surga-image

Tags

Share this article

মনু নদীর পাড় ভাঙ্গনে উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা

মনু নদীর পাড় ভাঙ্গনে উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা

নিজস্ব প্রতিনিধি: মনু নদীর জল বেড়ে গিয়ে বাঁধের কাটা অংশ দিয়ে জল প্রবেশ করতে শুরু হওয়ায় কৈলাসহর লাটিয়াপুড়া গ্রামে চিৎকার চেচামেচি শুরু হয়ে যায়। ঊনকোটি জেলার জেলাশাসক তমাল মজুমদারের নির্দেশে বন্যা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের পক্ষ থেকে তড়িঘড়ি করে মাটির বস্তা এবং বোল্ডার ফেলা শুরু হয়।অল্পতে রক্ষা পেল কৈলাসহরবাসীরা। উল্লেখ্য, ঊনকোটি জেলার জেলাসদর কৈলাসহরে তিনদিন ধরে লাগাতার বৃষ্টি পড়ছে। প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে শহর এলাকার ড্রেন সহ লক্ষীছড়া এবং গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন নালা নর্দমায় বৃষ্টির জল রয়েছে। একইসাথে কৈলাসহরের মনু নদীর জলও বেড়েছে। অন্যদিকে, কৈলাসহরের লাটিয়াপুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে ভারত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার ভিতরে জিরো পয়েন্টে মনু নদীর বাঁধ বিপদজনক হয়ে যায়। অল্প বৃষ্টি হলেই লাটিয়াপুড়া গ্রামের ভারত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের জিরো পয়েন্ট এলাকায় জল জমে যায়। সেই জল নিষ্কাশনের জন্য বিগত দুই দিন পূর্বে বন্যা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের পক্ষ থেকে জিরো পয়েন্টের কাছে যে বাঁধটি রয়েছে সেই বাঁধ কেটে বড় লোহার পাইপ বসানোর কাজ শুরু হয়েছিলো। মঙ্গলবার সকালে হঠাৎ করে মনু নদীর জল বেড়ে গিয়ে বাঁধের কাটা অংশ দিয়ে জল প্রবেশ করতে শুরু হওয়ায় গোটা লাটিয়াপুড়া গ্রামে চিৎকার চেচামেচি শুরু হয়ে যায়। এই খবর সামাজিক মাধ্যমে চাউর হতেই গোটা কৈলাসহর মহকুমায় তীব্র আতংক বিরাজ করতে থাকে। এখবর শোনা মাত্রই মঙ্গলবার দুপুরে ঊনকোটি জেলার জেলাশাসক ডক্টর তমাল মজুমদারের নির্দেশে বন্যা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের পক্ষ থেকে তড়িঘড়ি করে মাটির বস্তা এবং বোল্ডার ফেলা শুরু হয়। বিকেল পাঁচটা নাগাদ ঊনকোটি জেলার জেলাশাসক ডক্টর তমাল মজুমদার, কৈলাসহর মহকুমার মহকুমাশাসক বিপুল দাস, বন্যা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রনজয় দেববর্মা সহ আরও অন্যান্য আধিকারিক মঙ্গলবার বিকেলে ঘটনাস্থলে যান এবং শ্রমিকদের কাজ খতিয়ে দেখেন। কাজ পরিদর্শনকালে বিএসএফের আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। এব্যাপারে জেলাশাসক ডক্টর তমাল মজুমদার জানান যে, আতংকের কিংবা ভয়ের কিছু নেই। কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। হঠাৎ করে নদীর জল বেড়ে যাওয়াতেই এই বিপত্তির সৃষ্টি হয়েছিলো। মনু নদীর জল বাড়তে থাকলেও এখনও বিপদসীমার দেড় মিটারের নীচেই রয়েছে বলেও জানান। তাছাড়া কাঞ্চনপুর, লংতরাই ভ্যালী সহ উঁচু পাহাড় এলাকায় বৃষ্টিপাত আর না হলে মনু নদীর জল আর বাড়বে না বলেও জানান। এছাড়া বিগত তিনদিন ধরে লাগাতার ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে গোটা ঊনকোটি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে প্রচুর বড় বড় গাছ, বিদ্যুৎের খুঁটি সহ কিছু বাড়িঘর ভাঙ্গলেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এবং কিছু কিছু এলাকায় কয়েকটি বাড়ি ঘরে জল ঢুকলেও কেউ বাড়িঘর ছেড়ে অন্য কোথাও যায় নি। কিংবা শেল্টার হাউসে কেউ আসেনি বলেও জানান। প্রশাসন সজাগ রয়েছে এবং প্রশাসন যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান জেলাশাসক ডক্টর তমাল মজুমদার

আগামী ৭২ ঘন্টায় রাজ্যজুড়ে বজ্র আঁটুনি সহ ভাড়ি বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারী আবহাওয়া দপ্তরের

আগামী ৭২ ঘন্টায় রাজ্যজুড়ে বজ্র আঁটুনি সহ ভাড়ি বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারী আবহাওয়া দপ্তরের

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী তিনদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়া ও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। কিছু জেলায় ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামীকালখোয়াই ও পশ্চিম জেলায় এক বা দুই স্থানে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়ার গতি ৬০–৮০ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যের অন্যান্য জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ৫০–৬০ কিমি/ঘণ্টা বেগে ঝড়ো হাওয়া এবং ৭–২০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।তেমনি, ৩০ এপ্রিল এবং ১ মে সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়া (৫০–৬০ কিমি/ঘণ্টা) বয়ে যেতে পারে। উত্তর, ঊনকোটি, ধলাই, খোয়াই ও পশ্চিম জেলায় ৭–২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে ৭–১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে।আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে সতর্কতা জারি করে বলা হয়েছে, ঝড়-বৃষ্টির সময় অপ্রয়োজনীয় বাইরে না বেরোনো, নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া এবং বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে দূরে থাকার জন্য সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করা হয়েছে। নিম্নাঞ্চলে জল জমার আশঙ্কা থাকায় প্রশাসনকেও প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞা ভবনে 2027 সালের আদমশুমারির ১ম ধাপের জন্য একদিনের রাজ্য স্তরের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়

প্রজ্ঞা ভবনে 2027 সালের আদমশুমারির ১ম ধাপের জন্য একদিনের রাজ্য স্তরের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়

নিজস্ব প্রতিনিধি: সোমবার আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে 2027 সালের আদমশুমারির ১ম ধাপের জন্য একদিনের রাজ্য স্তরের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়৷ উক্ত কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ডি সি ও ত্রিপুরা রতন বিশ্বাস,ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার জেনারেল ORGI সুভাষ দাসগুপ্ত সহ অন্যরা। প্রসঙ্গত রাজ্যের জনগণনার প্রথম পর্যায়ে কিভাবে পরিচালিত হবে সেই সকল বিষয় নিয়েই আজকের এই সেমিনার আয়োজিত হয়। আজকের এই সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন রাজ্যের সকল জেলার ডিএম,এ ডি এম, এস ডি এম সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। প্রায় ১১ হাজারের মতো কর্মী এই জনগণনার কাজে নিয়োজিত থাকবে। এবারের জনগণনা পুরোটাই ডিজিটাল পদ্ধতিতে করা হবে। প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হবে ১৭ জুলাই থেকে ৩১ শে জুলাই পর্যন্ত। পরবর্তী পর্যায়ে পয়লা আগস্ট থেকে ৩০ শে আগস্ট অর্থাৎ ৪৫ দিনব্যাপী চলবে এই জনগণনা। আজকের এই কর্মশালা মূলত আলোচনা হয়,বাড়ির তালিকাভুক্তি ও হাউজিং সেনসাসের প্রথম পর্যায়ের কাজ।জনগণনা প্রক্রিয়া ও ডিজিটাল টুলস নিয়ে আলোচনা।জনগণনা ২০২৭ এর কৌশল – সময়কাল, প্রক্রিয়া, প্রশ্নপত্র ও ডিজিটাল টুলসের সারসংক্ষেপ।রাজ্যে কাজের অগ্রগতি – জনগণনা কর্মী নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, তহবিল বিতরণ, ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট এবং বিভিন্ন জনগণনা কর্মীদের ভূমিকা।মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের চ্যালেঞ্জ, আন্তঃসংস্থা সমন্বয় ও রাজ্যে প্রচার কার্যক্রম।ডিজিটাল টুলস (CMMS, HLBC, মোবাইল অ্যাপ) ব্যবহারের পদ্ধতি এবং CMMS ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, স্ব-গণনা ইত্যাদি।

ফের একবার পুলিশ এবং বিএসএফের সাফল্য!

ফের একবার পুলিশ এবং বিএসএফের সাফল্য!

নিজস্ব প্রতিনিধি: রবিবার গভীর রাতে সোনামুড়া থানাধীন চারটি পৃথক স্থান কোলুবাড়ি, N.C Nagar, দুর্গাপুর, এবং শ্রীমন্তপুর ভারত বাংলা সীমান্তের গভীর জঙ্গল থেকে বিএফএফ 81 নং বাহিনী জোয়ানরা এবং সোনামুড়া থানার পুলিশ মিলে ৩৩ কেজি শুকনো গাঁজা, ১৩০ টি নেশা জাতীয় Wskuf সিরাপ, এবং চার হাজার (৪০০০) ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। ভুল ধারণা করা হচ্ছে বাংলাদেশ পার করার জন্য এই নেশা জাতীয় দ্রব্য গুলোকে মজুদ করা হয়েছিল। সঠিক সময়ে পুলিশ এবং বিএসএফের অভিযানে মাদক দ্রব্য পাচারকারীদের চোরা চালান ভেস্তে যায়। এক সাক্ষাৎকারে সুনামুরা থানার ওসি তাপস দাস জানান উদ্ধারকৃত এই নেশা জাতীয় দ্রব্য গুলির বাজার মূল্য আনুমানিক সারা আট লক্ষ টাকা হবে। এবং পুলিশ তদন্ত করে দেখছে কে বা কাহারা এই চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত এবং কারা এই মাদকদ্রব্য গুলি সীমান্তবর্তী এলাকায় লুকিয়ে রেখেছিল।

১৫০ কানি জমিতে চাষ হচ্ছে না! সোনামুড়া ইন্দিরানগর পঞ্চায়েত এলাকায়!

১৫০ কানি জমিতে চাষ হচ্ছে না! সোনামুড়া ইন্দিরানগর পঞ্চায়েত এলাকায়!

নিজস্ব প্রতিনিধি: ইন্দিরা নগর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যপাড়ায় কৃষকদের প্রায় ১৫০ কানি জমি চাষ বাস করতে পারছে না জলের অভাবে, LI Sceme থাকার পর ও সরকারী উদাসীনতার দরুন তার অকেজো হয়ে রয়েছে, কৃষকরা জমি চাষ করতে পারছে না, অন্যদিকে নদীর ভাঙ্গনের ফলে বহু কৃষি জমি নদী গর্ভে চলে যায় প্রশাসনের কোন হেলদোল নেই, তাই আজকে সারা ভারত কৃষক সভার সোনামুড়া মহকুমা কমিটির একটি প্রতিনিধি দল আজকে ঐ মাঠ এবং নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রশাসনের দৃষ্টিতে নেওয়ার আশ্বাসএতে উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিটির সম্পাদক কমরেড সুরেশ দাস, সোনামুড়া মহকুমা সম্পাদক কমরেড আব্দুল করিম , সভাপতি কমরেড রতন দাস , সহ- সম্পাদক কমরেড মিজান মিঞা, সংগঠনের মহকুমা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কমরেড আবুল কাসেম, অভিরাম দত্ত, কমরেড হাছিনার বেগম, কমরেড সত্যব্রত মজুমদার, পার্টির মেলাঘর পশ্চিম অঞ্চল সম্পাদক কমরেড ভোলা ভৌমিক সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা ।

মথার বিজয় উল্ল্বাস

মথার বিজয় উল্ল্বাস

নিজস্ব প্রতিনিধি: সদ্য সমাপ্ত এডিসি নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিজয় উৎসব সংগঠিত করছে মথা দল। একই রকম ভাবে আজ পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মুঙ্গিয়াকমিতে অগণিত কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতিতে বিজয় উল্লাসে মেতে উঠেন মথা দলের বিভিন্ন স্তরের কর্মী সমর্থক এবং নেতৃত্বরা। আজকের এই বিজয় উৎসবে নবনির্বাচিত এমডিসি উৎপল দেববর্মা সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। শান্তিপূর্ণ উল্লাসময় বিজয় উৎসব সংগঠিত হলেও এই কর্মসূচিকে ঘিরে পুলিশ প্রশাসনের ব্যাপক প্রস্তুতি নজরে পড়েছে। যদিও শেষ পর্যন্ত নির্বিঘ্নেই বা কোন অনভিপ্রেত ঘটনা ছাড়াই কল্যাণপুরে মথা দলের বিজয় উৎসব সম্পন্ন হয়েছে। আজকের এই বিজয় উৎসব থেকে মথা দলের নেতৃত্বদের স্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে আগামী দিনে উন্নয়নকে পাখির চোখ করেই পথ চলা শুরু করবে মথার নেতৃত্বাধীন এডিসি প্রশাসন।

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিপর্যস্ত জোলাইবাড়ী! গাড়ির উপর গাছ পড়ে চাঞ্চল্য!

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিপর্যস্ত জোলাইবাড়ী! গাড়ির উপর গাছ পড়ে চাঞ্চল্য!

নিজস্ব প্রতিনিধি: দক্ষিণ ত্রিপুরার জেলা অন্তর্গত জোলাইবাড়ী পশ্চিম পিলাক কলনি এলাকায় রবিবার (২৬ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা সামনে এসেছে। হঠাৎ করে আছড়ে পড়া ঝড়ে বিভিন্ন এলাকায় গাছ উপড়ে পড়ে বাড়িঘর, রাস্তা এবং যানবাহনের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোথাও বাড়ির উপর গাছ ভেঙে পড়েছে, আবার কোথাও রাস্তাঘাট সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ঝড়ের দাপটে বহু জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটি ও তারের উপর গাছ পড়ায় বিদ্যুৎ পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিম পিলাক কলনি বাজার এলাকায় পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।এদিকে, জোলাইবাড়ী থেকে বিলোনিয়া যাওয়ার পথে TR 08 0592 নম্বরের একটি ইকো গাড়ির উপর আচমকাই একটি বড় গাছ ভেঙে পড়ে। এতে গাড়িটি সম্পূর্ণভাবে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। সৌভাগ্যবশত বড় ধরনের প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি, তবে ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। গাড়ির চালক জানান, দুর্ঘটনার পর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও শান্তিরবাজার মহকুমা শাসকের দপ্তর থেকে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিমকে খবর দেওয়া হয় এবং ঘটনাস্থলে এখনও পৌঁছেনি । পরে জোলাইবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পাশাপাশি খবর পেয়ে জোলাইবাড়ী থানার পুলিশও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিমকে খবর দেওয়া হয়েছিল, তবে তারা নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।বর্তমানে এলাকায় স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরাতে জোরকদমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ প্রশাসন।

তারকাটার ভেতরে জুম চাষে গিয়ে রক্তাক্ত যুবক!রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য!

তারকাটার ভেতরে জুম চাষে গিয়ে রক্তাক্ত যুবক!রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য!

নিজস্ব প্রতিনিধি: গোমতী ত্রিপুরার করবোক মহকুমার অন্তর্গত শিলাছড়ি ব্লকের বেলতলী এলাকায় তারকাটার ভেতরে কাজ করতে গিয়ে গুরুতর জখম হলেন গুধানবাবু ত্রিপুরা (২৮) নামে এক যুবক। জানা যায়, প্রতিদিনের মতো জুম চাষের কাজে তিনি সীমান্তঘেঁষা তারকাটার ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানেই হঠাৎ এই বিপত্তি ঘটে এবং তার হাতে গভীর আঘাত লাগে। আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে সাব্রুম মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে গোমতী জেলা হাসপাতালে রেফার করেন। আহত যুবকের পিতার নাম ললিত মোহন ত্রিপুরা।ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, বাংলাদেশের দিক থেকে কেউ এসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, গ্রামের কিছু মানুষের মতে, স্থানীয়দের মধ্যে পুরনো বিবাদ বা সদ্য সমাপ্ত রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরেও এই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

আট মাস ধরে রেগার  কাজের টাকা না পেয়ে  ক্ষুব্ধ চড়িলাম ব্লকের  আড়ালিয়া পঞ্চায়েতের  রাজীব কলোনির শ্রমিক!

আট মাস ধরে রেগার কাজের টাকা না পেয়ে ক্ষুব্ধ চড়িলাম ব্লকের আড়ালিয়া পঞ্চায়েতের রাজীব কলোনির শ্রমিক!

নিজস্ব প্রতিনিধি: শরীরের রক্ত মাংস জল করে রেগা প্রকল্পে কাজ করার ৮ মাস পরেও মিলছে না শ্রম দিবসের টাকা। শ্রম দিবসের টাকা না পেয়ে ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ এক শ্রমিক। ঘটনা চড়িলাম ব্লকের আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজিব কলোনি এলাকায়। অসহায় সেই শ্রমিকের নাম ইদ্রিস মিয়া । তার অভিযোগ তিনি আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে রেগা প্রকল্পের ১৫ শ্রম দিবসের টাকা পাচ্ছেন না। বিগত সাত থেকে আট মাস ধরে তিনি তার মজুরির টাকা পাওয়ার জন্য গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে গ্রাম পঞ্চায়েতে দৌড়ঝাঁপ করে চলেছেন। পঞ্চায়েতের জি আর এস বলছেন ব্যাংকে যেতে অপরদিকে চড়িলাম গ্রামীণ ব্যাংক শাখা তাকে বলছে পঞ্চায়েতে যোগাযোগ করতে। বিগত সাত থেকে আট মাস ধরে ১৫ শ্রম দিবসের টাকার জন্য দৌঁড়ঝাপ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন অসহায় শ্রমিক ইদ্রিস মিয়া। তিনি কি করবেন ভেবে উঠতে পারছেন না? শুক্রবার দুপুরে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অসহায় শ্রমিক পুরো ঘটনা তুলে ধরে পঞ্চায়েত এবং ব্লকের কাছে তার প্রাপ্য মজুরির টাকা চেয়েছেন। নিতান্তই দরিদ্র ইদ্রিস মিয়া। কাজের মজুরির টাকা না পেয়ে অসহায় অবস্থার মধ্যে রয়েছেন তিনি। সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি পঞ্চায়েত ব্লক এবং ব্যাংক কর্তৃপক্ষের নিকট।

বানরের উৎপাতে কাঠালিয়া ব্লক এলাকার বহু পরিবার একেবারে অতিষ্ঠ!

বানরের উৎপাতে কাঠালিয়া ব্লক এলাকার বহু পরিবার একেবারে অতিষ্ঠ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিগত কয়েক বছর ধরে ক্রমান্বয়ে হিংস্র বানরের উৎপাত নিরসন করার কোন প্রতিকার বনদপ্তর নিচ্ছে না। বিশেষ করে সোনামুড়া মহকুমার দক্ষিণাঞ্চলে কাঠালিয়া ব্লক, এই ব্লক এলাকার ভারত -বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া যে সমস্ত গ্রামীণ পরিবেশগুড়ি বসবাস করে তাদের বাড়িঘরে এবং কৃষি জমিগুলি যে বানরের খাদ্য সংগ্রহের জন্য প্রতিনিয়ত সকাল -বিকেল দলে দলে বানরের আনাগোনা চলছে। এছাড়াও বাণিজ্যিক এলাকা গুলিতে ও উপদ্রব চালায় খাদ্য সংগ্রহের জন্য বানরের দল। সংবাদকর্মীকে কাছে পেয়ে একান্ত সাক্ষাতে কালী কৃষ্ণনগর পঞ্চায়েত এলাকার রাজেন্দ্রটিলা গ্রামের একাধিক কৃষক তাদের দুরবস্থার কথা তুলে ধরেন, একই অবস্থা ভবানীপুর, নিদয়া, দক্ষিণ মহেশপুর, উত্তর মহেশপুর সহ আরো বহু গ্রামীণ এলাকায় প্রতিনিয়ত বানরের উৎপাত বেড়েই চলছে। এই নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সরকারের প্রতি, বনদপ্তরের প্রতি যথেষ্ট ক্ষুব্ধ! প্রথমত, বসত বাড়িতে কোন সবজি করা যায় না, কোন ফসল ফলানো যায় না, বর্তমানে বোরো ধানের শীষ তুলে , তুলে খেয়ে ফেলেছে বানরের দল। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার কালি কৃষ্ণনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজেন্দ্র টিলা গ্রামের পরিবারগুলি। মানুষ ভাবছে, এই অবস্থা কিভাবে সমাধান হবে! বনদপ্তরের কর্মী রয়েছে কাঠালিয়া রেঞ্জ অফিসে বেশ কয়েকজন, এই নিয়ে দফায় দফায় তাদের জিজ্ঞাসা করলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সঠিক কোন উত্তর পাচ্ছিনা। অথচ রাজ্যে বিগত সরকারের আমলে বানরের উৎপাত নিরসনের জন্য বিভিন্ন রকম ফটকাবাজি ব্যবহার উদ্যোগ গ্রহণ করত বনদপ্তরের কর্মীরা। এখন আর এই সুযোগ ও মিলছে না বনদপ্তরের কাছ থেকে। কাজেই ক্ষতিগ্রস্ত কিছু কিছু পরিবারের আত্মচিৎকারে অনেক সময় মানুষ সরকারের প্রতি ভীষণ অসন্তোষ হয়ে সংবাদকর্মীদের কাছে পেয়ে এই সমস্ত বিষয়গুলি জানান দিতে চাইছেন। বানরের উৎপাত শুধু একদিনের বিষয় নয়! বিগত কয়েক বছর ধরে এই জাতীয় বানরের অত্যাচার চলছে কাঠালিয়া ব্লক এলাকার দক্ষিণাঞ্চলে।