surga-image

Tags

Share this article

২৮'কে সামনে রেখেই ময়দানে তিপ্রা মথা নির্বাচনী প্রচারে রুনিয়েল

২৮'কে সামনে রেখেই ময়দানে তিপ্রা মথা নির্বাচনী প্রচারে রুনিয়েল

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০২৮ ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে এক্স ফেক্টার হওয়ার লক্ষেই ২০২৬ এ এডিসিতে জোর তিপ্রা মথার তিপ্রাসা জনগণের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে তিপ্রাসা একর্ড সহ একাধিক বিষয়কে সামনে রেখে।রবিবার ত্রিপুরা স্ব শাসিত জেলা পরিষদের ১৪ বোধজংনগর-ওয়াকিনগর কেন্দ্রের তিপ্রা মথা দল মনোনীত প্রার্থী রুনিয়েল দেববর্মা নিচ কেন্দ্রের সিপাহী পাড়া, টিংটাং এলাকায় বিপুল জনসমর্থন নিয়ে বাড়ি বাড়ি প্রচার করেন ১২ এপ্রিল আনারস প্রতীকে ভোট দেওয়ার আবেদন নিয়ে গণদেবতাদের নিকট।এই সময় উপস্থিত ছিলেন ১৪ বোধজংনগর ওয়াকিনগর কেন্দ্রের তিপ্রা মথা দলের মনোনীত প্রার্থী ই.এম রুনিয়েল দেব্বর্মা, লেফুঙ্গা সভাপতি দীপক দেব্বর্মা,দলের যুব সংগঠনের ব্লক সভাপতি প্রশান্ত দেব্বর্মা,নারী সংগঠের নেত্রী সাগরিকা দেববর্মা সহ হাজারো কর্মী সমর্থকরা।এই সময় রুনিয়েল দেব্বর্মা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন জনগণ ব্যাপক সাড়া দিচ্ছেন,সবাই প্রস্তুত মহারাজাকে আনারস প্রতীকে ভোট দিয়ে এডিসিতে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করতে।পাশাপাশি তিনি দাবি করেন ২০২৮ ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে এক্স ফ্যাক্টর হওয়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখেই ময়দানে নেমেছে।

মালাকার সমাজকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে কুৎসা , থানায় এজাহার

মালাকার সমাজকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে কুৎসা , থানায় এজাহার

নিজস্ব প্রতিনিধি: মালাকার সমাজকে নিয়ে এক যুবকের কুরুচিকর মন্তব্যের জেরে অস্থির ধর্মনগর মহকুমা। থানায় মামলা। মালাকার সমাজ ও জাতিকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে কুরুচিকর এবং কুমন্তব্য করায় এক যুবকের বিরুদ্ধে কদমতলা থানায় এফআইআর দাখিল করলো 'উত্তরাঞ্চল মালাকার সমাজ'। একটা সময় যখন ভারতবর্ষে জাতিভেদ প্রথা নিয়ে হানাহানি মারামারি গ্রাস করে থাকতো সেখান থেকে বেরিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন গুণীজনরা সমাজকে পরিবর্তনের জন্য এগিয়ে এসেছিলেন। তার সুফল পেয়ে বর্তমান সভ্য সমাজ যেভাবে জাতিভেদ প্রথাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তার দুরন্ত গতিকে লাইনচ্যুত করতে এখনো বিভিন্ন সময় কিছু স্বার্থান্বেষী লোকের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। তারই জলজ্যান্ত উদাহরণ এদিনের এই ঘটনা। ঘটনার বিবরণে ধর্মনগর উত্তরাঞ্চল মালাকার সমাজের সম্পাদক জানান,গত শুক্রবার তারা দেখতে পান সামাজিক মাধ্যম তথা ফেসবুকে শ্রীভাষ দেব(৩৩)নামের এক যুবক ব্যাঙ্গালোর থেকে লাইভে বসে মালাকার সমাজ ও গোটা জাতিকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কুরুচিকর মন্তব্য করছে। উক্ত যুবকের পিতা মৃত বিপুল দেব,বাড়ি কদমতলা থানাধীন বিষ্ণুপুর গ্ৰামের ৩নং ওয়ার্ডে। এই ঘটনা প্রত্যক্ষ করার পর থেকে গোটা মালাকার সমাজের মনে দাগ কাটে। পরে ধর্মনগর উত্তরাঞ্চল সহ সমস্ত মালাকার সমাজ মহেশপুর এলাকায় জড়ো হয়ে আলোচনাক্রমে উক্ত যুবকের বিরুদ্ধে কদমতলা থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়। তারা পুলিশকে সমস্ত নথিপত্র দিয়ে সম্পূর্ণ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ক্রমে উক্ত যুবকের আইনী সাজার অনুরোধ জানান।

সদ্যজাত শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার জঙ্গলে! ঘটনা শনিবার সন্ধ্যারাতে মধুপুর থানার অন্তর্গত কেনানিয়া গ্রামে

সদ্যজাত শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার জঙ্গলে! ঘটনা শনিবার সন্ধ্যারাতে মধুপুর থানার অন্তর্গত কেনানিয়া গ্রামে

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভয়ংকর থেকে ভয়ংকরতম ঘটনা। সামাজিক অবক্ষয়ের নগ্ন চিত্র দেখা গেল কমলাসাগর বিধানসভার কেনানিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকায়। মনুষ্য সমাজের রূপ কত ভয়ানক তার চোখে না দেখলে পরিষ্কার পাওয়া যাবে না। ফুটফুটে ছেলে সন্তান আর হয়তো এক থেকে দুই মাস পর মায়ের কোলে থেকে খেলাধুলা করতে পারতেন। কিন্তু সেই ফুটফুটে ছেলে সন্তানটিকে পৃথিবীর আলো আর দেখতে দিল না কলঙ্কিনী মা। হয়তো রাতের অন্ধকারে কিংবা দিনের বেলা ছেলে সন্তানটিকে ব্যাগ ভর্তি করে কেনানিয়া জমির পাশে জঙ্গলের মধ্যে ঢিল দিয়ে ছুড়ে ফেলে দিলেন। সেই ডিলের মধ্যেই জঙ্গলের মধ্যে থাকা গাছের লতাপাতা আটকে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে সেই ছোট্ট শিশুটি। কেনানিয়া এলাকার জনগণ শনিবার সন্ধ্যাবেলা দেখতে পেয়ে এলাকার মধ্যে ভিড় জমায়। ছুটে আসে মধুপুর থানার পুলিশ। সকলের ধারণা অবৈধ সন্তান। যার দরুন সেই ছেলে সন্তানটিকে ঢিল দিয়ে জঙ্গলের মধ্যে ফেলে চলে গেল। হয়তো মা হোক নাকি কুমারী হবে তা বলা মুশকিল।কিন্তু ছোট্ট ছেলে সন্তানটি দেখতে খুবই সুন্দর ছিল। শেষ পর্যন্ত মধুপুর থানা পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে মধুপুর হাসপাতালে সেই অবৈধ সন্তানটিকে পাঠিয়ে দেয়। তবে মধুপুর থানার পুলিশ স্থানীয় কোন মহিলা কিংবা কুমারীর সেই বাচ্চাটি হতে পারে কিনা তার তদন্ত চালাচ্ছে।

বড়জলা মন্ডলের ২২ নং বুথে মন কি শ্রবন অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে উন্নয়নের বার্তা

বড়জলা মন্ডলের ২২ নং বুথে মন কি শ্রবন অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে উন্নয়নের বার্তা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সারা দেশের মধ্যে প্রথম স্থান ধরে রেখেছে ত্রিপুরা। আজকের কার্যক্রমে উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার মাধ্যমে ভাংমুনে পানীয় জলের ব্যবস্থা করার বিষয় উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে। এর পাশাপাশি আগামী কিছুদিনের মধ্যে জল জীবন মিশনে ১০০ শতাংশ সাফল্য অর্জন করবে ত্রিপুরা। আজ যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানের ১৩২তম পর্ব শ্রবণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। আগরতলা সংলগ্ন বড়জলায় এই কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়।এই কার্যক্রমে অংশ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, আজ আমরা সবাই একত্রিত হয়ে বড়জলার ২২নং বুথে কিষাণ মোর্চার পক্ষ থেকে আয়োজিত কার্যক্রমে যোগদান করি। আজ মন কি বাত কার্যক্রমে দুটি ক্ষেত্রে লাভবান হই আমরা। আজ জম্পুই হিলের ভাঙমুনে উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার মাধ্যমে যেভাবে পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হয়েছে সেবিষয়টি উত্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যা আমাদের জন্য খুবই গর্বের বিষয়। যেখানে আগে পানীয় জলের জন্য প্রচন্ড অসুবিধা হতো সেখানকার মানুষের। দ্বিতীয়ত প্রধানমন্ত্রীর নামে মুফত বিজলি যোজনা। এই যোজনায় গ্রামে গ্রামে বিশেষ করে রিয়াং শরণার্থীরা লাভবান হচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন বিদ্যুতের কারণে এখন ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করতে পারছে, কৃষি ক্ষেত্রে উপকার হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মন কি বাত কার্যক্রমে প্রধানমন্ত্রী বলছেন যে সারা দেশ থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁকে চিঠি পাঠানো হয়। যেসব বিষয় আমরা জানি না। আর এই বিষয়গুলি প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে সারা দেশ জেনে যায়। স্বাস্থ্য সচেতন থাকা, যুবদের বিষয়েও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। যেমন খাওয়া দাওয়ার ক্ষেত্রে তেল কম খাওয়া, সবসময় ব্যায়াম করা ইত্যাদি বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি। ফিশারি, কৃষি, ক্রীড়া সহ প্রত্যেক বিষয়ে আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এসব বিষয় থেকে আমাদের অনুপ্রেরণা আসে। আজ ত্রিপুরা সম্পর্কে দুটি বিষয় উপস্থাপন করেছেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০৪৭ এ বিকশিত ভারত গড়ে তোলার যে আহ্বান রেখেছেন আমরাও বিকশিত ত্রিপুরা গড়ে তোলার জন্য চেষ্টা করছি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমরা কাজ করছি। এই লক্ষ্যে আজ আমি বড়জলায় এসেছি। আমি এই কার্যক্রমে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানাই। ত্রিপুরা সারা দেশের মধ্যে ছোট রাজ্য হলেও মন কি বাত কার্যক্রমে প্রথম স্থান ধরে রেখেছে। ত্রিপুরার মানুষের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি খুবই সম্মান ও শ্রদ্ধা রয়েছে। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে পেট্রোল, ডিজেল, এলপিজি ইত্যাদি নিয়েও কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। ইরান, ইজরায়েল, আমেরিকার সঙ্গেও কূটনৈতিক দিক থেকে ভালো সম্পর্ক বজায় রেখেছেন তিনি। একইভাবে উপসাগরীয় অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলির সঙ্গেও সুসম্পর্ক বজায় রেখেছেন তিনি। আমরা এখন প্রধানমন্ত্রীর মতো ব্যক্তিত্বের কাছে নিরাপদে রয়েছি। কোভিডের মতো পরিস্থিতিকে আমরা যেভাবে মোকাবিলা করেছি সেভাবে এবারও মোকাবিলা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।রাজ্যে জল জীবন মিশনের সফল বাস্তবায়ন নিয়েও এদিন কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা। তিনি বলেন, ২০১৮ সালে যখন আমাদের সরকার আসে, তখন মাত্র ৩ শতাংশ ছিল। সেই জায়গায় এখন জল জীবন মিশনে প্রায় ৮৫ – ৮৬ শতাংশ সাফল্য এসেছে। বহু জায়গায় জলের প্রয়োজনীয় উৎস না থাকায় উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার মাধ্যমে ব্যবস্থা করতে হচ্ছে। আগামী কিছুদিনের মধ্যে জল জীবন মিশনে ১০০ শতাংশ সাফল্য অর্জিত হবে।এদিন এই কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা বিধানসভার মুখ্য সচেতক কল্যানী সাহা রায়, মন কি বাত ত্রিপুরা প্রদেশের ইনচার্জ রতন ঘোষ, প্রাক্তন বিধায়ক ডাঃ দিলীপ দাস সহ অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্ব ও কার্যকর্তাগণ।

বিকলাঙ্গ নাবালিকা মেয়েকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ওএনজির জুনিয়র ফায়ারম্যান দ্বীপ গোপাল দাস!

বিকলাঙ্গ নাবালিকা মেয়েকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ওএনজির জুনিয়র ফায়ারম্যান দ্বীপ গোপাল দাস!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সমস্ত জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আমতলী থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার ওএনজিসির জুনিয়র ফায়ারম্যান। জানা গেছে গত ২৩ শে মার্চ আমতলী থানার অন্তর্গত ওএনজিসি কলোনি এলাকার ৮ বছরের বিশেষভাবে সক্ষম এক নাবালিকা মেয়ে খেলতে খেলতে ওএনজিসির জুনিয়র ফায়ারম্যান পদে কর্মরত দ্বীপ গোলাপ দাস উরফে ডেভিডের ব্যক্তিগত গাড়িতে রং লাগিয়ে দেয়। যার ফলে দ্বীপ গোলাপ দাস ওরফে ডেভিড উত্তেজিত হয়ে নাবালিকা মেয়েটির গলা টিপে ধরে এবং নাবালিকাটিকে মারধর করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পর নাবালিকা মেয়েটির পরিবারের পক্ষ থেকে আমতলী থানায় অভিযুক্ত ওএনজির জুনিয়র ফায়ারম্যান দ্বীপ গোলাপ দাস ওরফে ডেভিডের বিরুদ্ধে লিখিত মামলা দায়ের করে। ঘটনার পর নাবালিকা মেয়েটিকে হাঁপানিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হয় এবং হাসপাতালের মেডিকেল রিপোর্টে উল্লেখ করা হয় নাবালিকা মেয়েটির গলা টিপে ধরা হয় এবং তার পায়ের হাঁটুতেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।পরে নাবালিকা মেয়েটির পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সঠিক বিচারের আশায় রাজ্য শিশু সুরক্ষা ও অধিকার কমিশনেও লিখিত অভিযোগ জানায়। এরপরেই ঘটনার জল ঘোলা হতে থাকে। একটি নাবালিকা মেয়ের সাথে এই ধরনের ঘটনায় রাজ্য পুলিশ কমিশনের প্রাক্তন সদস্যা ডঃ এইচ কেরল ডিসুজাও স্পষ্টভাবে অভিযুক্ত ডেবিডকে গ্রেফতারের দাবি তুলেন। এরপর থেকেই আমতলী থানার পুলিশের মধ্যে তোড়জোড় শুরু হয়ে যায় অভিযুক্ত জুনিয়র ফায়ারম্যান দ্বীপ গোলাপ দাস ওরফে ডেভিডকে গ্রেফতারের জন্য। এরপর শুক্রবার রাতে তাকে আমতলী থানার পুলিশ আটক করলে। ধৃত দ্বী গোলাপ দাস অসুস্থ বলে নতুন এক নাটক মঞ্চস্থ করে। এরপর আমতলী থানার পুলিশ তাকে তড়িঘড়ি হাঁপানিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর পুনরায় তাকে আবার থানায় নিয়ে আসা হয়। যদিও ধৃত ডেভিডকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নিতে তার স্ত্রী সহ কয়েকজনকে দুর্ঝাপ করতে দেখা গেছে। শুধু তাই নয় তাকে ছাড়িয়ে নিতে তার স্ত্রী অন্য এক অদৃশ্য শক্তি ও ব্যবহার করেছিল কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোন লাভ হয়নি। এই ব্যাপারে আমতলী থানার পুলিশ ২৫/২০২৬ নম্বর অনুযায়ী ১২৬(২),১১৭(২),৩০৫(২),৩৫১(৩), এবং পক্সো আইনে মামলা নথিভুক্ত করে। শনিবার দুপুরে দ্রুত দ্বীপ গোলাপ দাস ওরফে ডেভিডকে আদালতে প্রেরণ করে। এই ঘটনায় ওএনজিসি কলোনি এলাকার মানুষকে বলতে শোনা গেছে এটুকু একটি নাবালিকা মেয়ের সাথে ওএনজির একজন কর্মীর এই ধরনের ঘটনা সংঘটিত করতে এক ফোটাও ভাবলো না! তাই এই ঘটনায় ধৃত ওএনজির জুনিয়র ফায়ারম্যান ডেভিডের কঠোর শাস্তির দাবি উঠছে। এই ব্যাপারে শনিবার দুপুরে আমতলী থানার ওসি পরিতোষ দাস বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন সাংবাদিকদের সামনে।

কমলপুর মহকুমায় নাবালিকা কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ পিতার বিরুদ্ধে, গ্রেফতার

কমলপুর মহকুমায় নাবালিকা কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ পিতার বিরুদ্ধে, গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিনিধি:কমলপুর মহকুমার সালেমা থানা এলাকায় এক ঘৃণ্য ও বর্বর ঘটনা সামনে এসে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। নিজের নাবালিকা কন্যাকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে এক পিতাকে গ্রেফতার করেছে সালেমা থানার পুলিশ। যে পিতার কাছে সন্তান সবচেয়ে নিরাপদ থাকার কথা, সেই পিতাই এই জঘন্য অপকর্মের অভিযুক্ত — এই ঘটনা সমাজের বিবেককে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে ওই নাবালিকার মা তার মেয়েকে নিয়ে সালেমা থানায় উপস্থিত হয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, প্রায় পাঁচ মাস আগে কাজের উদ্দেশ্যে তিনি ব্যাঙ্গালোরে যান এবং সেই সময় তার ছেলে ও মেয়েকে তাদের বাবার কাছে রেখে যান। অভিযোগ অনুযায়ী, মা-র অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে অভিযুক্ত পিতা একাধিকবার তার নিজের নাবালিকা কন্যাকে ধর্ষণ করে। এই ঘটনা কোনো সভ্য সমাজে মেনে নেওয়ার যোগ্য নয়।সম্প্রতি মহিলা বাড়িতে ফিরে আসার পর মেয়েটির পায়ে অস্ত্রোপচারের জন্য তাকে ধলাই জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় নাবালিকা মেয়েটি তার মাকে পুরো ঘটনার কথা জানায়। এরপরেই ক্ষুব্ধ মা থানায় ছুটে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে সালেমা থানায় নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়। পুলিশ দ্রুত তদন্তে নামে এবং প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় গতকাল রাতেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। আজ অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।এই ঘটনায় স্থানীয় মহলে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। নাবালিকার দ্রুত সুস্থতা এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠেছে সর্বত্র।

অনিশ্চয়তায় ধুঁকছে যুব সমাজ  : নবারুন দেব

অনিশ্চয়তায় ধুঁকছে যুব সমাজ : নবারুন দেব

নিজস্ব প্রতিনিধি:"অনিশ্চিত কাজ, নেশায় ডুবছে যুব সমাজ, দৃঢ় সংগঠন গড়ে ইউনিটে ইউনিটে তোলো আওয়াজ- চাই সবার জন্য শিক্ষা সবার জন্য কাজ"। এই আহ্বানে আগামী ২৯ মার্চ ডুকলি বিভাগীয় কমিটির ৪র্থ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনের বার্তা ছড়িয়ে দিয়ে শনিবার সকালে বাধারঘাট চৌমুহনী থেকে একটি প্রচার মিছিল সংগঠিত হয়। মিছিলে শামিল ছিলেন ডি ওয়াই এফ আই রাজ্য কমিটির সম্পাদক নবারুন দেব, সংগঠনের ডুকলি বিভাগীয় কমিটির সভাপতি অরিন্দম বিশ্বাস, বিভাগীয় কমিটির সম্পাদক শুভংকর মজুমদার, রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য শান্তনু দেব, গৌতম ঘোষ ও বুল্টি বিশ্বাস, রাজ্য কমিটির সদস্য আবুল হুসেন, ডি ওয়াই এফ আই রাজ্য কমিটির প্রাক্তন সভাপতি রতন দাস, এস এফ আই রাজ্য কমিটির প্রাক্তন সম্পাদক সমর চক্রবর্তী প্রমুখ । বাধারঘাট চৌমুহনী থেকে সুসজ্জিত স্লোগান সোচ্চার মিছিলটি নানান পথ পরিক্রমা করে নাগেরজলাতে এক সভায় মিলিত হয়। এখানে সংগঠনের ডুকলি বিভাগীয় কমিটির সভাপতি অরিন্দম বিশ্বাসের সভাপতিত্বে রতন দাস ও নবারুন দেব আলোচনা করেন।

এডিসি ভোটে বিজেপির জয় নিশ্চিত : টিংকু রায়

এডিসি ভোটে বিজেপির জয় নিশ্চিত : টিংকু রায়

নিজস্ব প্রতিনিধি:আসন্ন এডিসি নির্বাচন কে সামনে রেখে কুমারঘাটে শক্তি প্রদর্শন করল ভারতীয় জনতা পার্টি। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে জনজোয়ারে পরিণত হয় কুমারঘাট জনপথ। এদিন এডিসির ২ নএডিসি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুমারঘাটে বিজেপির শক্তি প্রদর্শন, হাজার হাজার কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতিতে মনোনয়ন জমাম্বর আসনের প্রার্থী মনজুর রানী সরকার এবং ৪ নম্বর আসনের প্রার্থী বিমল কান্তি চাকমার সমর্থনে বর্ণাঢ্য মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।দলীয় পতাকা ও স্লোগানে মুখরিত পরিবেশে কর্মী-সমর্থকরা মিছিল করে কুমারঘাট মহকুমা কার্যালয়ে পৌঁছান এবং সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই প্রার্থী তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী টিংকু রায়, মণ্ডল সভাপতি রাজীব চাকমা সহ দলের একাধিক নেতৃত্ব ও কর্মীরা।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী টিংকু রায় বলেন, মানুষের আশীর্বাদ ও সমর্থন নিয়ে আসন্ন এডিসি নির্বাচনে বিজেপি বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে। তিনি জানান, রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে জনগণ এবার বিজেপির উপর আস্থা রাখবেন বলে দল আশাবাদী।নেতৃত্বের দাবি, পাহাড়ের উন্নয়নের ইস্যুকেই সামনে রেখে নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছে বিজেপি এবং ১০০ শতাংশ জয়ের লক্ষ্যে সংগঠনের প্রতিটি স্তরের কর্মীরা একযোগে কাজ করছেন।এদিনের বিশাল মিছিল ও মনোনয়ন জমা কর্মসূচি ঘিরে কুমারঘাট এলাকায় উৎসবমুখর রাজনৈতিক পরিবেশের লক্ষ্য করা গেল।

কৃত্তীম জ্বালানী সংকট রুখতে কড়া বার্তা খাদ্য মন্ত্রীর

কৃত্তীম জ্বালানী সংকট রুখতে কড়া বার্তা খাদ্য মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রজ্ঞা ভবনের ১ নং হলে আজ পেট্রোলিয়াম ডিলার ও এল.পি.জি. গ্যাস সরবরাহকারী এজেন্সির প্রতিনিধিদের নিয়ে এক পর্যালোচনা সভা এবং রাজ্যস্তরের ভোক্তা সচেতনতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় খাদ্যমন্ত্রী শ্রীচৌধুরী পেট্রোলিয়াম পণ্যের সরবরাহ ও বিতরণ সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে পেট্রোলিয়াম ডিলার ও এল.পি.জি. সরবরাহকারী এজেন্সির প্রতিনিধিদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেন। রাজ্যের কোথাও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য বা এল.পি.জি. গ্যাসের চাহিদা অনুযায়ী ঘাটতি আছে কিনা মানুষ সঠিক নির্ধারিত মূল্যে তা পাচ্ছে কিনা, এই সমস্ত বিষয়গুলি নিয়ে তিনি ডিলারদের সাথে মতবিনিময় করেন।খাদ্যমন্ত্রী শ্রীচৌধুরী মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যাতে রাজ্যে গ্যাস, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসমূহ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি না ছড়ায় সে বিষয়ে দপ্তরের আধিকারিক, ডিলার, এজেন্সি সহ সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। তিনি সভায় জানান, রাজ্যে পেট্রোল, ডিজেল বা এল.পি.জি. গ্যাসের কোনও ঘাটতি নেই। তবে আগামীদিনে যাতে এ বিষয়ে কোনও ক্রাইসিস তৈরি না হয় সেজন্য আরবান এলাকায় ২৫ দিন এবং গ্রামীণ এলাকায় ৪৫ দিনের ব্যবধানে এল.পি.জি. গ্যাস সংগ্রহে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ অনুসারে তা করা হয়েছে। এনিয়ে যাতে জনমনে কোনও বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয় এবিষয়ে খাদ্য দপ্তর ও ডিলার কর্তৃপক্ষকে গ্রামীণ ও নগর এলাকায় সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করার পরামর্শ দেন। সেই সাথে তিনি জানান, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য নিয়ে যাতে কোনও ধরনের কালোবাজারি না হয় সেদিকেও কড়া নজর রাখতে হবে। যদি এমন কোনও ঘটনা অর্থাৎ চড়া দামে যদি কোথাও কোনও ধরনের পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য বিক্রি হচ্ছে জানা যায় সেক্ষেত্রে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও সভায় তিনি জানান।খাদ্যমন্ত্রী শ্রীচৌধুরী ভোক্তা সচেতনতা বিষয়ে বলেন, ভোক্তাদের সাথে সমন্বয় সাধন করেই আমাদের কাজ করতে হবে। কারণ ভোক্তাদের নির্ধারিত সঠিকমূল্যে পণ্য সরবরাহ করাই আমাদের উদ্দেশ্য থাকতে হবে। নিরাপদ পণ্য, আত্মবিশ্বাসী ভোক্তা এই বছরের এই থিম অনুযায়ী আমাদের ভোক্তাদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে হবে। এজন্য ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যে সমন্বয় সাধনমূলক ভাবনা তৈরির বিশেষ প্রয়োজন আছে বলে তিনি মনে করেন। সভায় পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের সরবরাহ ও ক্রেতাস্বার্থ সুরক্ষা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন খাদ্য দপ্তরের বিশেষ সচিব দেবপ্রিয় বর্ধন ও খাদ্য দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব ও অধিকর্তা সুমিত লোধ। সভায় উপস্থিত ছিলেন খাদ্য দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা অভিজিৎ বিশ্বাস, দপ্তরের বিভিন্ন পদস্থ আধিকারিকগণ, রাজ্যের বিভিন্ন ন্যায্যমূল্যের দোকানের প্রতিনিধিগণ, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য সরবরাহকারী ডিলার ও এজেন্সির প্রতিনিধিগণ।

আগুনে নি:স্ব তিনটি কৃষক পরিবার

আগুনে নি:স্ব তিনটি কৃষক পরিবার

নিজস্ব প্রতিনিধি: কৈলাসহর বালুছড়া গ্রামের ইসলাম উদ্দিন, হজ্জাতুল ইসলাম এবং নুরুল ইসলামের পরিবার দিশেহারা।আগুনে পুড়ে তিনটি বসতবাড়ি ছাই হয়ে যায়। নি:স্ব হয়ে যায় তিনটি কৃষক পরিবার। ঘটনা কৈলাসহরের বালুছড়া গ্রামে। উল্লেখ্য, কৈলাসহরের গৌরনগর ব্লকের অধীনস্হ ইছবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পাঁচ নং ওয়ার্ডের বালুছড়া গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা ইসলাম উদ্দিন, হজ্জাতুল ইসলাম এবং নুরুল ইসলাম তিন ভাই পেশায় কৃষক। তিন ভাই ইদানীং কালে আলাদা আলাদা ভাবে নতুন বিল্ডিং ঘর নির্মান করে বসবাস করছিলেন। বুধবার দুপুরে তিন ভাই বাড়িতে ছিলেন না। বাড়িতে তিন ভাইয়ের স্ত্রী সহ শিশুরা ছিলেন। হঠাৎ করে ঘরে আগুন দেখে বাড়ির মহিলারা চিৎকার চেচামেচি শুরু করলে গ্রামবাসীরা ছুটে আসেন এবং আগুন লাগার খবর পেয়ে তিন ভাইও ছুটে আসেন। ঘটনার সাথে সাথেই কৈলাসহরের অগ্নি নির্বাপক দপ্তরে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়েই দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষনে ঘরের ভিতরে থাকা সোনা গয়না, নগদ এক লক্ষ টাকা, দামী বিছানা, ধান, দামী আসবাবপত্র সহ ঘরের ভিতরে থাকা সমস্ত কিছু আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এমনকি বিল্ডিং ঘরের টিনের ছাউনির সমস্ত টিন গুলোও পুড়ে যায়। তিন ভাইয়ের সমস্ত অরিজিনাল সার্টিফিকেট গুলো আগুনে পুড়ে যায়। আগুন লাগার খবর পেয়ে শহরের বিজেপি দলের নেতৃত্বরা ঘটনাস্থলে যান। নেতৃত্বদের মধ্যে ছিলেন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী সন্দীপ দেবরায়, আইনজীবী বিজিত দাস, যুব মোর্চা ঊনকোটি জেলা কমিটির সভাপতি অরুপ ধর, বিজেপি দলের সক্রিয় কর্মী ফুজাইল আলী, জুয়েল আহমেদ, পঞ্চায়েত সদস্য আরজান আলী, পঞ্চায়েত সদস্য আনছার আলী সহ আরও অন্যান্য নেতৃত্বরা। বিজেপি দলের নেতৃত্বরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তিন ভাইয়ের সাথে আলোচনা করে সমস্ত কিছু জানার পর কৈলাসহরের মহকুমা শাসক এবং তহশীলদার সহ কৃষি দপ্তরের আধিকারিকদের সাথে ফোনে সমস্ত কিছু জানান এবং পরবর্তী সময়ে তহশিলদার ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাওয়ার সমস্ত কিছু লিখে আনেন। আইনজীবী সন্দীপ দেবরায় জানান যে, প্রাথমিকভাবে জানা যায় যে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। আগুনে সমস্ত কিছু পুড়ে গিয়ে তিন ভাই হতাশ হয়ে পড়েছে। শরীরে পড়ার জন্য কাপড়ও নেই। দলের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে খুব শীঘ্রই মাথা গুজাবার জন্য স্থায়ী ঘরের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে এবং অন্যান্য সাহায্য সহযোগিতাও করা হবে বলে জানান সন্দিপ বাবু।

Top News

View All →
বড়জলা মন্ডলের ২২ নং বুথে মন কি শ্রবন অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে উন্নয়নের বার্তা | Newstoplink.com