surga-image

Tags

Share this article

আগরতলা রাজবাড়িতে শেষ মঙ্গলচণ্ডী পূজা, ভক্তদের উপচে পড়া ভিড়

আগরতলা রাজবাড়িতে শেষ মঙ্গলচণ্ডী পূজা, ভক্তদের উপচে পড়া ভিড়

নিজস্ব প্রতিনিধি: উজ্জয়ন্ত প্রাসাদ অন্দরমহলের মঙ্গলচণ্ডী মন্দিরে আজ ২৮শে বৈশাখ, বৈশাখ মাসের শেষ মঙ্গলবার উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী শেষ মঙ্গলচণ্ডী পূজা। সকাল থেকেই মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের ভিড় লক্ষ্য করা যায় এবং পূজা-অর্চনা ও প্রার্থনায় অংশ নেন অসংখ্য পূর্ণার্থী।ইতিহাস অনুযায়ী, ত্রিপুরার রাজপরিবারের অন্যতম মহারানী তুলসীবতী স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই মঙ্গলচণ্ডীর ঘট প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই সময় থেকেই আগরতলার রাজবাড়ির অন্দরমহলে প্রতি বৈশাখ মাসে ধারাবাহিকভাবে এই পূজা পালিত হয়ে আসছে।স্থানীয়দের কাছে এই পূজা বিশেষ ধর্মীয় ও ঐতিহ্যবাহী গুরুত্ব বহন করে, তাই প্রতি বছর বৈশাখের প্রতিটি মঙ্গলবারে ভক্তদের ব্যাপক সমাগম দেখা যায়।

 হিমন্ত বিশ্বশর্মার শপথ গ্রহনের সমারোহে সামিল ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা

হিমন্ত বিশ্বশর্মার শপথ গ্রহনের সমারোহে সামিল ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা

নিজস্ব প্রতিনিধি: দ্বিতীয়বার অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এদিন শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে রাজ্য থেকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা সহ প্রদেশ বিজেপি সভাপতি তথা সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য।আজ আসামের খানাপাড়া ভেটেরিনারি কলেজ গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আসাম তথা সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের আরও এক নতুন অধ্যায়ের শুভ সূচনা হলো আজ। আসামে তৃতীয়বারের মতো বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের জন্য রাজ্যের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। এই বিজয়কে উন্নয়ন, সুশাসন ও জনবিশ্বাসেরই প্রতিফলন বলেই উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। দ্বিতীয়বার শপথ গ্রহণের জন্য আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকেও হার্দিক অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি।এদিন শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্যও। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে উপস্থিত থেকে উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়ন, সুশাসন ও জনকল্যাণের প্রতি পুনরায় অঙ্গীকারবদ্ধ এক শক্তিশালী নেতৃত্বের সাক্ষী হতে পেরে আনন্দিত বলে দাবী করেন সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য।

হোম থেকে পালিয়ে কাঁকড়াবন শালগড়া থেকে পায়ে হেঁটে বিশ্রামগঞ্জে ৩ নাবালিকা!

হোম থেকে পালিয়ে কাঁকড়াবন শালগড়া থেকে পায়ে হেঁটে বিশ্রামগঞ্জে ৩ নাবালিকা!

নিজস্ব প্রতিনিধি:উদয়পুর কাঁকড়াবন থানার অন্তর্গত শালগড়া আলোর দিশারী চিল্ড্রেন হোম থেকে গতকাল রাত দশটায় পালিয়ে যায় তিনটি নাবালিকা। তারা গতকাল রাত থেকে হাঁটতে হাঁটতে মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্রামগঞ্জ চেছড়িমাই এলাকায় একটি বাড়িতে ক্ষুধার্ত হয়ে জল খাবারের জন্য গেলে তাদেরকে দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। খবর দেওয়া হয় বিশ্রামগঞ্জ থানার পুলিশকে এবং চিলড্রেন হোম কর্তৃপক্ষকে। খবর পেয়ে তারা ছুটে আসেন তিন নাবালিকাকে নিয়ে যান। তবে চিলড্রেন হোম কর্তৃপক্ষের উপর ক্ষেপে যায় এলাকাবাসী। অভিযোগ এই চিলড্রেন হোম ে নাবালিকাদের উপর শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করা হয় পাশাপাশি তাদেরকে খাওয়া খাদ্য দেওয়া হয় না।

মরণফাঁদে পরিণত কমলপুর-মড়াছড়া-দুর্গাচৌমুহনি রাস্তা! ক্ষোভে ফেটে পড়ে পথ অবরোধে গ্রামবাসী

মরণফাঁদে পরিণত কমলপুর-মড়াছড়া-দুর্গাচৌমুহনি রাস্তা! ক্ষোভে ফেটে পড়ে পথ অবরোধে গ্রামবাসী

নিজস্ব প্রতিনিধি: সুরমা কেন্দ্রের অন্তর্গত কমলপুর থেকে মড়াছড়া হয়ে দুর্গাচৌমুহনি যাওয়ার দীর্ঘ প্রায় ১৫ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে এবার বিস্ফোরিত হল জনরোষ। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার করুণ অবস্থা, সংকীর্ণ রাস্তা ও নিম্নমানের কাজের কারণে নিত্যদিন চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অভিযোগ, রাস্তা সংস্কারের নামে ঠিকাদার রাস্তার পাশ অনেকটাই কমিয়ে দেওয়ায় বর্তমানে রাস্তাটি কার্যত মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, আগে যেখানে দুইটি গাড়ি সহজেই যাতায়াত করতে পারত, এখন সেখানে সামান্য ভুল হলেই ঘটতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স— সকলকেই প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বর্ষার সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তার বিভিন্ন অংশ কাদাময় ও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। বারবার প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনো স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী। তাই আজ ছোটসুরমা এলাকায় কমলপুর-মড়াছড়া-দুর্গাচৌমুহনি সড়কে পথ অবরোধে বসেন গ্রামবাসীরা। বিক্ষোভকারীরা রাস্তার অবিলম্বে সংস্কার, রাস্তার প্রস্থ বৃদ্ধি এবং দায়ী ঠিকাদারের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।গ্রামবাসীদের হুঁশিয়ারি, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন তারা। প্রশাসনের গাফিলতি ও নিম্নমানের কাজের বিরুদ্ধে এদিন সরব হয় পুরো এলাকা।

শিববাড়িতে সোমনাথ স্বভিমান পর্বের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা

শিববাড়িতে সোমনাথ স্বভিমান পর্বের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সোমনাথ মন্দিরের নবরূপের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সোমবার রাজধানীর শিব বাড়িতে তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় “সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব” উদযাপন অনুষ্ঠান। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।অনুষ্ঠানের সূচনায় সকালে রাজধানীর লক্ষ্মীনারায়ণ বাড়ির দিঘী থেকে কলসে করে পবিত্র জল সংগ্রহ করা হয়। পরে সুসজ্জিত ও বর্ণাঢ্য র‍্যালির মাধ্যমে সেই জল শিব বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। র‍্যালিতে অংশ নেন অসংখ্য ভক্ত ও সাধারণ মানুষ।শিব বাড়িতে পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা বাবা ভোলানাথের মাথায় সেই পবিত্র জল ঢেলে পূজা-অর্চনা করেন। ধর্মীয় আবহ ও ভক্তিমূলক পরিবেশে এদিনের অনুষ্ঠান ঘিরে উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। অনুষ্ঠানে সোমনাথ মন্দিরের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও ভারতীয় আত্মমর্যাদার প্রতীক হিসেবে এর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

৩৫ আসাম রাইফেলস এবং ৬৩৭ সাটা ব্যাটারি বা ভারতীয় সেনাবাহিনী-কে সম্মাননাপত্র প্রদানের একটি সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় আগরতলায় লোক ভবনে

৩৫ আসাম রাইফেলস এবং ৬৩৭ সাটা ব্যাটারি বা ভারতীয় সেনাবাহিনী-কে সম্মাননাপত্র প্রদানের একটি সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় আগরতলায় লোক ভবনে

নিজস্ব প্রতিনিধি: সোমবার আগরতলার লোক ভবনে ত্রিপুরায় কর্মরত ৩৫ আসাম রাইফেলস এবং ৬৩৭ এসএটিএ বা সাটা ব্যাটারি (ভারতীয় সেনাবাহিনী)-কে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। ত্রিপুরার রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু এই বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং আসাম রাইফেলসের কর্মকর্তাদের হাতে সম্মাননাপত্র তুলে দেন। তিনি দেশের নিরাপত্তা এবং শান্তি বজায় রাখতে তাঁদের অসামান্য অবদানের প্রশংসা করেন।অনুষ্ঠানে আসাম রাইফেলসের ২১ সেক্টরের ডিআইজি ব্রিগেডিয়ার নিশান্ত চান্দেল এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা তথা বর্তমানে তিনি ৭৩ মাউন্টেন ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার ধীরাজ কুমার সিং। সম্মাননা প্রদানের পাশাপাশি রাজ্যপাল ও কর্মকর্তাদের মধ্যে ত্রিপুরার আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়। আসাম রাইফেলসের পক্ষ থেকে ত্রিপুরায় পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষামূলক এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মসূচির প্রশংসা করেন রাজ্যপাল।

মেলাঘরে বন্দুক ঠেকিয়ে ছিনতাই চেষ্টা , ধৃত ১

মেলাঘরে বন্দুক ঠেকিয়ে ছিনতাই চেষ্টা , ধৃত ১

নিজস্ব প্রতিনিধি: মেলাঘর থানার অন্তর্গত তৈবান্দাল চন্ডীবান এলাকায় পিস্তল দেখিয়ে ছিনতাই করতে গিয়ে হাতে নাতে ধরা পড়ল এক ছিনতাইকারী! ধৃত ব্যক্তির নাম রবীন্দ্র ত্রিপুরা (ওরফে দেব কুমার ত্রিপুরা)। সে তৈবান্দাল শুকনাছড়া, বেলবাড়ী এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।​জানা জানা যায় মোহনভোগ ও চুন্দল এলাকার কয়েকজন যুবক চন্ডীবান লেইক দেখে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে একটি নির্জন রাবার বাগানে রবীন্দ্র ত্রিপুরা ও তার সাথে থাকা আরও চারজন সহযোগী তাদের পথ আটকায়। অভিযুক্ত রবীন্দ্র একটি পিস্তল বের করে যুবকদের ভয় দেখিয়ে সর্বস্ব লুটে নেওয়ার চেষ্টা করে।​পিস্তল দেখে ঘাবড়ে না গিয়ে উল্টো সাহসিকতার পরিচয় দেন চুন্দলের ওই যুবকরা। তারা ছিনতাইকারীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং ধস্তাধস্তি শুরু হয়। বেগতিক দেখে রবীন্দ্রর বাকি চার সঙ্গী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও, যুবকরা রবীন্দ্র ত্রিপুরাকে জাপ্টে ধরে ফেলেন।খবর পেয়ে মেলাঘর থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্তের কাছ থেকে সেই পিস্তলটি উদ্ধার করে। তবে পরীক্ষা করার পর দেখা যায়:​পিস্তলটি দেখতে হুবহু আসল মনে হলেও, আসলে এটি একটি নকল পিস্তল ছিল। ​মানুষকে ভয় দেখিয়ে ছিনতাই করার উদ্দেশ্যেই এই খেলনা পিস্তলটি ব্যবহার করা হয়েছিল।ধৃত রবীন্দ্র ত্রিপুরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার বাকি চার সহযোগীর খোঁজ চালাচ্ছে মেলাঘর থানার পুলিশ। তবে প্রকাশ্য দিবালোকে পিস্তল দেখিয়ে ছিনতাইয়ের এই চেষ্টায় তৈবান্দাল ও চন্ডীবান এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকার বাসিন্দারা পুলিশের টহল বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

 বিমানবন্দরে অটো চালকদের ‘দাদাগিরি’ নেশাগ্রস্ত চালকদের দুর্ব্যবহারে অতিষ্ঠ যাত্রী ও কর্মীরা !

বিমানবন্দরে অটো চালকদের ‘দাদাগিরি’ নেশাগ্রস্ত চালকদের দুর্ব্যবহারে অতিষ্ঠ যাত্রী ও কর্মীরা !

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগরতলা মহারাজা বীর বিক্রম বিমানবন্দরে নেশাগ্রস্থ অটো চালকদের একাংশের দৌরাত্ম্যে সাধারণ যাত্রী থেকে শুরু করে বিমানবন্দরের কর্মীরাও এখন নাজেহাল হয়ে পড়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে একদল চালক নেশাগ্রস্ত হয়ে বিমানবন্দরে আসা যাত্রী ও কর্মরত কর্মীদের সাথে অশালীন আচরণ শুরু করে। শুধু তাই নয়, ইচ্ছেমতো অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করা এবং অনলাইন বুকিং করা গাড়িতে উঠতে বাধা দেওয়ার মতো ঘটনা এখন নিত্যনৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পর নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাওয়ার জন্য অটো চালকরা সরকারি তালিকাভুক্ত ভাড়ার তোয়াক্কা না করে কয়েকগুণ বেশি টাকা দাবি করে। কেউ প্রতিবাদ করলে বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বুক করা অটো ব্যবহার করার চেষ্টা করলে চালকদের একটি দল তাদের ঘিরে ধরে গালিগালাজ এমনকি শারীরিক নিগ্রহের হুমকিও দেয়। বিমানবন্দরের কর্মীদের একাংশও এই নেশাগ্রস্ত অটো চালকদের হাতে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই পরিস্থিতির প্রতিকারে আগরতলা এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ এবং ত্রিপুরার পরিবহন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। যদিও মন্ত্রী অতীতে বারবার এই ধরনের ‘দাদাগিরি’ বন্ধ করতে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন এবং যাত্রী পরিষেবা উন্নত করতে বিমানবন্দরে প্রিপেইড অটো পরিষেবা চালু করেছিলেন, তবুও পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি। বর্তমানে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও ত্রিপুরার পর্যটন ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতে ওই সমস্ত অভিযুক্ত নেশাগ্রস্ত অটো চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জোরালো হচ্ছে।

কৃষ ধনকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে কার্যকর্তাদের উচ্ছ্বাস

কৃষ ধনকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে কার্যকর্তাদের উচ্ছ্বাস

নিজস্ব প্রতিনিধি: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে নদিয়া জেলার তেহট্ট বিধানসভায় প্রথমবারের মতো ভারতীয় জনতা পার্টির জয়ের নায়ক বামুটিয়ার প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণধন দাস দীর্ঘ কয়েকমাস পর রাজ্যে আসলেন এবং উনাকে স্বাগত জানাতে বামুটিয়া বিধানসভার বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায় বিমানবন্দরে।প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণধন দাস দীর্ঘ কয়েক মাস যাবত পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার তেহট্ট বিধানসভায় নির্বাচনী প্রচার করেন,এই সময় তিনি মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনগণের সঙ্গে কথা বলেন এবং ৪ মে সেই ফলাফল ,প্রথমবারের মতো এই বিধানসভায় জয়ী হয় বিজেপি প্রার্থী এবং পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল সরকারের পতন ও বিজেপি সরকার গঠিত হয়।রাজ্যে ফিরে এদিন সাংবাদিকের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বিজেপি বামুটিয়া মন্ডলের সভাপতি ও যুব মোর্চার সম্পাদকের ঘটনায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন

বাংলায় মমতার নির্বাসন , শুভেন্দুর উত্থান , শপথ গ্রহনের সমারোহে মোদী , শাহ সহ ২০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী

বাংলায় মমতার নির্বাসন , শুভেন্দুর উত্থান , শপথ গ্রহনের সমারোহে মোদী , শাহ সহ ২০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড-এ শনিবার এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যপাল আর এন রবি তাঁকে পদ ও গোপনীয়তার শপথবাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা, এনডিএ শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা এবং বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিজেপি ২০৭টি আসনে জয়লাভ করে তৃণমূল কংগ্রেসের ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়েছে।বাংলার নতুন বিজেপি মন্ত্রিসভায় অন্যান্যরা হলেন, দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু এবং নিশীথ প্রামাণিক।প্রায় ৫০ বছর ধরে বামফ্রন্ট ও তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনের পর এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠন করল। তবে সরকার গঠনের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত উত্তপ্ত। পরাজয়ের পরেও তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটে কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে পদত্যাগে অনীহা প্রকাশ করেন।

Top News

View All →