাছ, বিদ্যুৎের খুঁটি সহ কিছু বাড়িঘর ভাঙ্গলেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এবং কিছু কিছু এলাকায় কয়েকটি বাড়ি ঘরে জল ঢুকলেও কেউ বাড়িঘর ছেড়ে অন্য কোথাও যায় নি। কিংবা শেল্টার হাউসে কেউ আসেনি বলেও জানান। প্রশাসন সজাগ রয়েছে এবং প্রশাসন যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান জেলাশাসক ডক্টর তমাল মজুমদার
আগামী ৭২ ঘন্টায় রাজ্যজুড়ে বজ্র আঁটুনি সহ ভাড়ি বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারী আবহাওয়া দপ্তরের
নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী তিনদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়া ও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। কিছু জেলায় ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামীকালখোয়াই ও পশ্চিম জেলায় এক বা দুই স্থানে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়ার গতি ৬০–৮০ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যের অন্যান্য জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ৫০–৬০ কিমি/ঘণ্টা বেগে ঝড়ো হাওয়া এবং ৭–২০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।তেমনি, ৩০ এপ্রিল এবং ১ মে সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়া (৫০–৬০ কিমি/ঘণ্টা) বয়ে যেতে পারে। উত্তর, ঊনকোটি, ধলাই, খোয়াই ও পশ্চিম জেলায় ৭–২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে ৭–১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে।আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে সতর্কতা জারি করে বলা হয়েছে, ঝড়-বৃষ্টির সময় অপ্রয়োজনীয় বাইরে না বেরোনো, নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া এবং বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে দূরে থাকার জন্য সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করা হয়েছে। নিম্নাঞ্চলে জল জমার আশঙ্কা থাকায় প্রশাসনকেও প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞা ভবনে 2027 সালের আদমশুমারির ১ম ধাপের জন্য একদিনের রাজ্য স্তরের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়
নিজস্ব প্রতিনিধি: সোমবার আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে 2027 সালের আদমশুমারির ১ম ধাপের জন্য একদিনের রাজ্য স্তরের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়৷ উক্ত কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ডি সি ও ত্রিপুরা রতন বিশ্বাস,ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার জেনারেল ORGI সুভাষ দাসগুপ্ত সহ অন্যরা। প্রসঙ্গত রাজ্যের জনগণনার প্রথম পর্যায়ে কিভাবে পরিচালিত হবে সেই সকল বিষয় নিয়েই আজকের এই সেমিনার আয়োজিত হয়। আজকের এই সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন রাজ্যের সকল জেলার ডিএম,এ ডি এম, এস ডি এম সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। প্রায় ১১ হাজারের মতো কর্মী এই জনগণনার কাজে নিয়োজিত থাকবে। এবারের জনগণনা পুরোটাই ডিজিটাল পদ্ধতিতে করা হবে। প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হবে ১৭ জুলাই থেকে ৩১ শে জুলাই পর্যন্ত। পরবর্তী পর্যায়ে পয়লা আগস্ট থেকে ৩০ শে আগস্ট অর্থাৎ ৪৫ দিনব্যাপী চলবে এই জনগণনা। আজকের এই কর্মশালা মূলত আলোচনা হয়,বাড়ির তালিকাভুক্তি ও হাউজিং সেনসাসের প্রথম পর্যায়ের কাজ।জনগণনা প্রক্রিয়া ও ডিজিটাল টুলস নিয়ে আলোচনা।জনগণনা ২০২৭ এর কৌশল – সময়কাল, প্রক্রিয়া, প্রশ্নপত্র ও ডিজিটাল টুলসের সারসংক্ষেপ।রাজ্যে কাজের অগ্রগতি – জনগণনা কর্মী নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, তহবিল বিতরণ, ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট এবং বিভিন্ন জনগণনা কর্মীদের ভূমিকা।মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের চ্যালেঞ্জ, আন্তঃসংস্থা সমন্বয় ও রাজ্যে প্রচার কার্যক্রম।ডিজিটাল টুলস (CMMS, HLBC, মোবাইল অ্যাপ) ব্যবহারের পদ্ধতি এবং CMMS ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, স্ব-গণনা ইত্যাদি।
ফের একবার পুলিশ এবং বিএসএফের সাফল্য!
নিজস্ব প্রতিনিধি: রবিবার গভীর রাতে সোনামুড়া থানাধীন চারটি পৃথক স্থান কোলুবাড়ি, N.C Nagar, দুর্গাপুর, এবং শ্রীমন্তপুর ভারত বাংলা সীমান্তের গভীর জঙ্গল থেকে বিএফএফ 81 নং বাহিনী জোয়ানরা এবং সোনামুড়া থানার পুলিশ মিলে ৩৩ কেজি শুকনো গাঁজা, ১৩০ টি নেশা জাতীয় Wskuf সিরাপ, এবং চার হাজার (৪০০০) ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। ভুল ধারণা করা হচ্ছে বাংলাদেশ পার করার জন্য এই নেশা জাতীয় দ্রব্য গুলোকে মজুদ করা হয়েছিল। সঠিক সময়ে পুলিশ এবং বিএসএফের অভিযানে মাদক দ্রব্য পাচারকারীদের চোরা চালান ভেস্তে যায়। এক সাক্ষাৎকারে সুনামুরা থানার ওসি তাপস দাস জানান উদ্ধারকৃত এই নেশা জাতীয় দ্রব্য গুলির বাজার মূল্য আনুমানিক সারা আট লক্ষ টাকা হবে। এবং পুলিশ তদন্ত করে দেখছে কে বা কাহারা এই চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত এবং কারা এই মাদকদ্রব্য গুলি সীমান্তবর্তী এলাকায় লুকিয়ে রেখেছিল।
১৫০ কানি জমিতে চাষ হচ্ছে না! সোনামুড়া ইন্দিরানগর পঞ্চায়েত এলাকায়!
নিজস্ব প্রতিনিধি: ইন্দিরা নগর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যপাড়ায় কৃষকদের প্রায় ১৫০ কানি জমি চাষ বাস করতে পারছে না জলের অভাবে, LI Sceme থাকার পর ও সরকারী উদাসীনতার দরুন তার অকেজো হয়ে রয়েছে, কৃষকরা জমি চাষ করতে পারছে না, অন্যদিকে নদীর ভাঙ্গনের ফলে বহু কৃষি জমি নদী গর্ভে চলে যায় প্রশাসনের কোন হেলদোল নেই, তাই আজকে সারা ভারত কৃষক সভার সোনামুড়া মহকুমা কমিটির একটি প্রতিনিধি দল আজকে ঐ মাঠ এবং নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রশাসনের দৃষ্টিতে নেওয়ার আশ্বাসএতে উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিটির সম্পাদক কমরেড সুরেশ দাস, সোনামুড়া মহকুমা সম্পাদক কমরেড আব্দুল করিম , সভাপতি কমরেড রতন দাস , সহ- সম্পাদক কমরেড মিজান মিঞা, সংগঠনের মহকুমা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কমরেড আবুল কাসেম, অভিরাম দত্ত, কমরেড হাছিনার বেগম, কমরেড সত্যব্রত মজুমদার, পার্টির মেলাঘর পশ্চিম অঞ্চল সম্পাদক কমরেড ভোলা ভৌমিক সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা ।
মথার বিজয় উল্ল্বাস
নিজস্ব প্রতিনিধি: সদ্য সমাপ্ত এডিসি নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিজয় উৎসব সংগঠিত করছে মথা দল। একই রকম ভাবে আজ পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মুঙ্গিয়াকমিতে অগণিত কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতিতে বিজয় উল্লাসে মেতে উঠেন মথা দলের বিভিন্ন স্তরের কর্মী সমর্থক এবং নেতৃত্বরা। আজকের এই বিজয় উৎসবে নবনির্বাচিত এমডিসি উৎপল দেববর্মা সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। শান্তিপূর্ণ উল্লাসময় বিজয় উৎসব সংগঠিত হলেও এই কর্মসূচিকে ঘিরে পুলিশ প্রশাসনের ব্যাপক প্রস্তুতি নজরে পড়েছে। যদিও শেষ পর্যন্ত নির্বিঘ্নেই বা কোন অনভিপ্রেত ঘটনা ছাড়াই কল্যাণপুরে মথা দলের বিজয় উৎসব সম্পন্ন হয়েছে। আজকের এই বিজয় উৎসব থেকে মথা দলের নেতৃত্বদের স্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে আগামী দিনে উন্নয়নকে পাখির চোখ করেই পথ চলা শুরু করবে মথার নেতৃত্বাধীন এডিসি প্রশাসন।
কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিপর্যস্ত জোলাইবাড়ী! গাড়ির উপর গাছ পড়ে চাঞ্চল্য!
নিজস্ব প্রতিনিধি: দক্ষিণ ত্রিপুরার জেলা অন্তর্গত জোলাইবাড়ী পশ্চিম পিলাক কলনি এলাকায় রবিবার (২৬ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা সামনে এসেছে। হঠাৎ করে আছড়ে পড়া ঝড়ে বিভিন্ন এলাকায় গাছ উপড়ে পড়ে বাড়িঘর, রাস্তা এবং যানবাহনের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোথাও বাড়ির উপর গাছ ভেঙে পড়েছে, আবার কোথাও রাস্তাঘাট সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ঝড়ের দাপটে বহু জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটি ও তারের উপর গাছ পড়ায় বিদ্যুৎ পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিম পিলাক কলনি বাজার এলাকায় পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।এদিকে, জোলাইবাড়ী থেকে বিলোনিয়া যাওয়ার পথে TR 08 0592 নম্বরের একটি ইকো গাড়ির উপর আচমকাই একটি বড় গাছ ভেঙে পড়ে। এতে গাড়িটি সম্পূর্ণভাবে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। সৌভাগ্যবশত বড় ধরনের প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি, তবে ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। গাড়ির চালক জানান, দুর্ঘটনার পর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও শান্তিরবাজার মহকুমা শাসকের দপ্তর থেকে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিমকে খবর দেওয়া হয় এবং ঘটনাস্থলে এখনও পৌঁছেনি । পরে জোলাইবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পাশাপাশি খবর পেয়ে জোলাইবাড়ী থানার পুলিশও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিমকে খবর দেওয়া হয়েছিল, তবে তারা নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।বর্তমানে এলাকায় স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরাতে জোরকদমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ প্রশাসন।

