Tags

Share this article

গাড়িতে ৪০ লাখ টাকা সহ আটক ৫ জন !

গাড়িতে ৪০ লাখ টাকা সহ আটক ৫ জন !

নিজস্ব প্রতিনিধি: শনিবার রাতে কমলপুর মহকুমার দুর্গা চৌমুহনী এলাকায় পুলিশের নাকা চেকিং চলাকালীন একটি সন্দেহভাজন বোলেরো গাড়ি থেকে নগদ ৪০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় গাড়িতে থাকা পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কমলপুর ট্রাফিক ইনচার্জ পঙ্কজ দেবনাথ এবং কমলপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সুমন আচার্যের যৌথ নেতৃত্বে দুর্গা চৌমুহনী এলাকায় নাকা চেকিং চলছিল। সেই সময় ধর্মনগর থেকে আগরতলাগামী একটি প্রাইভেট বোলেরো গাড়ি, যার নম্বর TR 01 CD 0692, সন্দেহ হওয়ায় সেটিকে থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির সময় গাড়ি থেকে নগদ ৪০ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়।আটক ব্যক্তিদের বয়স ১৮ থেকে ৩৩ বছরের মধ্যে বলে জানা গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা দাবি করেছেন, উদ্ধার হওয়া টাকা সুপারি ব্যবসার লেনদেনের টাকা। তবে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের বক্তব্যে কিছু অসংগতি লক্ষ্য করা গেছে বলে জানা যায়। পাঁচজনের বাড়ি রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় হওয়ায় এবং টাকার উৎস সম্পর্কে তাদের বক্তব্যে অসামঞ্জস্য থাকায় বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ৪০ লক্ষ টাকা মেশিনের মাধ্যমে গণনা করা হয়। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন কমলপুর মহকুমার ডিসিএম অদিতি দাস, কমলপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সৌরভ দাস, কমলপুর থানার পুলিশ অফিসার কপিল পাল-সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিক ও সাব-ইন্সপেক্টররা। উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থের উৎস কোথায়, কোন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এই টাকা এসেছে এবং এর পেছনে কোনো চক্র জড়িত রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়ার পরই টাকার প্রকৃত উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া ৪০ লক্ষ টাকা এবং আটক পাঁচজনকে আগামীকাল আদালতে সোপর্দ করা হবে।
 রিজনাল কনফারেন্স উপলক্ষে রোড সেফটি সচেতনতা কর্মসূচি

রিজনাল কনফারেন্স উপলক্ষে রোড সেফটি সচেতনতা কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিনিধি: দ্য ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব অফিসার্স-এর ত্রিপুরা রাজ্য শাখা এবং রাজ্য মহিলা শাখার উদ্যোগে আসন্ন রিজনাল কনফারেন্সকে সামনে রেখে রোড সেফটি বা পথ নিরাপত্তা বিষয়ে একটি বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।সড়ক দুর্ঘটনা রোধ, ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে পথ নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলাই ছিল এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। বিশেষ করে গাড়ি চালানোর সময় হেলমেট ও সিটবেল্ট ব্যবহার, নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলা এবং ট্রাফিক নিয়ম অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান সময়ে সড়ক দুর্ঘটনা একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সমস্যা। সামান্য অসচেতনতার কারণে অনেক সময় প্রাণহানি ও গুরুতর দুর্ঘটনা ঘটে। তাই নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।আগামী ২৬ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে দ্য ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব অফিসার্স-এর রিজনাল কনভেনশন। সেই কনভেনশনকে সামনে রেখেই রোড সেফটি নিয়ে এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কনভেনশনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।রোড সেফটি কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে বার্তা দেওয়া হয়—সড়কে প্রত্যেকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং অন্যের জীবন ও নিরাপত্তার প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া অত্যন্ত জরুরি।
 নাবালিকা অপহরন মামলায় ধৃত ১

নাবালিকা অপহরন মামলায় ধৃত ১

নিজস্ব প্রতিনিধি: অপহরনের মামলা দায়ের করার পর আমতলী থানার পুলিশ নাবালিকা মেয়েকে উদ্ধার সহ অপহরণকারীকে জালে তুলতে তেলিয়ামুড়া থানার অন্তর্গত খাশিয়ামঙ্গল দয়ারাম পাড়া এলাকায় অপহরণকারীর নিজ বাড়িতে অভিযান চালালেও নাবালিকা মেয়েটিকে নিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত অপহরণকারী! জানা গেছেন গত ১০ দিন আগে আমতলী থানার অন্তর্গত কাঞ্চনমালা এলাকার ১৪ বছরের এক নাবালিকা মেয়েকে বিভিন্ন প্রলোবন দেখিয়ে অপহরণ করে তেলিয়ামুড়া থানা এলাকার খাশিয়ামঙ্গল দয়ারামপাড়া এলাকার রবি দেববর্মার ছেলে জনি দেববর্মা। এই বিষয়ে নাবালিকা মেয়েটির বাবা আমতলী থানায় অভিযুক্ত রনি দেববর্মার বিরুদ্ধে লিখিত আকারে অপহরণের মামলা দায়ের করে। এরপরেই অপহরণকারীকে গ্রেপ্তারসহ নাবালিকা মেয়েটিকে উদ্ধারে তারপর হয়ে উঠে আমতলী থানার পুলিশ। অবশেষে রবিবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমতলী থানার পুলিশ তেলিয়ামুড়া দয়ারামপাড়া স্থিত অপহরণকারী রনি দেববর্মার বাড়িতে হানা দেয় আমতলী থানা এবং তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ। যদিও দূর থেকে পুলিশের গাড়ি দেখতে পেয়ে অভিযুক্ত অপহরণকারী রনি দেববর্মা ওই নাবালিকা মেয়েটিকে নিয়ে গভীর জঙ্গলে পালিয়ে যায়। এরপর পুলিশ দীর্ঘক্ষন ধরে গোটা এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায় নাবালিকা মেয়েটিকে উদ্ধার সহ অভিযুক্ত অপহরণকারীকে গ্রেপ্তারের জন্য কিন্তু কোথাও তাদের হদিস পাওয়া যায়নি। এ দিনের এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আমতলী থানার অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর গোপাল দাস। একদিন তাদেরকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে পুলিশ অভিযুক্ত অপহরণকারীর মা-বাবাকে প্রশ্ন করে যে এই ধরনের একটি ঘটনা ঘটিয়ে নাবালিকা মেয়েটিকে নিয়ে অভিযুক্ত অপহরণকারী জনি দেববর্মা আত্ম গোপন করে আছে কিন্তু তারা কেন বিষয়টি পুলিশকে অবগত করেনি, যদিও পুরুষের এই প্রশ্নের কোন সঠিক জবাব দিতে পারেনি অভিযুক্ত জনি দেববর্মার মা বাবা। এদিন সাংবাদিকদের ক্যামেরার মুখোমুখি হয়ে ঘটনাটি স্বীকার করেছে অভিযুক্ত জনি দেববর্মার মা। এই ঘটনায় নাবালিকা মেয়েটির পরিবারসহ স্থানীয় এলাকাবাসীদের দাবি আমতলী থানার পুলিশ যেন অভিযুক্ত জনি দেববর্মার বিরুদ্ধে দ্রুত অপহরণের মামলা নথিভুক্ত করে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার সহ নাবালিকা মেয়েটিকে উদ্ধার করার ব্যবস্থা করে।
নিয়ম-নীতি মেনে রাজ্যে পালিত বিশ্বকর্মা পূজা

নিয়ম-নীতি মেনে রাজ্যে পালিত বিশ্বকর্মা পূজা

নিজস্ব প্রতিনিধি: নিয়ম-নীতি ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান মেনে দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার পূজা অনুষ্ঠিত হলো ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। ভাদ্র মাসের শেষের দিকে প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী মহলের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয় বিশ্বকর্মা পূজা।দেবশিল্পী বিশ্বকর্মাকে কারিগরি, নির্মাণ ও শিল্পকর্মের দেবতা হিসেবে শ্রদ্ধার সঙ্গে আরাধনা করা হয়। বিশেষ করে যাঁরা বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি, যানবাহন, নির্মাণকাজ, কারিগরি পেশা ও শিল্পের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের কাছে এই পূজার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় দুই চাকার যানবাহন থেকে শুরু করে চার চাকার গাড়ি, বিভিন্ন ধরনের মেশিনপত্র, যন্ত্রপাতি ও কর্মস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে সাজিয়ে বিশ্বকর্মার আরাধনা করা হয়। অনেক জায়গায় পূজাকে কেন্দ্র করে ছোটখাটো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রসাদ বিতরণেরও আয়োজন করা হয়।সকাল থেকেই বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ ও কর্মস্থলে ভক্তদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পুরোহিতদের মন্ত্রোচ্চারণ ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় পূজার মূল পর্ব। নিজেদের কর্মক্ষেত্রে উন্নতি, সাফল্য, নিরাপত্তা এবং যন্ত্রপাতির সুষ্ঠু ব্যবহারের জন্য দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার কাছে প্রার্থনা করেন কর্মজীবী মানুষরা।বিশ্বকর্মা পূজাকে ঘিরে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়। কর্মজীবী মানুষ থেকে শুরু করে যানবাহনের মালিক, চালক, কারিগর এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে এই পূজায় অংশগ্রহণ করেন।
 বুলডোজার ‘হাতিয়ে নেওয়ার চক্রান্তের’ অভিযোগে চাঞ্চল্য ধর্মনগরে!তদন্তে পুলিশের দিকে তাকিয়ে মালিক

বুলডোজার ‘হাতিয়ে নেওয়ার চক্রান্তের’ অভিযোগে চাঞ্চল্য ধর্মনগরে!তদন্তে পুলিশের দিকে তাকিয়ে মালিক

নিজস্ব প্রতিনিধি:চুরি হয়ে যাওয়া একটি বুলডোজার উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধর্মনগরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুলডোজারটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর পরিবর্তন এবং সেটিকে অন্যভাবে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় অভিযোগের তীর বুলডোজারটি ভাড়া নেওয়া শাসকদলীয় যুব মোর্চার তথাকথিত ধর্মনগরের এক সিকি নেতা তথা ঠিকাদার দীপন নাথের বিরুদ্ধে । তবে অভিযোগের সত্যতা তদন্ত সাপেক্ষে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, কালাছড়ার বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস, পিতা আব্দুর শহিদ, তাঁর নিজ নামে নিবন্ধিত TR 02L1838 নম্বরের একটি বুলডোজার গত ২ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে ধর্মনগর রাজবাড়ী মণ্ডপপাড়া এলাকার বাসিন্দা ঠিকাদার দীপন নাথ, পিতা মান্তু নাথের ঠিকাদারি সংস্থা ডি এন কনস্ট্রাকশন-এর কাছে মাসিক ভাড়ায় দেন। কয়েক মাস চলার পর গত ২৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে বুলডোজারটির মালিক আব্দুল কুদ্দুসকে জানানো হয় যে, সাতচাঁদ-মনুবাজার এলাকার পার্থজিৎ চক্রবর্তীর বাড়ির কাছ থেকে তাঁর বুলডোজারটি চুরি হয়ে গেছে। এরপর ২৮ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে মনুবাজার থানায় এ বিষয়ে একটি জিডি এন্ট্রি করেন বুলডোজারের মালিক। পুলিশ দীর্ঘদিন তদন্ত ও খোঁজাখুঁজি করেও বুলডোজারটির সন্ধান না পাওয়ায় পরবর্তীতে আদালতে শর্তসাপেক্ষে ফাইনাল রিপোর্ট পেশ করে বলে দাবি মালিকের। এরপরও বুলডোজারটির সন্ধানে নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন আব্দুল কুদ্দুস। অবশেষে শুক্রবার রাতে গোপন সূত্রে তিনি খবর পান, তাঁর চুরি যাওয়া বুলডোজারটি ধর্মনগর দক্ষিণ হুরুয়া এলাকার একটি সয়াবিন ফ্যাক্টরির আশপাশে পার্ক করে রাখা হয়েছে।খবর পাওয়ার পর আব্দুল কুদ্দুস ধর্মনগর থানায় বিষয়টি জানান। পরে পুলিশের সহযোগিতায় সেখানে অভিযান চালিয়ে বুলডোজারটি উদ্ধার করে ধর্মনগর থানায় নিয়ে আসা হয়। তবে উদ্ধার হওয়া বুলডোজারটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। মালিকের দাবি, তাঁর বুলডোজারের আসল রেজিস্ট্রেশন নম্বর TR 02L1838। অথচ উদ্ধার হওয়া বুলডোজারটিতে বর্তমানে NL 04DA0049 নম্বর লেখা রয়েছে। আব্দুল কুদ্দুসের দাবি, বর্তমান রেজিস্ট্রেশন নম্বরের সঙ্গে বুলডোজারটির চেসিস ও ইঞ্জিন নম্বরের মিল নেই। অন্যদিকে তাঁর নামে থাকা TR 02L1838 নম্বরের নথির সঙ্গে চেসিস ও ইঞ্জিন নম্বরের মিল রয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুলডোজারটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর পরিবর্তন এবং মালিকানা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে।আব্দুল কুদ্দুসের আরও অভিযোগ, শুক্রবার রাতে যে স্থান থেকে বুলডোজারটি উদ্ধার করা হয়, সেখানে বুলডোজারটির আশপাশে বুলডোজারটি ভাড়া নেওয়া ঠিকাদার দীপন নাথের দুটি ব্যক্তিগত গাড়ি দাঁড়ানো অবস্থায় ছিল। এছাড়াও উদ্ধার হওয়া বুলডোজারটির বর্তমান রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি ডি এন কনস্ট্রাকশন-এর নামে করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন আব্দুল কুদ্দুস। তাঁর দাবি, বুলডোজারটি ভাড়া নেওয়া ঠিকাদার দীপন নাথই ওই সংস্থার মালিক। সমস্ত অভিযোগের ভিত্তিতে আব্দুল কুদ্দুসের দাবি, চুরি যাওয়ার ঘটনার আড়ালে বুলডোজারটি অন্যভাবে হাতিয়ে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। ঘটনাকে ঘিরে এখন মূল প্রশ্ন—কীভাবে বুলডোজারটি চুরি যাওয়ার পর অন্যত্র পৌঁছাল, তার রেজিস্ট্রেশন নম্বর কেন পরিবর্তিত অবস্থায় পাওয়া গেল এবং এর পেছনে কারা জড়িত। পুরো বিষয়টি তদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে। এখন দেখার বিষয়, ধর্মনগর থানার পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটন করতে পারে কি না।
পরিবহন দপ্তরের উদ্যোগে বিশ্বকর্মা পুজো, এবারের থিম ‘রোড সেফটি

পরিবহন দপ্তরের উদ্যোগে বিশ্বকর্মা পুজো, এবারের থিম ‘রোড সেফটি

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার আরাধনায় মেতে উঠল ত্রিপুরা পরিবহন দপ্তর। পরিবহন দপ্তরের উদ্যোগে আগরতলার ত্রিপুরা পরিবহন নিগমের মুখ্য কার্যালয় প্রাঙ্গণে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বকর্মা পুজো। প্রতিবছরের মতো এবছরও কর্মীদের পাশাপাশি পরিবহন দপ্তরের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন মহলের উপস্থিতিতে পালিত হয় এই পুজো।এবারের বিশ্বকর্মা পুজোর বিশেষ আকর্ষণ ছিল ‘রোড সেফটি’ বা সড়ক নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে সাজানো বিভিন্ন সচেতনতামূলক থিম। গাড়ি চালানোর সময় কী কী নিয়ম মেনে চলা উচিত, তার পাশাপাশি ড্রিঙ্ক অ্যান্ড ড্রাইভ, নির্ধারিত গতিসীমা, ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং নিরাপদভাবে যানবাহন চালানোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতেই এই উদ্যোগ বলে জানা যায়।এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পরিবহন দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। তিনি স্বপরিবারে পরিবহন দপ্তরের পুজো প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখেন এবং বিশ্বকর্মা দেবের আরাধনায় অংশ নেন। পাশাপাশি পুজো উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন সচেতনতামূলক থিম ও প্রদর্শনীও ঘুরে দেখেন তিনি।বিশ্বকর্মা পুজোর এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার আরাধনা করা হয়েছে, অন্যদিকে সড়ক নিরাপত্তার বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
 উদয়পুর রেলস্টেশন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১৫ বছরের এক কিশোরকে!

উদয়পুর রেলস্টেশন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১৫ বছরের এক কিশোরকে!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সম্ভবত দু’দিন আগে বাড়ির কাউকে না জানিয়ে সে বেরিয়ে পড়েছিল। বৃহস্পতিবার উদয়পুর রেলস্টেশন চত্বরে তাকে দেখতে পাওয়া যায়।বিষয়টি নজরে আসার পর চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির উদ্যোগে কিশোরটিকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও নিজের পরিচয়, বাড়ির ঠিকানা কিংবা পরিবারের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে সে অনীহা প্রকাশ করে।প্রাথমিকভাবে কিশোরের কথাবার্তা থেকে ধারণা করা হচ্ছে, তার বাড়ি তেলিয়ামুড়া এলাকায় হতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত তার পরিচয় ও পরিবারের বিষয়ে নিশ্চিত কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।কিশোরটির কাছ থেকে প্রকৃত পরিচয় ও পরিবারের তথ্য জানার জন্য কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে কথা বলার চেষ্টা করছে চাইল্ড লাইন। একইসঙ্গে পরিবারের সন্ধান পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পরিবারের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন করে কিশোরটিকে তার স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়াই এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রধান লক্ষ্য।
চুরির আতঙ্কে আরেক নাম বিশালগড়?

চুরির আতঙ্কে আরেক নাম বিশালগড়?

 নিজস্ব প্রতিনিধি: মঙ্গলবার রাতে বিশালগড় বিওসি সংলগ্ন সড়কে পাশে ঢাকেশ্বরী জুয়েলারি মালিক গৌতম ধর দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যান পরের দিন ছিল সাপ্তাহিক বন্ধ। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি দোকানে এসে দেখতে পান দোকানের পেছনের ওয়াল ভেঙ্গে চোরের দল রুপার জিনিস সহ অন্যান্য জিনিস নিয়ে পালিয়ে যায় চোর। পরবর্তী সময়ে তিনি বিষয়টি বিশালগড় থানায় জানান কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল বিশালগড় থানায় জানানো হওয়ার পর চুরির ঘটনা তদন্ত করার জন্য আসেনি থানার পুলিশ বাবুরা। এতে বুঝা যায় চুরের সঙ্গে পুলিশের গোপন সংযোগ রয়েছে যার ফলে বিশালগড় অত্র এলাকায় বৃদ্ধি পাচ্ছে চুরির ঘটনা এবং ছিনতাই এর ঘটনা। বিশালগড় থানার বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত খবর প্রকাশিত হওয়ার পর ঘুম ভাঙ্গেনি জেলা পুলিশ সুপারের। তবে বলাই বাহুল্য আগরতলা এবং অন্যান্য জায়গাতে চুরির ঘটনা ঘটে পুলিশ যথাযথ সময় তদন্ত শুরু করে এবং চুরির জিনিস এবং চোরকে আটক করতে সক্ষম হয় আর বিশালগড় থানার পুলিশ নাকে তেল দিয়ে ঘুমিয়ে রয়েছে। তবে বিশালগড় থানার কিছু অপদার্থতা পুলিশ কর্মীদের কর্তব্যের গাফিলতি ফলে বৃদ্ধি পাচ্ছে এই ধরনের ঘটনা তবে বাঁকা পথে কত কামাইয়ের জন্য শীর্ষস্থানে রয়েছে বিশালগড় থানার পুলিশ।
সহানুভূতি নয়, দিব্যাঙ্গজনের চাই ক্ষমতায়ন: রতন লাল নাথ

সহানুভূতি নয়, দিব্যাঙ্গজনের চাই ক্ষমতায়ন: রতন লাল নাথ

আগরতলা: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে উন্নয়নের সুফল সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে এবং উন্নয়নের ধারায় কেউ পিছিয়ে থাকবে না।মোহনপুরের দক্ষিণ তারানগর গ্রাম পঞ্চায়েতে ভারত সরকারের রাষ্ট্রীয় বয়শ্রী যোজনা (RVY) এবং দিব্যাঙ্গজন ব্যক্তিদের সহায়তা প্রকল্প (ADIP)-এর আওতায় আয়োজিত ৭৬তম সামাজিক অধিকারিতা শিবিরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী রতন লাল নাথ এ কথা বলেন।দিব্যাঙ্গজনদের কল্যাণে কেন্দ্রের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহানুভূতির পরিবর্তে দিব্যাঙ্গজনদের ক্ষমতায়ন ও স্বনির্ভরতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ‘দিব্যাঙ্গ’ শব্দটি তাঁদের মর্যাদা ও সক্ষমতার প্রতিফলন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, দিব্যাঙ্গজনদের প্রতি সামাজিক সংবেদনশীলতা এবং তাঁদের স্বনির্ভর করে তুলতে সমাজের সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব রয়েছে। সরকারি প্রকল্পগুলির সুফল যাতে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে সামাজিক সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের কথাও এদিন তুলে ধরেন রতন লাল নাথ।তিনি বলেন, সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে প্রধানমন্ত্রী মোদি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে জনজীবনে প্রায় ২৫ বছর পূর্ণ করেছেন।কেন্দ্রের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জনধন যোজনা, প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা এবং স্বচ্ছ ভারত অভিযান সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। জনধন যোজনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকারি সহায়তা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভরতা কমেছে বলেও তিনি জানান।উজ্জ্বলা যোজনার মাধ্যমে মহিলাদের ও পরিবারগুলিকে এলপিজি সংযোগ দেওয়া এবং স্বচ্ছ ভারত অভিযানের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী।তিনি আরও বলেন, আবাসন ও পানীয় জলের সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সরকার একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।রতন লাল নাথ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে জনকল্যাণে একের পর এক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। উন্নয়নের সুফল সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই সরকারের লক্ষ্য। এই উন্নয়নের পরিধির বাইরে যেন প্রবীণ নাগরিক এবং দিব্যাঙ্গজনরাও না থাকেন, তা নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
কর্তব্যে গাফিলতি সহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত বড়মুড়া নারেং জমি উচ্চ বিদ্যালয়,উদাসিং সংশ্লিষ্ট দপ্তর!

কর্তব্যে গাফিলতি সহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত বড়মুড়া নারেং জমি উচ্চ বিদ্যালয়,উদাসিং সংশ্লিষ্ট দপ্তর!

নিজস্ব প্রতিনিধি:ত্রিপুরা স্ব শাসিত জেলা পরিষদ অর্থাৎ জনজাতি অধ্যুষিত এলাকার শিক্ষা ব্যবসার প্রতি,জাতির প্রেমের মতো প্রেন না লক্ষ্য করা যায় প্রশনায়,অবকাঠামো সহ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে।আবারো এমনই এক দৃশ্য ওঠে এলো পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার বেলবাড়ি ব্লকের অধীন ইন্সপেক্টর অফ স্কুল বেলবাড়ি এর অধীন বড়মুড়া নারেঙ জমি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক শিক্ষিকাদের কর্তব্যে গাফিলতির বিষয় নিত্য দিনের,ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মাস্টার বাবুদের দেখা যায় না।পাশাপাশি পানীয় জল সহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত বিদ্যালয়টি।পরে চরম বেহাল দশা পড়াশোনার,অন্ধকারে আগামীর ভবিষ্যত,পাহাড়ে সম্পূর্ণ উদাসীন সংশ্লিষ্ট দপ্তর,মাঠ পর্যায়ের ইন্সপেক্টর অফ স্কুল বেলবাড়ি।গোটা বিষয় নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিস্তারিত জানান কর্তিপক্ষ্য এবং সমাধানের দাবি জানান ।
সংবর্ধিত হলেন টি এস আরের জওয়ান যোগেন্দ্র মারাক | Newstoplink.com