Tags

Share this article

পাওয়ার লিফটিং খেলায় জাতীয় আসরে ত্রিপুরার নাম উজ্জ্বল করলো অভিজিৎ

পাওয়ার লিফটিং খেলায় জাতীয় আসরে ত্রিপুরার নাম উজ্জ্বল করলো অভিজিৎ

নিজস্ব প্রতিনিধি ... ত্রিপুরার নাম উজ্জ্বল করল দরিদ্র পরিবারের ছেলের সাফল্যে খুশি বাবা মা । তার নাম অভিজিৎ দে । সে বির বিক্রম মেমোরিয়াল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র । তার বাড়ি যোগেন্দ্রনগর আদর্শ কলোনি এলাকায় । অন্ধ্র প্রদেশের আমালাপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল জাতীয় সাব জুনিয়র এবং জুনিয়র পাওয়ার লিফটিং প্রতিযোগিতা। নজির গড়েন অভিজিৎ দে। জুনিয়র বিভাগে ৫৩ কে জিতে স্বর্ণ পদক জয়ের পাশাপাশি জাতীয় রেকর্ড করেন অভিজিৎ। ১৭৫ কে জি তুলে। প্রায় ৪০ বছর পর রাজ্যের কোনো খেলোয়াড় জাতীয় রেকর্ড করার গৌরব অর্জন করেন।
শান্তির বাজার জেলা হাসপাতাল পরিদর্শনে আসে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধির দল

শান্তির বাজার জেলা হাসপাতাল পরিদর্শনে আসে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধির দল

নিজস্ব প্রতিনিধি : চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানে অনেকটা এগিয়ে রয়েছে শান্তির বাজার জেলা হাসপাতাল। জেলা হাসপাতালের কয়েকজন চিকিৎসক দিবারাত্র অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে জেলাহাসপাতালের উন্নয়ন করেযাচ্ছে। উনারা প্রতিনিয়ত জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রুগি ও জেলা হাসপাতালে আগত রুগিদের সঠিকভাবে চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানকরে সুস্থ করেতুলছে। শুধুমাত্র চিকিৎসা পরিষেবা নয় উনারা নিজেদের পরিশ্রমের মধ্যদিয়ে শান্তির বাজার জেলাহাসপাতালের সার্বিক উন্নয়নকরেযাচ্ছে। চিকিৎসকদের পরিশ্রমের ফলে জাতীয় স্তরের সহায়তা পেতে যাচ্ছে শান্তির বাজার জেলাহাসপাতাল। জাতীয়স্তরের সহযোগীতার জন্য সোমবার শান্তির বাজার জেলাহাসাপাতাল পরিদর্শনে আসে এন কোয়াস টিম। তিন জনের প্রতিনিধিদল হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন। তিনদিন যাবৎ চলবে এইপরিদর্শন। পরিদর্শন শুরুর পূর্বে আগত প্রতিনিধিদলের সদস্যদের আনুষ্ঠিকভাবে বরন করেনেওয়াহয়। পরবর্তীসময় জেলাহাসপাতালের বিভিন্ন পরিকাঠামোর দিকগুলো সম্পর্কে জানান দেওয়াহয়। আলোচনা শেষে তিনজনের প্রতিনিধির দল জেলা হাসপাতালের বাইরে ও ভিতরের বাভিন্নদিকগুলি পরিদর্শন করেন। এই পরিদর্শনকালে সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের বাধাদানকরে সাব্রুম মহকুমার রূপাইছড়ী প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রর মেডিকেল অফিসার রাহুল দাস। রাহুল দাস শান্তির বাজর জেলা হাসপাতালের উন্নয়ন চাইছেনা তাই জেলাহাসাতালে সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া কর্মরত সাংবাদিকদের দুরব্যাবহার করছে বলে অভিযোগ। রূপাইছড়ী স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পথেকে অর্থ নয়ছয় করার অভিযোগ রয়েছে রাহুল দাসের বিরুদ্ধে। আজকেরদিনে শান্তির বাজার জেলা হাসপাতলে এসে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টিকরতে প্রয়াস চালিয়েগেছে মেডিকেল অফিসার ডাক্তার রাহুল দাস। উনার এইধরনের কার্যকলাপে সকলের মধ্যে ছিঃ ছি রব উঠেছে। লোকগুঞ্জনে শুনাযাচ্ছে ডাক্তার রাহুল দাস এনকোয়াস টিমের ভিজিটে বাধাদানকরে জেলাহাসপাতালের বদনাম করতে প্রয়াসচালিয়েযাচ্ছে। এইধরনের অফিসারকে আজকের এইগুরুত্ব দিনে জেলাহাসপাতালে রখাহয়েছে তানিয়ে লোকজনেরা প্রশ্নকরতে শুরুকরেছে। আজকের এই সার্বিক পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন এনকোয়াস টিমের সদস্য সুনিত শ্রীবাস্তব, রেনুকা সিন্দে, অঙ্কীতা নাথ, দক্ষিন জেলার জেলাসভাধিপতি দীপক দত্ত, শান্তির বাজার বিধানসভার বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং, শান্তির বাজার পুরপরিষদের চেয়ারম্যান সপ্নাবৈদ্য, ভাইসচেয়ারম্যান সত্যব্রত সাহা, শান্তির বাজার জেলাহাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত মেডিকেল অফিসার লুফাং মগ, দক্ষিনজেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জে এম দাস। শান্তির বাজার জেলাহাসপাতালে এন কোয়াস টিমের আগমনকে কেন্দ্রকরে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা লক্ষ্যকরাযায়। সকলে চাইছে শান্তির বাজারজেলা হাসপাতালের সার্বিক উন্নয়নহোক।
২৫% জমিতে প্রাকৃতিক চাষের ডাক কৃষিমন্ত্রীর

২৫% জমিতে প্রাকৃতিক চাষের ডাক কৃষিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিনিধি : বিলোনিয়ায় ৮.১৭ কোটির ৩ কৃষি প্রকল্প চালু | ২৫% জমিতে প্রাকৃতিক চাষের ডাক কৃষিমন্ত্রীর | রাজনগর ও বিসি নগরে ট্রেনিং সেন্টার উদ্বোধন। বিলোনিয়া মহকুমায় কৃষি পরিকাঠামোয় বড় বিনিয়োগ। একইদিনে ৮ কোটি ১৭ লক্ষ টাকার তিনটি প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন কৃষিমন্ত্রী রতন লাল নাথ। কৃষকদের প্রাকৃতিক চাষে উৎসাহ দিলেন মন্ত্রী।আজ রাজনগর ব্লকের পাশে ৩ কোটি ১২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এগ্রি ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ-কাম-ট্রেনিং সেন্টারের উদ্বোধন হয়। একইদিনে বিলোনিয়া ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের পাশে ১ কোটি ৯৪ লক্ষ টাকার কৃষি উপ-অধিকর্তার কার্যালয় এবং বিসি নগরে ৩ কোটি ১১ লক্ষ টাকার আরও একটি ট্রেনিং সেন্টার চালু হল।কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করতে আমরা বদ্ধপরিকর। যন্ত্রপাতি থেকে প্রশিক্ষণ, সব দিচ্ছে সরকার। আমি অনুরোধ করব, রাসায়নিক সার কমিয়ে অন্তত ২৫ শতাংশ জমিতে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চাষ করুন। জমি ফেলে রাখবেন না। ‘ক্ষেত বাঁচাও অভিযান’-এ সামিল হোন। অনুষ্ঠানে দক্ষিণ ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাধিপতি দীপক দত্ত, বিধায়ক স্বপ্না মজুমদার সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা কৃষকদের সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিতে বলেন। সভাপতিত্ব করেন রাজনগর পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ নাথ। স্বাগত ভাষণ দেন কৃষি অধিকর্তা ড. ফণিভূষণ জমাতিয়া।নতুন এই তিনটি কেন্দ্রের মাধ্যমে বিলোনিয়া মহকুমার কৃষকরা আধুনিক চাষের প্রশিক্ষণ ও গবেষণার সুযোগ পাবেন বলে আশা প্রশাসনের।
আগরতলা পুর নিগম ৯৭৫ কোটি ৯১ লক্ষ টাকার বাজেট পেশ

আগরতলা পুর নিগম ৯৭৫ কোটি ৯১ লক্ষ টাকার বাজেট পেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি : ২০২৬-২৫ অর্থবছরে আগরতলা পুর নিগম ৯৭৫ কোটি ৯১ লক্ষ টাকার বাজেট পেশ করেছে। বাজেটে ঘাটতি ৯৭ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা। তবে নতুন কোনও কর আরোপের প্রস্তাব রাখা হয়নি বলে জানিয়েছেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার।আজ আগরতলা পুর নিগমের কনফারেন্স হলে আয়োজিত সভায় মেয়র পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেন। এদিন তিনি জানান, শহরবাসীর সার্বিক উন্নয়ন, নাগরিক পরিষেবার মানোন্নয়ন এবং অবকাঠামোগত অগ্রগতিকে অগ্রাধিকার দিয়েই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।মেয়র বলেন, পুর নিগমের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো ই-বাজেট পেশ করা হয়েছে। রাজস্ব খাতে উদ্বৃত্ত থাকলেও মূলধনী খাতে অধিক ব্যয়ের কারণে সামগ্রিকভাবে ৯৭ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তবে উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনও প্রভাব পড়বে না বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।বাজেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অবকাঠামো উন্নয়নে জোর দিয়ে মূলধনী ব্যয়ে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। পাশাপাশি অর্থায়নের নতুন উৎস হিসেবে ১০০ কোটি টাকার মিউনিসিপ্যাল বন্ড চালুর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এছাড়া বহিঃসহায়তাপ্রাপ্ত ও কেন্দ্রীয় সহায়তাপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলির ধারাবাহিক বাস্তবায়নের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। নিজস্ব রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর ও অন্যান্য নির্ধারিত রাজস্ব উৎসকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনাও বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।মেয়র দীপক মজুমদার জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের এই বাজেট একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও দূরদর্শী আর্থিক কৌশলের প্রতিফলন। টেকসই নগর উন্নয়ন, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং নাগরিক পরিষেবার সম্প্রসারণকে কেন্দ্র করেই বাজেটটি প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রত্যাশিত রাজস্ব উদ্বৃত্ত ভবিষ্যতে নগর উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
 ত্রিপুরা রুরাল ইকোনমিক গ্রোথ অ্যান্ড সার্ভিস ডেলিভারি প্রজেক্ট (TRESP)-এর ৬ষ্ঠ ইমপ্লিমেন্টেশন সাপোর্ট মিশন (ISM) এবং মিড-টার্ম রিভিউ (MTR) আজ আগরতলায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে

ত্রিপুরা রুরাল ইকোনমিক গ্রোথ অ্যান্ড সার্ভিস ডেলিভারি প্রজেক্ট (TRESP)-এর ৬ষ্ঠ ইমপ্লিমেন্টেশন সাপোর্ট মিশন (ISM) এবং মিড-টার্ম রিভিউ (MTR) আজ আগরতলায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে

১ জুন ,২০২৬....বিশ্বব্যাঙ্ক অর্থায়িত ত্রিপুরা রুরাল ইকোনমিক গ্রোথ অ্যান্ড সার্ভিস ডেলিভারি প্রজেক্ট (TRESP)-এর ৬ষ্ঠ ইমপ্লিমেন্টেশন সাপোর্ট মিশন (ISM) এবং মিড-টার্ম রিভিউ (MTR) আজ আগরতলায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। দিনভর দুটি গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রকল্পের অগ্রগতি, সাফল্য, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।সকাল ১১টায় প্রজ্ঞা ভবনের হল নং-৪-এ ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার বিভাগের সচিব ড. কে. শশীকুমার, আইএফএস-এর সভাপতিত্বে কিক-অফ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাঙ্কের টাস্ক টিম লিডার মিস প্রীতি কুমার, প্রজেক্ট ডিরেক্টর সুভাশিস দাস, বিভিন্ন সেক্টরের বিশ্বব্যাঙ্ক বিশেষজ্ঞ, সাতটি লাইন বিভাগের ঊর্ধ্বতন আধিকারিক, পিআইইউ-র প্রোগ্রাম ম্যানেজার এবং সাপোর্ট এজেন্সির প্রতিনিধিরা।বৈঠকে ট্রেসপের চিফ অপারেটিং অফিসার শ্রী গজেন্দ্র ভার্মা প্রকল্পের বিভিন্ন ভার্টিক্যালের সামগ্রিক অগ্রগতি ও অর্জনের বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন। বিশ্বব্যাঙ্ক দলের সদস্যরা শিক্ষা, জীবিকা, কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, সড়ক ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।পরবর্তীতে বিকেল ৪টায় রাজ্য সচিবালয়ের হল নং-২-এ মুখ্যসচিব শ্রী জে. কে. সিনহা, আইএএস-এর সভাপতিত্বে ৬ষ্ঠ ইমপ্লিমেন্টেশন সাপোর্ট মিশনের উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিশ্বব্যাঙ্কের টাস্ক টিম লিডার মিস প্রীতি কুমার প্রকল্পের সামগ্রিক অগ্রগতিকে “Moderately Satisfactory” বলে অভিহিত করেন এবং গত ছয় মাসে ট্রেসপের কৌশলগত অগ্রগতি ও গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন অর্জনের প্রশংসা করেন।বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয় যে কমিউনিটি ইনস্টিটিউশনগুলির প্রায় ৬০ শতাংশকে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে অ্যাগ্রিগেশন, কালেক্টিভ মার্কেটিং এবং প্রডিউসার গ্রুপগুলিকে টেকসই ব্যবসায়িক মডেলের মাধ্যমে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে প্রকল্প উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।বিশ্বব্যাঙ্ক দল প্রকল্পের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য কঠোর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং কাজের চাপ অনুযায়ী ক্লাস্টার পর্যায়ে মানবসম্পদ মোতায়েনের উপর গুরুত্বারোপ করে। পাশাপাশি, ট্রেসপ বাস্তবায়নে রাজ্য সরকারের সুসংগঠিত সহযোগিতা ও বিভিন্ন বিভাগের সমন্বিত প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করা হয়।মুখ্যসচিব শ্রী জে. কে. সিনহা প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজ্য সরকারের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, অর্থ, লজিস্টিক, অবকাঠামো বা মানবসম্পদ সংক্রান্ত কোনো প্রয়োজন দেখা দিলে সরকার তা যথাসম্ভব পূরণ করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে নির্বাচন আচরণবিধি এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কিছু ক্ষেত্রে কাজের গতি প্রভাবিত হলেও আগামী দিনে প্রকল্প আরও দ্রুত অগ্রসর হবে বলে তিনি আশাবাদী।২০২৪ সালে শুরু হওয়া ছয় বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের জন্য মিড-টার্ম রিভিউ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটি কেবল অগ্রগতি মূল্যায়নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা অনুধাবন, চ্যালেঞ্জ চিহ্নিতকরণ এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রকল্পের লক্ষ্য অর্জনের জন্য কার্যকর কৌশল প্রণয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।আগামী কয়েকদিন বিশ্বব্যাঙ্কের প্রতিনিধিদল বিভিন্ন জেলা, ব্লক ও গ্রাম পরিদর্শন করে প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ প্রদান করবে।
প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাত শ্রবনের মাধ্যমে জাতীয় সেতু বন্ধন মজবুত হচ্ছে : ডাক্তার ,মানিক সাহা ( মুখ্যমন্ত্রী , ত্রিপুরা সরকার )

প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাত শ্রবনের মাধ্যমে জাতীয় সেতু বন্ধন মজবুত হচ্ছে : ডাক্তার ,মানিক সাহা ( মুখ্যমন্ত্রী , ত্রিপুরা সরকার )

নিজস্ব প্রতিনিধি : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয় মাসিক রেডিও অনুষ্ঠান ‘মন কি বাত’-এর ১৩৪তম পর্ব রবিবার আগরতলার বড়দোয়ালী ১১ নম্বর বুথের অন্তর্গত মুক্তধারা প্রেক্ষাগৃহে শ্রবণ করেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। এসময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ, আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর।অনুষ্ঠান শেষে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘মন কি বাত’-এর ১৩৪তম পর্বে প্রধানমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিশেষ করে দেশের ক্রীড়াবিদদের সাফল্য ও তাদের অনুপ্রেরণামূলক যাত্রা, তীব্র দাবদাহের সময় সাধারণ মানুষের করণীয়, দেশীয় পানীয় ব্যবহারের প্রসার, আম চাষিদের সাফল্যের কাহিনি এবং কৃষিক্ষেত্রে উদ্ভাবনী উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নেদারল্যান্ডস থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা প্রাচীন চোল সাম্রাজ্যের ঐতিহাসিক তাম্রপটের গুরুত্ব তুলে ধরেন। দেশের ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি শিক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের অসামান্য অবদানের বিভিন্ন উদাহরণ তুলে ধরে দেশবাসীকে ইতিবাচক উদ্যোগে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মন কি বাত’ শুধু একটি রেডিও অনুষ্ঠান নয়, এটি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবন, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং জাতি গঠনে তাঁদের অবদানের এক অনন্য মঞ্চ। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মানসিকতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।এদিনের শ্রবণ কর্মসূচিতে দলীয় নেতা-কর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বার্তা জনসাধারণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক দায়বদ্ধতা সম্পর্কেও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
রাজ্যের পশু পালনের প্রবণতা বাড়ছে , দপ্তরের সহযোগিতা অব্যাহত : সুধাংশ দাস

রাজ্যের পশু পালনের প্রবণতা বাড়ছে , দপ্তরের সহযোগিতা অব্যাহত : সুধাংশ দাস

নিজস্ব প্রতিনিধি : ত্রিপুরা পশু চিকিৎসক ডাক্তার সমিতির ৫৬ তম বার্ষিক সাধারণসভা করা হয় আগরতলার বেসরকারি হোটেলে। এই দিনের অনুষ্ঠানে উপস্তিত ছিলেন দপ্তরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস, দপ্তরের সচিব দীপা ডি নায়ার,পশুদপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা বিমল কৃষ্ণ দাস সহ অন্যানরা। এই দিনের অনুষ্ঠানেপ্রদীপ প্রজ্জলোন করে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন দপ্তরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস। এই দিন সংবাদ মাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী ১৩৪ তম মন কি বাত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সাধারণ সভা শুরু করা হয় পাশাপাশি তিনি আরো বলেন এই সংগঠন রাজ্য সরকারের স্বার্থে প্রতিনিয়ত কাজ করে চলছেন সরকারকে সহযোগিতা করে চলছে পাশাপাশি তিনি আরও বলেন চাহিদা অনুযায়ী মাছের যুগান কম তাই এই সংগঠন এইদিকেও কাজ করবে বলে জানান তিনি।
নাবালক সন্তানকে নিয়ে গৃহবধূর নিখোঁজ! চেব্রি অফিসটিলায় চাঞ্চল্য!

নাবালক সন্তানকে নিয়ে গৃহবধূর নিখোঁজ! চেব্রি অফিসটিলায় চাঞ্চল্য!

নিজস্ব প্রতিনিধি : খোয়াই মহকুমার চেব্রি অফিসটিলা এলাকায় এক গৃহবধূ তাঁর নাবালক সন্তানকে নিয়ে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিখোঁজ গৃহবধূর নাম চম্পা সরকার। পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৯ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর গত ২৮ মে রাতে পারিবারিকভাবে কিছু অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরদিন সকালে চম্পা সরকার তাঁর একমাত্র সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে তাঁদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি বলে পরিবারের দাবি। গৃহবধূর স্বামী অসিত সূত্রধর জানান, ঘটনার আগে স্ত্রীর মোবাইল ফোনে কিছু কথোপকথন ও বার্তা তাঁর নজরে আসে। তবে মোবাইল ফোনটি পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত থাকায় তিনি বিস্তারিত তথ্য জানতে পারেননি বলে দাবি করেন। তাঁর সন্দেহ, স্ত্রী অন্য কারও সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি বা পুলিশি নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। এ ঘটনায় অসিত সূত্রধর স্থানীয় থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করেছেন। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে এবং নিখোঁজ মা ও সন্তানের সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিখোঁজ হওয়ার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
নিখোঁজ হয়ে যাওয়া ছেলেকে উদ্ধার করে মার কাছে তুলে দিলেন খোয়াই থানার পুলিশ

নিখোঁজ হয়ে যাওয়া ছেলেকে উদ্ধার করে মার কাছে তুলে দিলেন খোয়াই থানার পুলিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি : গত তিন দিন আগে খিল্লা থানার অন্তর্গত রাইয়া বাড়ি এলাকা থেকে রোহিনী কুমার জমাতিয়া ২৬ বছরের ছেলে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করার পর অবশেষে খিল্লা থানায় নিখোঁজ ডাইরি করেন। গতকাল খোয়াই থানার অন্তর্গত মহাদেব টিলা এলাকা থেকে রোহিনীকে দেখতে পেয়ে খোয়াই থানার পুলিশ থানায় নিয়ে আসে। রাতেই খবর পাঠানো হয় কিল্লা থানার মাধ্যমে পরিবারের কাছে। আজ সকালে রোহিণীর মা খোয়াই থানাতে আসেন থানার ওসি কৃষ্ণধন সরকার ছেলেকে মার কাছে তুলে দেন এবং বাড়িতে গাড়ি দিয়ে যাওয়ার জন্য কিছু টাকা ছেলের মার হাতে তুলে দেন বলে জানা যায়।
সরকারি কোষাগরের লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে নির্মিত বড় এলইডি স্ক্রিন লাগানোর একমাস এর মধ্যেই বিকল!

সরকারি কোষাগরের লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে নির্মিত বড় এলইডি স্ক্রিন লাগানোর একমাস এর মধ্যেই বিকল!

নিজস্ব প্রতিনিধি:...সাব্রুম শহরকে সাজিয়ে তোলার লক্ষ্যে সাব্রুম শহরের প্রাণকেন্দ্র সাব্রুম অটোস্ট্যান্ড সংলগ্ন চৌ মাথায় লাগানো হয়েছিল লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে বড় একটি এলইডি স্ক্রিন। এই এলইডি স্ক্রিন টি লাগানো হয়েছিল রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ জনগণের সামনে তুলে ধরার জন্য। এবং সাব্রুম নগর পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প এবং বিভিন্ন কর্মসূচি গুলি এর মাধ্যমে জনগণের কাছে জানান দিতে। কিন্তু দেখা গেল এক মাসও অতিক্রান্ত হলো না এই বড় এলইডি স্ক্রিন টি দীর্ঘ প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন যাবত নষ্ট হয়ে বন্ধ হয়ে রয়েছে কোন হেলদোল নেই প্রশাসনের। আজ সন্ধ্যায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় এই এলইডি স্ক্রিন টি লাগানোর কিছুদিন পরেই নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে এবং সাব্রুম বাজারের বিভিন্ন জায়গায় যে সমস্ত স্ট্রিট লাইট গুলি রয়েছে সেগুলিও প্রায় অর্ধেক এর ও বেশি আলো জলে না। তাই এলাকার জনগণ ও ব্যবসায়ীদের দাবি নগর প্রশাসন ও মহকুমা প্রশাসন এই বিষয় গুলির দিকে নজর দিক।

Top News

View All →