surga-image

Tags

Share this article

১৫০ কানি জমিতে চাষ হচ্ছে না! সোনামুড়া ইন্দিরানগর পঞ্চায়েত এলাকায়!

১৫০ কানি জমিতে চাষ হচ্ছে না! সোনামুড়া ইন্দিরানগর পঞ্চায়েত এলাকায়!

নিজস্ব প্রতিনিধি: ইন্দিরা নগর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যপাড়ায় কৃষকদের প্রায় ১৫০ কানি জমি চাষ বাস করতে পারছে না জলের অভাবে, LI Sceme থাকার পর ও সরকারী উদাসীনতার দরুন তার অকেজো হয়ে রয়েছে, কৃষকরা জমি চাষ করতে পারছে না, অন্যদিকে নদীর ভাঙ্গনের ফলে বহু কৃষি জমি নদী গর্ভে চলে যায় প্রশাসনের কোন হেলদোল নেই, তাই আজকে সারা ভারত কৃষক সভার সোনামুড়া মহকুমা কমিটির একটি প্রতিনিধি দল আজকে ঐ মাঠ এবং নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রশাসনের দৃষ্টিতে নেওয়ার আশ্বাসএতে উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিটির সম্পাদক কমরেড সুরেশ দাস, সোনামুড়া মহকুমা সম্পাদক কমরেড আব্দুল করিম , সভাপতি কমরেড রতন দাস , সহ- সম্পাদক কমরেড মিজান মিঞা, সংগঠনের মহকুমা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কমরেড আবুল কাসেম, অভিরাম দত্ত, কমরেড হাছিনার বেগম, কমরেড সত্যব্রত মজুমদার, পার্টির মেলাঘর পশ্চিম অঞ্চল সম্পাদক কমরেড ভোলা ভৌমিক সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা ।

মথার বিজয় উল্ল্বাস

মথার বিজয় উল্ল্বাস

নিজস্ব প্রতিনিধি: সদ্য সমাপ্ত এডিসি নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিজয় উৎসব সংগঠিত করছে মথা দল। একই রকম ভাবে আজ পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মুঙ্গিয়াকমিতে অগণিত কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতিতে বিজয় উল্লাসে মেতে উঠেন মথা দলের বিভিন্ন স্তরের কর্মী সমর্থক এবং নেতৃত্বরা। আজকের এই বিজয় উৎসবে নবনির্বাচিত এমডিসি উৎপল দেববর্মা সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। শান্তিপূর্ণ উল্লাসময় বিজয় উৎসব সংগঠিত হলেও এই কর্মসূচিকে ঘিরে পুলিশ প্রশাসনের ব্যাপক প্রস্তুতি নজরে পড়েছে। যদিও শেষ পর্যন্ত নির্বিঘ্নেই বা কোন অনভিপ্রেত ঘটনা ছাড়াই কল্যাণপুরে মথা দলের বিজয় উৎসব সম্পন্ন হয়েছে। আজকের এই বিজয় উৎসব থেকে মথা দলের নেতৃত্বদের স্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে আগামী দিনে উন্নয়নকে পাখির চোখ করেই পথ চলা শুরু করবে মথার নেতৃত্বাধীন এডিসি প্রশাসন।

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিপর্যস্ত জোলাইবাড়ী! গাড়ির উপর গাছ পড়ে চাঞ্চল্য!

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিপর্যস্ত জোলাইবাড়ী! গাড়ির উপর গাছ পড়ে চাঞ্চল্য!

নিজস্ব প্রতিনিধি: দক্ষিণ ত্রিপুরার জেলা অন্তর্গত জোলাইবাড়ী পশ্চিম পিলাক কলনি এলাকায় রবিবার (২৬ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা সামনে এসেছে। হঠাৎ করে আছড়ে পড়া ঝড়ে বিভিন্ন এলাকায় গাছ উপড়ে পড়ে বাড়িঘর, রাস্তা এবং যানবাহনের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোথাও বাড়ির উপর গাছ ভেঙে পড়েছে, আবার কোথাও রাস্তাঘাট সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ঝড়ের দাপটে বহু জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটি ও তারের উপর গাছ পড়ায় বিদ্যুৎ পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিম পিলাক কলনি বাজার এলাকায় পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।এদিকে, জোলাইবাড়ী থেকে বিলোনিয়া যাওয়ার পথে TR 08 0592 নম্বরের একটি ইকো গাড়ির উপর আচমকাই একটি বড় গাছ ভেঙে পড়ে। এতে গাড়িটি সম্পূর্ণভাবে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। সৌভাগ্যবশত বড় ধরনের প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি, তবে ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। গাড়ির চালক জানান, দুর্ঘটনার পর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও শান্তিরবাজার মহকুমা শাসকের দপ্তর থেকে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিমকে খবর দেওয়া হয় এবং ঘটনাস্থলে এখনও পৌঁছেনি । পরে জোলাইবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পাশাপাশি খবর পেয়ে জোলাইবাড়ী থানার পুলিশও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিমকে খবর দেওয়া হয়েছিল, তবে তারা নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।বর্তমানে এলাকায় স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরাতে জোরকদমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ প্রশাসন।

তারকাটার ভেতরে জুম চাষে গিয়ে রক্তাক্ত যুবক!রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য!

তারকাটার ভেতরে জুম চাষে গিয়ে রক্তাক্ত যুবক!রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য!

নিজস্ব প্রতিনিধি: গোমতী ত্রিপুরার করবোক মহকুমার অন্তর্গত শিলাছড়ি ব্লকের বেলতলী এলাকায় তারকাটার ভেতরে কাজ করতে গিয়ে গুরুতর জখম হলেন গুধানবাবু ত্রিপুরা (২৮) নামে এক যুবক। জানা যায়, প্রতিদিনের মতো জুম চাষের কাজে তিনি সীমান্তঘেঁষা তারকাটার ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানেই হঠাৎ এই বিপত্তি ঘটে এবং তার হাতে গভীর আঘাত লাগে। আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে সাব্রুম মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে গোমতী জেলা হাসপাতালে রেফার করেন। আহত যুবকের পিতার নাম ললিত মোহন ত্রিপুরা।ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, বাংলাদেশের দিক থেকে কেউ এসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, গ্রামের কিছু মানুষের মতে, স্থানীয়দের মধ্যে পুরনো বিবাদ বা সদ্য সমাপ্ত রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরেও এই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

আট মাস ধরে রেগার  কাজের টাকা না পেয়ে  ক্ষুব্ধ চড়িলাম ব্লকের  আড়ালিয়া পঞ্চায়েতের  রাজীব কলোনির শ্রমিক!

আট মাস ধরে রেগার কাজের টাকা না পেয়ে ক্ষুব্ধ চড়িলাম ব্লকের আড়ালিয়া পঞ্চায়েতের রাজীব কলোনির শ্রমিক!

নিজস্ব প্রতিনিধি: শরীরের রক্ত মাংস জল করে রেগা প্রকল্পে কাজ করার ৮ মাস পরেও মিলছে না শ্রম দিবসের টাকা। শ্রম দিবসের টাকা না পেয়ে ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ এক শ্রমিক। ঘটনা চড়িলাম ব্লকের আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজিব কলোনি এলাকায়। অসহায় সেই শ্রমিকের নাম ইদ্রিস মিয়া । তার অভিযোগ তিনি আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে রেগা প্রকল্পের ১৫ শ্রম দিবসের টাকা পাচ্ছেন না। বিগত সাত থেকে আট মাস ধরে তিনি তার মজুরির টাকা পাওয়ার জন্য গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে গ্রাম পঞ্চায়েতে দৌড়ঝাঁপ করে চলেছেন। পঞ্চায়েতের জি আর এস বলছেন ব্যাংকে যেতে অপরদিকে চড়িলাম গ্রামীণ ব্যাংক শাখা তাকে বলছে পঞ্চায়েতে যোগাযোগ করতে। বিগত সাত থেকে আট মাস ধরে ১৫ শ্রম দিবসের টাকার জন্য দৌঁড়ঝাপ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন অসহায় শ্রমিক ইদ্রিস মিয়া। তিনি কি করবেন ভেবে উঠতে পারছেন না? শুক্রবার দুপুরে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অসহায় শ্রমিক পুরো ঘটনা তুলে ধরে পঞ্চায়েত এবং ব্লকের কাছে তার প্রাপ্য মজুরির টাকা চেয়েছেন। নিতান্তই দরিদ্র ইদ্রিস মিয়া। কাজের মজুরির টাকা না পেয়ে অসহায় অবস্থার মধ্যে রয়েছেন তিনি। সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি পঞ্চায়েত ব্লক এবং ব্যাংক কর্তৃপক্ষের নিকট।

বানরের উৎপাতে কাঠালিয়া ব্লক এলাকার বহু পরিবার একেবারে অতিষ্ঠ!

বানরের উৎপাতে কাঠালিয়া ব্লক এলাকার বহু পরিবার একেবারে অতিষ্ঠ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিগত কয়েক বছর ধরে ক্রমান্বয়ে হিংস্র বানরের উৎপাত নিরসন করার কোন প্রতিকার বনদপ্তর নিচ্ছে না। বিশেষ করে সোনামুড়া মহকুমার দক্ষিণাঞ্চলে কাঠালিয়া ব্লক, এই ব্লক এলাকার ভারত -বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া যে সমস্ত গ্রামীণ পরিবেশগুড়ি বসবাস করে তাদের বাড়িঘরে এবং কৃষি জমিগুলি যে বানরের খাদ্য সংগ্রহের জন্য প্রতিনিয়ত সকাল -বিকেল দলে দলে বানরের আনাগোনা চলছে। এছাড়াও বাণিজ্যিক এলাকা গুলিতে ও উপদ্রব চালায় খাদ্য সংগ্রহের জন্য বানরের দল। সংবাদকর্মীকে কাছে পেয়ে একান্ত সাক্ষাতে কালী কৃষ্ণনগর পঞ্চায়েত এলাকার রাজেন্দ্রটিলা গ্রামের একাধিক কৃষক তাদের দুরবস্থার কথা তুলে ধরেন, একই অবস্থা ভবানীপুর, নিদয়া, দক্ষিণ মহেশপুর, উত্তর মহেশপুর সহ আরো বহু গ্রামীণ এলাকায় প্রতিনিয়ত বানরের উৎপাত বেড়েই চলছে। এই নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সরকারের প্রতি, বনদপ্তরের প্রতি যথেষ্ট ক্ষুব্ধ! প্রথমত, বসত বাড়িতে কোন সবজি করা যায় না, কোন ফসল ফলানো যায় না, বর্তমানে বোরো ধানের শীষ তুলে , তুলে খেয়ে ফেলেছে বানরের দল। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার কালি কৃষ্ণনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজেন্দ্র টিলা গ্রামের পরিবারগুলি। মানুষ ভাবছে, এই অবস্থা কিভাবে সমাধান হবে! বনদপ্তরের কর্মী রয়েছে কাঠালিয়া রেঞ্জ অফিসে বেশ কয়েকজন, এই নিয়ে দফায় দফায় তাদের জিজ্ঞাসা করলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সঠিক কোন উত্তর পাচ্ছিনা। অথচ রাজ্যে বিগত সরকারের আমলে বানরের উৎপাত নিরসনের জন্য বিভিন্ন রকম ফটকাবাজি ব্যবহার উদ্যোগ গ্রহণ করত বনদপ্তরের কর্মীরা। এখন আর এই সুযোগ ও মিলছে না বনদপ্তরের কাছ থেকে। কাজেই ক্ষতিগ্রস্ত কিছু কিছু পরিবারের আত্মচিৎকারে অনেক সময় মানুষ সরকারের প্রতি ভীষণ অসন্তোষ হয়ে সংবাদকর্মীদের কাছে পেয়ে এই সমস্ত বিষয়গুলি জানান দিতে চাইছেন। বানরের উৎপাত শুধু একদিনের বিষয় নয়! বিগত কয়েক বছর ধরে এই জাতীয় বানরের অত্যাচার চলছে কাঠালিয়া ব্লক এলাকার দক্ষিণাঞ্চলে।

কলেজ পড়ুয়া কন্যার পাশে বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি

কলেজ পড়ুয়া কন্যার পাশে বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি

নিজস্ব প্রতিনিধি:হতদরিদ্র পরিবারের কলেজ পড়ুয়া কন্যার পাশে দাঁড়ালেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা। ঘটনা বৃহস্পতিবার দুপুরে। মেলাঘর পৌর পরিষদের ১১ নং ওয়ার্ড সুভাষ নগর এলাকার এক হতদরিদ্র পরিবারের কলেজ পড়ুয়া কন্যা সুমিত্রা দত্তের পাশে দাঁড়ালেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি। তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্রামগঞ্জ থানায় কাজ শেষ করে মেয়েটির বাড়িতে ছুটে যান। যদিও ঐ সময় মেয়েটি বাড়িতে ছিল না। সে কলেজে গিয়েছিল। তাই মেয়েটির সঙ্গে তার দেখা হয়নি। তিনি সুমিত্রা দত্তের বিছানায় শয্যাশায়ী পিতা স্বপন দত্ত এবং তার মা কাজল দত্তের সঙ্গে কথা বলেন। মেয়েটির মা ওসিকে জানায় দুই মাস পূর্বে তার স্বামীর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শরীরের একটি অঙ্গ অকেজো হয়ে যায়। তারপর থেকে সে বিছানায় শয্যাশায়ী। তার স্বামী রাজমিস্ত্রি যোগালি কাজ করত। স্বামী বিছানায় পড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের রোজগার বন্ধ হয়ে যায়। তাদেরকে মাঝেমধ্যে উপোস থাকতে হয়। তার মেয়ে উদয়পুর কলেজে শিক্ষাবিজ্ঞান নিয়ে অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়ছে। মেয়ের কলেজে যাবার জন্য গাড়ি ভাড়াও তাদের কাছে অনেক সময় থাকে না। প্রতিবেশীদের কাছ থেকে গাড়ি ভাড়া ধার করে মেয়েকে এনে দিতে হয়। প্রচন্ড আর্থিক সংকটে রয়েছে তারা। অর্থের অভাবে সে তার স্বামীর চিকিৎসা পর্যন্ত করতে পারছে না। মেয়ের পড়াশোনাও বন্ধের মুখে। এই সংবাদটি গতকাল দেখার পর মানবিকতার টানে বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা তাদের বাড়িতে ছুটে যান। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন এই সংবাদটি দেখতে পেয়ে আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। মানবিকতার টানে আমি তার বাড়িতে ছুটে এসেছি। আমি পরিবারটিকে ডিম তেল নুন বিস্কিট আলু সয়াবিন মুড়ি সাবান পেঁয়াজ সহ এক মাসের খাদ্য সামগ্রী তাদের হাতে তুলে দিয়েছি এবং মেয়েটির কলেজে যাবার জন্য এক বছরের গাড়ি ভাড়াও তার মায়ের হাতে তুলে দিয়েছি। মেয়েটির ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার ক্ষেত্রে ও আমি তাকে অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য এবং সহযোগিতা করব বলে সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা। অজিত দেববর্মার এই মানবিক কাজকে কুর্নিশ জানিয়েছে গোটা মেলাঘর বাসী।" মানুষ মানুষের জন্য"__কবির এই কথাটিকে কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করে দেখালেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি । দরিদ্র ঘরের কলেজ পড়ুয়া কন্যাকে ও সি'র সাহায্য করার বিষয়টি জানতে পেরে এমনটাই বলছে গোটা মেলাঘর এলাকার মানুষ। অতীতেও বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি বেশ কয়েকজন মাধ্যমিক এবং দ্বাদশ পড়ুয়া দিব্যাঙ্গ ছেলে মেয়েকে তাদের ফাইনাল পরীক্ষার আগে সাহায্য করেছেন। ঘটনাটি শোনার পর অনেকেই বলছেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা, সত্যিকার অর্থেই একজন মানবদরদী মানুষ ।

হাইভোল্টেজ পশ্চিম বাংলায় প্রথম পর্বের ভোট অনুষ্ঠিত হয়, শতকরা হার ৯০ শতাংশ

হাইভোল্টেজ পশ্চিম বাংলায় প্রথম পর্বের ভোট অনুষ্ঠিত হয়, শতকরা হার ৯০ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: ব্যাপক ঘাত ও প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে সাঙ্গ হলো পশ্চিম বাংলায় প্রথম পর্বের ভোট । নির্বাচন কমিশন সূত্রে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ৮৩ শতাংশ । ভোটের হার বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সকাল থেকেই ব্যাপক নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনি নিয়ে ভোট শুরু হয়েছিল । ১৫৪ টি আসনের মধ্যে ভোট হয়েছে । তবে , বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি । কমিশন থেকে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটদানের আহ্বান করা হয়েছে। একাধিক পোলিং এজেন্টদের মারধর , বিজেপি বনাম তৃণমূলীদের বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের মধ্যেই প্রথম পর্বের ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। জয়ের ব্যাপারে উভয় শিবির আশাবাদী । এবার বাংলার ভোট মূলতঃ মমতা ব্যানার্জি বনাম নরেন্দ্র মোদীর ইমেজের লড়াই বলেই অভিমত সংশ্লিষ্ট মহলের। শেষ হাসি কে হাসবে ৪ ঠা মে ফলাফলে প্রমাণিত হবে ।

বিরোধীরা মহিলাদের অপমান করার পাশাপশি সমগ্র জাতিকে বঞ্চিত করেছেন: মুখ্যমন্ত্রী

বিরোধীরা মহিলাদের অপমান করার পাশাপশি সমগ্র জাতিকে বঞ্চিত করেছেন: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা: বিরোধীদের কারণে সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিলের সংশোধনী পাস করা যায়নি। এই সংশোধনী বিল ভারতে নারী শক্তির জন্য এক মহাযজ্ঞ। এটা শুধু রাজনীতির ভবিষ্যত নয়, দেশের ভাগ্যকেও বদলে দেবে। কিন্তু ইন্ডি জোট বা বিরোধীরা আবারও মহিলাদের অপমান করলেন এবং সমগ্র জাতিকে বঞ্চিত করেছেন। কারণ তারা নিজেদের রাজনৈতিক জমি রক্ষা করার জন্য মরিয়া। তারা শুধু আত্মকেন্দ্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন। আজ আগরতলায় ভারতীয় জনতা পার্টির প্রদেশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। সাংবাদিক সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু ছিল - নারী শক্তি বন্ধন অধিনিয়ম। মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, নারী শক্তি বন্ধন অধিনিয়ম, যেটা নারী শক্তি বা মহিলা সংরক্ষণ বিল ২০২৩ - আমার মনে হয় ভারতীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটা বৈপ্লবিক অধ্যায়। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে লোকসভা ও বিধানসভায় মহিলারা যাতে ৩৩% আসন সংরক্ষণ পায় সেটা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই ঐতিহাসিক আইন। এটা মহিলাদের অধিকার সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি ভারতে নারীদের নেতৃত্বে উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নতুন সংসদ ভবনে বিশেষ অধিবেশনের মাধ্যমে বিলটি পাস হয়। আর সেই আইনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে লোকসভা ও বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩% অর্থাৎ এক তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণ করা। যেটা ভারতের রাজনৈতিক কাঠামোতে লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণের একটা প্রয়াস। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এটা একটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। যেটা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ১২৮তম সংশোধনী বিল মোতাবেক সেটা উত্থাপিত হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পর এটি ১০৬তম সংবিধান সংশোধনী আইন হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। নারী সংরক্ষণের এই দাবি শুধু একদিনের নয়, অনেকদিন ধরেই হচ্ছিল। প্রায় দীর্ঘ তিন দশকের সংগ্রাম এটা। ১৯৯৬ এ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়ার আমলে প্রথম পেশ করা হয়েছিল। কিন্তু তখন সেটা পাস হয় নি। ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ পর্যন্ত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর আমলে অনেকবার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তখনও বিরোধীদের তরফে বারবার বাঁধা দেওয়া হয়। ২০১০ এ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সময়ে রাজ্যসভায় পাস হলেও লোকসভায় সেটা পাস হয়নি। তখন সমাজবাদী পার্টি ও আরজেডি বিরোধীতা করেছিল। এরপর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সময়ে রাজ্যসভা ও লোকসভায় বিপুল ভোটে এই বিলটি পাস হয়। সংবাদ মাধ্যমকে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা জানান, এই বিলে বলা হয়েছে যে দিল্লি বিধানসভার ক্ষেত্রেও মহিলাদের জন্য ৩৩% আসন সংরক্ষণ রাখতে হবে। অনুরূপভাবে এসসি এসটি সংরক্ষিত আসনেও মহিলাদের জন্য ৩৩% আসন সংরক্ষণ রাখতে বলা হয়েছে। আর প্রতিটি নির্বাচনের পরেই ডিলিমিটেশান প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেই আসনগুলি রোটেশন্যাল সিট হবে। যাতে সব নির্বাচনী এলাকা থেকে মহিলারা প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পান। এটার মেয়াদকাল দেওয়া হয়েছে ১৫ বছর পর্যন্ত। কিন্তু সংসদ যদি চায় সেটাকে বৃদ্ধিও করতে পারে। এই আইনটি যেখানে সরাসরি নির্বাচন হবে সেখানে প্রযোজ্য। রাজ্যসভার সদস্যদের জন্য এই আইন বলবৎ না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সালে এই আইন পাস হওয়ার পরেও কিছু বিষয় লক্ষ্য করা যায়। তাই ২০২৬ সালে এপ্রিল মাসে আবার সংসদে পেশ হয়। এর মূল কারণ হচ্ছে এটাকে বাস্তবায়ন করতে হলে অনেক দেরিতে করতে হবে। সেখানে বলা হয়েছে যতক্ষণ ধরে আদমশুমারি শেষ না হবে ততক্ষণ এটা লাগু করা যাবে না। কারণ বর্তমানে আদমশুমারি প্রক্রিয়া চলছে। সেই হিসেবে আরো অনেক বছর অপেক্ষা করতে হবে। তারজন্য সংশোধনীর জন্য আবার এই বিলটি আনা হয়। যাতে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এটা বাস্তবায়ন করা যায়। এনিয়ে লোকসভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিরোধীরাও আলোচনা উত্থাপন করেছেন। দেখা যায় লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮১৬ কিংবা তার বেশিও বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে। মূলত, পুরুষদের আসন সংখ্যা ঠিক রেখে মহিলাদের আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যেই ২০২৬ সালের ১৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেটা সংসদে পেশ করা হয়। যা ১৩১তম সংশোধনী হিসেবে পেশ করা হয়। কিন্তু সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজন দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার। যা বিরোধীরা পাস হতে দেয়নি। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী সান্তনা চাকমা, বিধায়ক মীনা রাণী সরকার, বিধায়ক অন্তরা দেব সরকার, মিডিয়া ইনচার্জ সুনিত সরকার।

কাজ না করে সম্পূর্ণ অর্থ গায়েব_ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী!

কাজ না করে সম্পূর্ণ অর্থ গায়েব_ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী!

নিজস্ব প্রতিনিধি: ড্রেইন এবং ব্রিক সলিং এর কাজ না করে সম্পূর্ণ অর্থ গায়েব করে দিল পঞ্চায়েত। ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। ঘটনা বুধবার বিকেলে চড়িলাম ব্লকের আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজিব কলোনি এলাকায়। গ্রামবাসীদের অভিযোগ রাজিব কলোনি এলাকায় আনোয়ার হোসেনের বাড়ি থেকে তাহেদ মিয়ার পুকুর পর্যন্ত ড্রেইন বাবদ এক লক্ষ ৩৪ হাজার ৯২৪ টাকা বরাদ্দ হয়েছিল। রেগা প্রকল্পের কাজ। কাজের আই ও জি আর এস বিশ্বজিৎ দত্ত। গ্রামবাসীদের অভিযোগ এক টাকার কাজ ও করা হয়নি। সম্পূর্ণ টাকা গায়েব করে দিয়েছে কাজের আই ও। একইভাবে রাজিব কলোনি এলাকায় বাবুল মিয়ার বাড়ি থেকে সন্ধ্যা রায় মল্লিকের বাড়ি পর্যন্ত ড্রেন বাবদ বরাদ্দ হয়েছিল ১ লক্ষ ৬৩ হাজার ৬৭৭ টাকা। রেগা প্রকল্পের কাজ। কাজের আই ও জিআরএস বিশ্বজিৎ দত্ত। গ্রামবাসীদের অভিযোগ এক টাকারও কাজ না করে সম্পূর্ণ টাকা গায়েব করে দিয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েত এবং কাজের আই ও। গতকাল গভীর রাতে কে বা কাহারা কাজের সাইনবোর্ড চুপি চুপি লাগিয়ে পালিয়ে যায়। সকাল বেলা গ্রামবাসীরা এই সাইনবোর্ড দেখতে পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন।তারা সম্পূর্ণ বিষয়টি তদন্ত করে দেখেছে এক টাকার ও কাজ না করে সম্পূর্ণ টাকা গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। একইভাবে এই এলাকায় একটি ব্রিক সলিং এর ও কাজ না করে সম্পূর্ণ টাকা গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। দুটি ড্রেইন এবং একটি ব্রিকসলিং সর্বমোট প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা কাজ না করে আত্মসাৎ করে ফেলেছে আই ও। গ্রামবাসীরা সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছে যত টাকা সরকার দিয়েছে সব টাকা র কাজ করতে হবে। না হলে আগামীকাল তারা এলাকার সমস্ত অংশের মানুষকে নিয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। গ্রামবাসীরা প্রশ্ন তুলেছে এই বুঝি সুশাসন? এই বুঝি সব কা সাথ সবকা বিকাশ? গ্রামবাসীরা ব্যঙ্গ করে বলেছে এটা বিকাশ নয় এটা বিনাশ হয়েছে আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে। পাশাপাশি গ্রামবাসীরা আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে ও একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন গ্রামের কোন মানুষ কোন বিষয় নিয়ে প্রধানের বাড়িতে গেলে তার বাড়ির গেটের সামনে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়। এই বুঝি একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব প্রতিপালন প্রশ্ন তুলেছে গ্রামবাসীরা। আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে দুর্নীতির পাহাড়। এবার আড়ালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত কে ছাড়া হবে না সংবাদ মাধ্যমের সরাসরি জানিয়েছে রাজীব কলোনি গ্রামের মানুষ।

যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু | Newstoplink.com