surga-image

Tags

Share this article

0

জিতেন্দ্র ঘনিষ্ঠ বিজেপিতে!

নিজস্ব প্রতিনিধি: যোগেন্দ্র ত্রিপুরা বাড়ি সাব্রুম কলাছড়ায়, জিএমপি সাব্রুম বিভাগীয় কমিটির সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য। টিএসইউ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন, টিওয়াইএফ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন, জিএমপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। বর্তমানে সাব্রুম জিএমপি বিভাগীয় সম্পাদকমন্ডলী ও সিপিআইএম সাব্রুম মহকুমা কমিটির সদস্য। ২০২১সালে এডিসির নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি দলে যোগদান করেন। তাকে বরণ করেন প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা। উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ত্রিপুরা জিলা সভাধিপতি দীপক দত্ত, দক্ষিণ পিলাক জেলার সভাপতি দীপায়ন চৌধুরী,বিধায়ক মাইলাফ্রু মগ, প্রদেশ মিডিয়া কো-ইনচার্জ রঘুরাজ বড়াল।

জিতেন্দ্র ঘনিষ্ঠ বিজেপিতে!

জিতেন্দ্র ঘনিষ্ঠ বিজেপিতে!

নিজস্ব প্রতিনিধি: যোগেন্দ্র ত্রিপুরা বাড়ি সাব্রুম কলাছড়ায়, জিএমপি সাব্রুম বিভাগীয় কমিটির সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য। টিএসইউ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন, টিওয়াইএফ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন, জিএমপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। বর্তমানে সাব্রুম জিএমপি বিভাগীয় সম্পাদকমন্ডলী ও সিপিআইএম সাব্রুম মহকুমা কমিটির সদস্য। ২০২১সালে এডিসির নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি দলে যোগদান করেন। তাকে বরণ করেন প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা। উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ত্রিপুরা জিলা সভাধিপতি দীপক দত্ত, দক্ষিণ পিলাক জেলার সভাপতি দীপায়ন চৌধুরী,বিধায়ক মাইলাফ্রু মগ, প্রদেশ মিডিয়া কো-ইনচার্জ রঘুরাজ বড়াল।

0

যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে " যুদ্ধ নয় শান্তি চাই " । এটা অতীভ তাৎপর্যপূর্ণ । দেশের ও দশের হিতকামী প্রবাদ । যে যাই বলুক না কেন প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার উপরে ব্যয় হচ্ছে ইজরায়েল - আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে । পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ জিও রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে নিজ নিজ বিবেচনায় এক পক্ষকে সমর্থন করছে । পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দুই শিবিরের মধ্যে একটিকে সমর্থন করছে । ভারতের ন্যায় এমন খুব কম দেশই রয়েছে যারা শান্তির বার্তা নিয়ে দুই পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে চলছে । ভারতের অবস্থান স্পষ্ট কোন শিবিরের সঙ্গে সরাসরি নিজেদের জড়াবেনা । এমনকি ভারতের মাটিতে কোন অন্য রাষ্ট্রের সাময়িক খাতে ব্যবহার করতে দেবেনা । এই মহারণের শুরুই হয়েছিল ইরানের রাষ্ট্র প্রধান ও শীর্ষ ধর্ম গুরু খামেয়নি মহোদয়কে হত্যার মাধ্যমে । এতে করে ইরানের সেনা দলের প্রতিহিংসার ক্রোধ ভীষনভাবে জাগ্রত হয়েছে এটা অস্বীকার করা যায়না । অবশ্য চীন ও রাশিয়া আগে থেকেই ইরানের পাশে অবস্থানরত । মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদনকারী মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে পূর্বেই আমেরিকার সৈন্য ঘাটির স্থাপত্য বজায় ছিল । তাই ইরান স্ব - ধর্মীয়দের ও ঐ সৈন্য ঘাটিগুলোতে অবিরাম আক্রমন থেকে রেহাই দেয়নি । ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম বর্তমান যুদ্ধে দুই পক্ষেরই হতাহত হয়েছে প্রচুর । হিসেবে ইরানের হতাহত বেশীর দিকে । বর্তমানে বিশ্বের বাজারে এই দুই পক্ষের যুদ্ধে একটা অস্থিরতা বজায় রয়েছে । যুদ্ধের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছেনা বিশ্বে এমন দেশের আকাল । এদিকে ইরান হরমোজ প্রণালী দখল করে রয়েছে । প্রায় তৈলবাহী ৩৭/৩৮ টা বড় বড় জাহাজ হরমোজ প্রণালীতে অবরুদ্ধ । হরমোজ প্রণালী দিয়ে তৈলবাহী জাহাজ পরিবহনের অনুমতি আজও মেলেনি । ভারতের অবস্থা ও সংকটে । ভারতে মাত্র প্রায় এক মাসের অশোধিত তেল রয়েছে। অবশ্য রাশিয়া থেকে প্রয়োজনীয় অশোধিত তেলের ব্যবস্থা হয়ে গেছে । শুধু ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে শুধু তারাই চিন্তিত নয় । সমগ্র বিশ্ব উদ্বিগ্ন কি যে হয় ।অন্যদিকে রাশিয়া - ইউক্রেন এবং আফগানিস্থান পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ তো চলমান গতিতে প্রবাহমান । বিশ্ব বাজারে অস্ত্র উৎপাদক যুদ্ধ জাহাজ , হেলিকপ্টার উৎপাদনকারী দেশের তো সোনায় সোহাগা।যুদ্ধ সরঞ্জামের বাজার বর্তমানে রমরমা । ২/১ দিন পূর্বে সামাজিক মিডিয়ায় দেখা গেল বাংলাদেশ কিছু সংখ্যক ট্রেঙ্ক চীন থেকে ক্রয় করেছে । বর্তমানে বিশ্বের যুদ্ধং দেহী আবহাওয়ায় বেগতিকভাবে প্রবাহমান । কখন কোথায় কোন কোন দেশের মধ্যে যুদ্ধের বাদ্য বেজে উঠবে বলা মুশকিল । যুদ্ধ মানেই দুই পক্ষের চরম ক্ষতি । যান্ত্রিক ,জনবল ও অর্থবলের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতির বহরের হিসেব মেলা ভার । এতে করে সারা বিশ্বে সুবিধাবাদী পুঁজিপতিগন আগাম সমগ্র দৈনন্দিন ব্যবহৃত দ্রব্য মজুত করতে শুরু করে দিয়েছে। বাজারে কৃত্তিম পণ্যের আকালের সম্ভাবনা । অপরদিকে যুদ্ধাতংকে উৎপাদনকারী শিল্পে মন্দার আশঙ্কারত। কখন যুদ্ধের মোর কোনদিকে কখন ঘুড়ে যাবে বলা মুশকিল । সমগ্র বিশ্ব সিদ্ধান্তে কিংকর্তব্যবিমূঢ় । অনেক বৃহৎ মাঝারী শক্তিশালী দেশ যুদ্ধের আবহাওয়ায় কোন পক্ষে ঝুঁকবে তা বলা মুশকিল। বিশ্বে মুদ্রাস্ফীতি যুদ্ধকালীন সময়ের একটা অতীভ গুরুত্বপুর্ন উৎপাদন । অপরদিকে যুদ্ধকালীন সময়ে ব্যয় সংকোচনের প্রচেষ্টা অবশ্যম্ভাবী । প্রত্যেকটা দেশে আয় ব্যয়ের নিরীখে ঘাটতি স্বাভাবিক । প্রাণঘাতী যুদ্ধের কড়াল আঘাতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দেশীয় অর্থনীতির প্রচন্ড প্রকোপ । অনেক দেশ রয়েছে সেই দেশের ৩/৪ দিনের যুদ্ধের ব্যয় এক বছরের বাজেটের সমান হয়ে যায় কখনও কখনও।অপরদিকে যুদ্ধ আবহাওয়া নূতন শিল্প কারখানার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় । বেকারদের কপালে ভাঁজ । শিল্প বানিজ্যের চলমান নিম্নগামী আবহাওয়া । এদিকে কয়েকটা রাজ্য রান্না / বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সংবাদ প্রকাশ্যে আসছে । যুদ্ধের ফলাফল সর্বদাই ক্ষতির দিকে প্রভাবিত হয় । যারা জয়ী হয় তাদের ও জনবল , অর্থ এবং গোলাবারুদের ক্ষয়ক্ষতিতে নিমজ্জিত হতে হয় । আর যারা পরাজিত হয় তাদেরতো ক্ষতির ফিরিস্তি না দিলেই ভালো । তাই প্রতিপক্ষ দেশ গুলির মধ্যে অচীরেই যুদ্ধ বিরতি পৃথিবীর সার্বিক মঙ্গলের আশীর্বাদ এবং অহেতুক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির হাত থেকে সার্বিক দেশের জনগণ নিস্তার পাবেন । পরিশেষে বলা যায় ভারতের ন্যায় অন্যান্য উন্নতশীল দেশগুলি একজোটে যুদ্ধের অবসানে আলোচনার মাধ্যমে শাস্তির বাতাবরণ সৃষ্টির প্রয়াসই প্রশংসিত ও আকাঙ্খিত ।

যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু

যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে " যুদ্ধ নয় শান্তি চাই " । এটা অতীভ তাৎপর্যপূর্ণ । দেশের ও দশের হিতকামী প্রবাদ । যে যাই বলুক না কেন প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার উপরে ব্যয় হচ্ছে ইজরায়েল - আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে । পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ জিও রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে নিজ নিজ বিবেচনায় এক পক্ষকে সমর্থন করছে । পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দুই শিবিরের মধ্যে একটিকে সমর্থন করছে । ভারতের ন্যায় এমন খুব কম দেশই রয়েছে যারা শান্তির বার্তা নিয়ে দুই পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে চলছে । ভারতের অবস্থান স্পষ্ট কোন শিবিরের সঙ্গে সরাসরি নিজেদের জড়াবেনা । এমনকি ভারতের মাটিতে কোন অন্য রাষ্ট্রের সাময়িক খাতে ব্যবহার করতে দেবেনা । এই মহারণের শুরুই হয়েছিল ইরানের রাষ্ট্র প্রধান ও শীর্ষ ধর্ম গুরু খামেয়নি মহোদয়কে হত্যার মাধ্যমে । এতে করে ইরানের সেনা দলের প্রতিহিংসার ক্রোধ ভীষনভাবে জাগ্রত হয়েছে এটা অস্বীকার করা যায়না । অবশ্য চীন ও রাশিয়া আগে থেকেই ইরানের পাশে অবস্থানরত । মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদনকারী মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে পূর্বেই আমেরিকার সৈন্য ঘাটির স্থাপত্য বজায় ছিল । তাই ইরান স্ব - ধর্মীয়দের ও ঐ সৈন্য ঘাটিগুলোতে অবিরাম আক্রমন থেকে রেহাই দেয়নি । ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম বর্তমান যুদ্ধে দুই পক্ষেরই হতাহত হয়েছে প্রচুর । হিসেবে ইরানের হতাহত বেশীর দিকে । বর্তমানে বিশ্বের বাজারে এই দুই পক্ষের যুদ্ধে একটা অস্থিরতা বজায় রয়েছে । যুদ্ধের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছেনা বিশ্বে এমন দেশের আকাল । এদিকে ইরান হরমোজ প্রণালী দখল করে রয়েছে । প্রায় তৈলবাহী ৩৭/৩৮ টা বড় বড় জাহাজ হরমোজ প্রণালীতে অবরুদ্ধ । হরমোজ প্রণালী দিয়ে তৈলবাহী জাহাজ পরিবহনের অনুমতি আজও মেলেনি । ভারতের অবস্থা ও সংকটে । ভারতে মাত্র প্রায় এক মাসের অশোধিত তেল রয়েছে। অবশ্য রাশিয়া থেকে প্রয়োজনীয় অশোধিত তেলের ব্যবস্থা হয়ে গেছে । শুধু ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে শুধু তারাই চিন্তিত নয় । সমগ্র বিশ্ব উদ্বিগ্ন কি যে হয় ।অন্যদিকে রাশিয়া - ইউক্রেন এবং আফগানিস্থান পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ তো চলমান গতিতে প্রবাহমান । বিশ্ব বাজারে অস্ত্র উৎপাদক যুদ্ধ জাহাজ , হেলিকপ্টার উৎপাদনকারী দেশের তো সোনায় সোহাগা।যুদ্ধ সরঞ্জামের বাজার বর্তমানে রমরমা । ২/১ দিন পূর্বে সামাজিক মিডিয়ায় দেখা গেল বাংলাদেশ কিছু সংখ্যক ট্রেঙ্ক চীন থেকে ক্রয় করেছে । বর্তমানে বিশ্বের যুদ্ধং দেহী আবহাওয়ায় বেগতিকভাবে প্রবাহমান । কখন কোথায় কোন কোন দেশের মধ্যে যুদ্ধের বাদ্য বেজে উঠবে বলা মুশকিল । যুদ্ধ মানেই দুই পক্ষের চরম ক্ষতি । যান্ত্রিক ,জনবল ও অর্থবলের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতির বহরের হিসেব মেলা ভার । এতে করে সারা বিশ্বে সুবিধাবাদী পুঁজিপতিগন আগাম সমগ্র দৈনন্দিন ব্যবহৃত দ্রব্য মজুত করতে শুরু করে দিয়েছে। বাজারে কৃত্তিম পণ্যের আকালের সম্ভাবনা । অপরদিকে যুদ্ধাতংকে উৎপাদনকারী শিল্পে মন্দার আশঙ্কারত। কখন যুদ্ধের মোর কোনদিকে কখন ঘুড়ে যাবে বলা মুশকিল । সমগ্র বিশ্ব সিদ্ধান্তে কিংকর্তব্যবিমূঢ় । অনেক বৃহৎ মাঝারী শক্তিশালী দেশ যুদ্ধের আবহাওয়ায় কোন পক্ষে ঝুঁকবে তা বলা মুশকিল। বিশ্বে মুদ্রাস্ফীতি যুদ্ধকালীন সময়ের একটা অতীভ গুরুত্বপুর্ন উৎপাদন । অপরদিকে যুদ্ধকালীন সময়ে ব্যয় সংকোচনের প্রচেষ্টা অবশ্যম্ভাবী । প্রত্যেকটা দেশে আয় ব্যয়ের নিরীখে ঘাটতি স্বাভাবিক । প্রাণঘাতী যুদ্ধের কড়াল আঘাতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দেশীয় অর্থনীতির প্রচন্ড প্রকোপ । অনেক দেশ রয়েছে সেই দেশের ৩/৪ দিনের যুদ্ধের ব্যয় এক বছরের বাজেটের সমান হয়ে যায় কখনও কখনও।অপরদিকে যুদ্ধ আবহাওয়া নূতন শিল্প কারখানার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় । বেকারদের কপালে ভাঁজ । শিল্প বানিজ্যের চলমান নিম্নগামী আবহাওয়া । এদিকে কয়েকটা রাজ্য রান্না / বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সংবাদ প্রকাশ্যে আসছে । যুদ্ধের ফলাফল সর্বদাই ক্ষতির দিকে প্রভাবিত হয় । যারা জয়ী হয় তাদের ও জনবল , অর্থ এবং গোলাবারুদের ক্ষয়ক্ষতিতে নিমজ্জিত হতে হয় । আর যারা পরাজিত হয় তাদেরতো ক্ষতির ফিরিস্তি না দিলেই ভালো । তাই প্রতিপক্ষ দেশ গুলির মধ্যে অচীরেই যুদ্ধ বিরতি পৃথিবীর সার্বিক মঙ্গলের আশীর্বাদ এবং অহেতুক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির হাত থেকে সার্বিক দেশের জনগণ নিস্তার পাবেন । পরিশেষে বলা যায় ভারতের ন্যায় অন্যান্য উন্নতশীল দেশগুলি একজোটে যুদ্ধের অবসানে আলোচনার মাধ্যমে শাস্তির বাতাবরণ সৃষ্টির প্রয়াসই প্রশংসিত ও আকাঙ্খিত ।

নেশা কারবারীর জেল ও আর্থিক জরিমানা আদালতে

নেশা কারবারীর জেল ও আর্থিক জরিমানা আদালতে

নিজস্ব প্রতিনিধি: নেশা কারবারিকে ৫ বছরের জেল ও জরিমানা করলো খোয়াই জেলা ও দায়রা আদালত। অভিযুক্তের নাম সৌমিত্র কর্মকার।নেশামুক্ত ত্রিপুরা গড়ার অভিযানে বড় সাফল্য পেল বিচার বিভাগ। ৬৬ গ্রাম ব্রাউন সুগার সহ ধরা পড়া এক নেশা কারবারিকে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানার নির্দেশ দিল আদালত। বৃহস্পতিবার খোয়াই জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক বেদপ্রতিম দেববর্মা এই রায় ঘোষণা করেন।

বিধানভায় উপাধ্যক্ষ মনোনীত রামপদ

বিধানভায় উপাধ্যক্ষ মনোনীত রামপদ

নিজস্ব প্রতিনিধি : ভারতীয় জনতা পার্টির নেতৃত্বাধীন NDA জোটের পরিষদীয় দলের বৈঠকে ত্রিপুরা বিধানসভার অধ্যক্ষ পদে শ্রী রামপদ জমাতিয়া মহোদয়ের নাম প্রস্তাব করা হয়।এই উপলক্ষে তাঁর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করি এবং আগামীর দায়িত্ব পালনে তাঁর সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করি।আমার দৃঢ় বিশ্বাস, তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা আগামী দিনে ত্রিপুরা বিধানসভার কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত, গতিশীল ও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।এমনটাই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা । তিনি আশাবাদী দক্ষতার সঙ্গে রামপদ জমাতিয়া বিধানসভায় দায়িত্ব পালন করবেন । নিযুক্ত হতেই শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্য সভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্যী সহ উপাধ্যক্ষ রাম প্রসাদ পাল সহ সমস্ত বিধায়ক ও মন্ত্রীরা ।

বাংলায় জঙ্গলরাজ চলছে , তোপ মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহার

বাংলায় জঙ্গলরাজ চলছে , তোপ মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহার

নিজস্ব প্রতিনিধি:মুখ্যমন্ত্রী সংখ্যালঘু উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় আগরতলা প্রজ্ঞা ভবনে ।উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা, মন্ত্রী শুক্লা চরণ নোয়াতিয়া, মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার সহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠান শেষে মুখ্যমন্ত্রী সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পশ্চিমবঙ্গে গত কালকের প্রচার সহ নানা বিষয় সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা। তিনি স্পষ্টত জানান আসন্ন পশ্চিম বাংলায় নির্বাচনে বিজেপি সরকার গঠন করতে চলছে । তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনকালে বাংলা এখন পিছিয়ে রয়েছে। শিল্প , সাহিত্য সব সম্পদ মুখ থুবড়ে পড়েছে। আইনের শাসন নেই । মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর শাসনকালে নারীরা সুরক্ষিত নয়। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকার সঠিক বাস্তবায়ন নেই । দুর্নীতি ও গুন্ডারাজ খতমের দিন সন্নিকটে বলেও অভিমত প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা।

আম্রকুঞ্জে দোল উৎসব উদযাপন

আম্রকুঞ্জে দোল উৎসব উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি:বসন্তের রঙিন উৎসব হোলির আনন্দে মাতোয়ারা সবাই । অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে রবীন্দ্র ভবনের আম্র কুঞ্জে রাজ্য ভিত্তিক দোল উৎসবের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মেয়র দীপক মজুমদার, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা ভিম্ভিশ্বর ভট্টাচার্য, এডভাইজারী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত চক্রবর্তী। বক্তব্য রাখতে গিয়ে মেয়র দীপক মজুমদার বলেন , দোল উৎসব ঐতিহ্যপূর্ণ একটি উৎসব ।হৃদয়ের মলিনতা কাটিয়ে বাহারি রঙ লাগিয়ে সৌভ্রত্বের বার্তা বহন করে দোল উৎসব। বর্তমান সরকার এই ধরনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাতি ও জনজাতি মৈত্রীর পরিবেশ মজবুত করে চলছে । পাশাপাশি সমগ্র রাজ্যবাসীকে দোল উৎসব উপলক্ষে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন মেয়র দীপক মজুমদার।

অগ্নি নির্বাপক দপ্তর আয়োজিত রক্তদান শিবিরে ব্যাপক সাড়া

অগ্নি নির্বাপক দপ্তর আয়োজিত রক্তদান শিবিরে ব্যাপক সাড়া

নিজস্ব প্রতিনিধি:ত্রিপুরা অগ্নি নির্বাপক দপ্তর এবং ইমারজেন্সি সার্ভিস দপ্তরের পক্ষ থেকে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা ফায়ার ব্রিগেড চৌমুহনি স্থিত হেডকোয়ার্টারে। উপস্থিত ছিলেন দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা মিঠুন দাস চৌধুরী, প্রাক্তন ডাইরেক্টর উত্তম মন্ডল সহ অন্যান্যরা। বক্তব্য রাখতে গিয়ে দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা বলেন , অগ্নি নির্বাপক দপ্তরের কর্মীরা জীবনঝুঁকি নিয়ে কেবলমাত্র কাজেই সীমিত নেই । সারা বছর বিভিন্ন সমাজসেবা মূলক কাজ , রক্তদান শিবির, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করে আসছে। পাশাপাশি আগুনের লেলিহান অগ্নিশিখা থেকে নিজেদের এবং আশ পাশের সুরক্ষায় সচেতন থাকার আহ্বান জানান । প্রেক্ষিতে , শুখা মরশুম চলাকালীন যত্রতত্র আগুনের শুকা কিংবা দেশলাই না ফেলার বার্তা দিয়েছেন ।

অনন্যা নারী সম্মানে ভূষিত সোমা চক্রবর্তী

অনন্যা নারী সম্মানে ভূষিত সোমা চক্রবর্তী

নিজস্ব প্রতিনিধি:গোটা দেশের সঙ্গে রাজ্যেও যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বর্তমান সরকারের আমলে নারী দিবস এক অন্য মাত্রায় পৌঁছেছে । নারীরা দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে গুরুদায়িত্ব পালন করে চলছেন । রাজ্যেও বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোগে নারী দিবসের অনুষ্ঠান হয়েছে । ত্রিপুরার ওয়েব মিডিয়ার জগতে নিরলস প্রচেষ্টায় সংবাদ মাধ্যম হিসাবে নিরপেক্ষ ভূমিকায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নিউজ টপ লিংক আয়োজিত অনন্য নারী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে বিশিষ্ট নারীদের । এই তালিকায় রাজ্যের অত্যন্ত সুপরিচিত সমাজসেবী ঊষা বাজার ভারত রত্ন সংঘের ক্লাব সম্পাদক চন্দন চক্রবর্তীর সহ ধর্মীনি সোমা চক্রবর্তীকেও নারী সম্মাননা প্রদান করেন সংস্থার কর্ণধার তথা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব দীপঙ্কর দেব । উল্লেখ্য , সোমা চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবা ও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি ২০১৫ সালে বিজেপির টিকিটে পুর ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন । রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের সময় প্রদেশ বিজেপি মহিলা মোর্চার কোষাধ্যক্ষ হিসাবেও ব্যাপক সাফল্যের ছাপ রেখেছিলেন । তাছাড়াও সোমা চক্রবর্তী অনাথ শিশুদের জন্য বিভিন্ন সমাজসেবা মূলক কাজে সারা বছর নিজেকে আড়াল রেখে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন । দীর্ঘ সামাজিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম এবং মানুষের সাথে নিবিড় সংযোগ সেতুর মাধ্যম হিসাবে কাজের জন্য অনন্য নারী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে। নিউজ টপ লিংক আগামীদিনে সোমা চক্রবর্তীর উজ্জ্বল ভবিষ্যত ও দীর্ঘায়ু এবং সুস্থস্থ্যের কামনা করেছে ।