surga-image

Tags

Share this article

বিকলাঙ্গ নাবালিকা মেয়েকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ওএনজির জুনিয়র ফায়ারম্যান দ্বীপ গোপাল দাস!

বিকলাঙ্গ নাবালিকা মেয়েকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ওএনজির জুনিয়র ফায়ারম্যান দ্বীপ গোপাল দাস!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সমস্ত জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আমতলী থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার ওএনজিসির জুনিয়র ফায়ারম্যান। জানা গেছে গত ২৩ শে মার্চ আমতলী থানার অন্তর্গত ওএনজিসি কলোনি এলাকার ৮ বছরের বিশেষভাবে সক্ষম এক নাবালিকা মেয়ে খেলতে খেলতে ওএনজিসির জুনিয়র ফায়ারম্যান পদে কর্মরত দ্বীপ গোলাপ দাস উরফে ডেভিডের ব্যক্তিগত গাড়িতে রং লাগিয়ে দেয়। যার ফলে দ্বীপ গোলাপ দাস ওরফে ডেভিড উত্তেজিত হয়ে নাবালিকা মেয়েটির গলা টিপে ধরে এবং নাবালিকাটিকে মারধর করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পর নাবালিকা মেয়েটির পরিবারের পক্ষ থেকে আমতলী থানায় অভিযুক্ত ওএনজির জুনিয়র ফায়ারম্যান দ্বীপ গোলাপ দাস ওরফে ডেভিডের বিরুদ্ধে লিখিত মামলা দায়ের করে। ঘটনার পর নাবালিকা মেয়েটিকে হাঁপানিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হয় এবং হাসপাতালের মেডিকেল রিপোর্টে উল্লেখ করা হয় নাবালিকা মেয়েটির গলা টিপে ধরা হয় এবং তার পায়ের হাঁটুতেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।পরে নাবালিকা মেয়েটির পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সঠিক বিচারের আশায় রাজ্য শিশু সুরক্ষা ও অধিকার কমিশনেও লিখিত অভিযোগ জানায়। এরপরেই ঘটনার জল ঘোলা হতে থাকে। একটি নাবালিকা মেয়ের সাথে এই ধরনের ঘটনায় রাজ্য পুলিশ কমিশনের প্রাক্তন সদস্যা ডঃ এইচ কেরল ডিসুজাও স্পষ্টভাবে অভিযুক্ত ডেবিডকে গ্রেফতারের দাবি তুলেন। এরপর থেকেই আমতলী থানার পুলিশের মধ্যে তোড়জোড় শুরু হয়ে যায় অভিযুক্ত জুনিয়র ফায়ারম্যান দ্বীপ গোলাপ দাস ওরফে ডেভিডকে গ্রেফতারের জন্য। এরপর শুক্রবার রাতে তাকে আমতলী থানার পুলিশ আটক করলে। ধৃত দ্বী গোলাপ দাস অসুস্থ বলে নতুন এক নাটক মঞ্চস্থ করে। এরপর আমতলী থানার পুলিশ তাকে তড়িঘড়ি হাঁপানিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর পুনরায় তাকে আবার থানায় নিয়ে আসা হয়। যদিও ধৃত ডেভিডকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নিতে তার স্ত্রী সহ কয়েকজনকে দুর্ঝাপ করতে দেখা গেছে। শুধু তাই নয় তাকে ছাড়িয়ে নিতে তার স্ত্রী অন্য এক অদৃশ্য শক্তি ও ব্যবহার করেছিল কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোন লাভ হয়নি। এই ব্যাপারে আমতলী থানার পুলিশ ২৫/২০২৬ নম্বর অনুযায়ী ১২৬(২),১১৭(২),৩০৫(২),৩৫১(৩), এবং পক্সো আইনে মামলা নথিভুক্ত করে। শনিবার দুপুরে দ্রুত দ্বীপ গোলাপ দাস ওরফে ডেভিডকে আদালতে প্রেরণ করে। এই ঘটনায় ওএনজিসি কলোনি এলাকার মানুষকে বলতে শোনা গেছে এটুকু একটি নাবালিকা মেয়ের সাথে ওএনজির একজন কর্মীর এই ধরনের ঘটনা সংঘটিত করতে এক ফোটাও ভাবলো না! তাই এই ঘটনায় ধৃত ওএনজির জুনিয়র ফায়ারম্যান ডেভিডের কঠোর শাস্তির দাবি উঠছে। এই ব্যাপারে শনিবার দুপুরে আমতলী থানার ওসি পরিতোষ দাস বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন সাংবাদিকদের সামনে।

কমলপুর মহকুমায় নাবালিকা কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ পিতার বিরুদ্ধে, গ্রেফতার

কমলপুর মহকুমায় নাবালিকা কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ পিতার বিরুদ্ধে, গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিনিধি:কমলপুর মহকুমার সালেমা থানা এলাকায় এক ঘৃণ্য ও বর্বর ঘটনা সামনে এসে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। নিজের নাবালিকা কন্যাকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে এক পিতাকে গ্রেফতার করেছে সালেমা থানার পুলিশ। যে পিতার কাছে সন্তান সবচেয়ে নিরাপদ থাকার কথা, সেই পিতাই এই জঘন্য অপকর্মের অভিযুক্ত — এই ঘটনা সমাজের বিবেককে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে ওই নাবালিকার মা তার মেয়েকে নিয়ে সালেমা থানায় উপস্থিত হয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, প্রায় পাঁচ মাস আগে কাজের উদ্দেশ্যে তিনি ব্যাঙ্গালোরে যান এবং সেই সময় তার ছেলে ও মেয়েকে তাদের বাবার কাছে রেখে যান। অভিযোগ অনুযায়ী, মা-র অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে অভিযুক্ত পিতা একাধিকবার তার নিজের নাবালিকা কন্যাকে ধর্ষণ করে। এই ঘটনা কোনো সভ্য সমাজে মেনে নেওয়ার যোগ্য নয়।সম্প্রতি মহিলা বাড়িতে ফিরে আসার পর মেয়েটির পায়ে অস্ত্রোপচারের জন্য তাকে ধলাই জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় নাবালিকা মেয়েটি তার মাকে পুরো ঘটনার কথা জানায়। এরপরেই ক্ষুব্ধ মা থানায় ছুটে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে সালেমা থানায় নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়। পুলিশ দ্রুত তদন্তে নামে এবং প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় গতকাল রাতেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। আজ অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।এই ঘটনায় স্থানীয় মহলে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। নাবালিকার দ্রুত সুস্থতা এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠেছে সর্বত্র।

অনিশ্চয়তায় ধুঁকছে যুব সমাজ  : নবারুন দেব

অনিশ্চয়তায় ধুঁকছে যুব সমাজ : নবারুন দেব

নিজস্ব প্রতিনিধি:"অনিশ্চিত কাজ, নেশায় ডুবছে যুব সমাজ, দৃঢ় সংগঠন গড়ে ইউনিটে ইউনিটে তোলো আওয়াজ- চাই সবার জন্য শিক্ষা সবার জন্য কাজ"। এই আহ্বানে আগামী ২৯ মার্চ ডুকলি বিভাগীয় কমিটির ৪র্থ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনের বার্তা ছড়িয়ে দিয়ে শনিবার সকালে বাধারঘাট চৌমুহনী থেকে একটি প্রচার মিছিল সংগঠিত হয়। মিছিলে শামিল ছিলেন ডি ওয়াই এফ আই রাজ্য কমিটির সম্পাদক নবারুন দেব, সংগঠনের ডুকলি বিভাগীয় কমিটির সভাপতি অরিন্দম বিশ্বাস, বিভাগীয় কমিটির সম্পাদক শুভংকর মজুমদার, রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য শান্তনু দেব, গৌতম ঘোষ ও বুল্টি বিশ্বাস, রাজ্য কমিটির সদস্য আবুল হুসেন, ডি ওয়াই এফ আই রাজ্য কমিটির প্রাক্তন সভাপতি রতন দাস, এস এফ আই রাজ্য কমিটির প্রাক্তন সম্পাদক সমর চক্রবর্তী প্রমুখ । বাধারঘাট চৌমুহনী থেকে সুসজ্জিত স্লোগান সোচ্চার মিছিলটি নানান পথ পরিক্রমা করে নাগেরজলাতে এক সভায় মিলিত হয়। এখানে সংগঠনের ডুকলি বিভাগীয় কমিটির সভাপতি অরিন্দম বিশ্বাসের সভাপতিত্বে রতন দাস ও নবারুন দেব আলোচনা করেন।

এডিসি ভোটে বিজেপির জয় নিশ্চিত : টিংকু রায়

এডিসি ভোটে বিজেপির জয় নিশ্চিত : টিংকু রায়

নিজস্ব প্রতিনিধি:আসন্ন এডিসি নির্বাচন কে সামনে রেখে কুমারঘাটে শক্তি প্রদর্শন করল ভারতীয় জনতা পার্টি। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে জনজোয়ারে পরিণত হয় কুমারঘাট জনপথ। এদিন এডিসির ২ নএডিসি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুমারঘাটে বিজেপির শক্তি প্রদর্শন, হাজার হাজার কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতিতে মনোনয়ন জমাম্বর আসনের প্রার্থী মনজুর রানী সরকার এবং ৪ নম্বর আসনের প্রার্থী বিমল কান্তি চাকমার সমর্থনে বর্ণাঢ্য মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।দলীয় পতাকা ও স্লোগানে মুখরিত পরিবেশে কর্মী-সমর্থকরা মিছিল করে কুমারঘাট মহকুমা কার্যালয়ে পৌঁছান এবং সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই প্রার্থী তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী টিংকু রায়, মণ্ডল সভাপতি রাজীব চাকমা সহ দলের একাধিক নেতৃত্ব ও কর্মীরা।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী টিংকু রায় বলেন, মানুষের আশীর্বাদ ও সমর্থন নিয়ে আসন্ন এডিসি নির্বাচনে বিজেপি বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে। তিনি জানান, রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে জনগণ এবার বিজেপির উপর আস্থা রাখবেন বলে দল আশাবাদী।নেতৃত্বের দাবি, পাহাড়ের উন্নয়নের ইস্যুকেই সামনে রেখে নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছে বিজেপি এবং ১০০ শতাংশ জয়ের লক্ষ্যে সংগঠনের প্রতিটি স্তরের কর্মীরা একযোগে কাজ করছেন।এদিনের বিশাল মিছিল ও মনোনয়ন জমা কর্মসূচি ঘিরে কুমারঘাট এলাকায় উৎসবমুখর রাজনৈতিক পরিবেশের লক্ষ্য করা গেল।

কৃত্তীম জ্বালানী সংকট রুখতে কড়া বার্তা খাদ্য মন্ত্রীর

কৃত্তীম জ্বালানী সংকট রুখতে কড়া বার্তা খাদ্য মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রজ্ঞা ভবনের ১ নং হলে আজ পেট্রোলিয়াম ডিলার ও এল.পি.জি. গ্যাস সরবরাহকারী এজেন্সির প্রতিনিধিদের নিয়ে এক পর্যালোচনা সভা এবং রাজ্যস্তরের ভোক্তা সচেতনতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় খাদ্যমন্ত্রী শ্রীচৌধুরী পেট্রোলিয়াম পণ্যের সরবরাহ ও বিতরণ সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে পেট্রোলিয়াম ডিলার ও এল.পি.জি. সরবরাহকারী এজেন্সির প্রতিনিধিদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেন। রাজ্যের কোথাও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য বা এল.পি.জি. গ্যাসের চাহিদা অনুযায়ী ঘাটতি আছে কিনা মানুষ সঠিক নির্ধারিত মূল্যে তা পাচ্ছে কিনা, এই সমস্ত বিষয়গুলি নিয়ে তিনি ডিলারদের সাথে মতবিনিময় করেন।খাদ্যমন্ত্রী শ্রীচৌধুরী মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যাতে রাজ্যে গ্যাস, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসমূহ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি না ছড়ায় সে বিষয়ে দপ্তরের আধিকারিক, ডিলার, এজেন্সি সহ সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। তিনি সভায় জানান, রাজ্যে পেট্রোল, ডিজেল বা এল.পি.জি. গ্যাসের কোনও ঘাটতি নেই। তবে আগামীদিনে যাতে এ বিষয়ে কোনও ক্রাইসিস তৈরি না হয় সেজন্য আরবান এলাকায় ২৫ দিন এবং গ্রামীণ এলাকায় ৪৫ দিনের ব্যবধানে এল.পি.জি. গ্যাস সংগ্রহে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ অনুসারে তা করা হয়েছে। এনিয়ে যাতে জনমনে কোনও বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয় এবিষয়ে খাদ্য দপ্তর ও ডিলার কর্তৃপক্ষকে গ্রামীণ ও নগর এলাকায় সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করার পরামর্শ দেন। সেই সাথে তিনি জানান, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য নিয়ে যাতে কোনও ধরনের কালোবাজারি না হয় সেদিকেও কড়া নজর রাখতে হবে। যদি এমন কোনও ঘটনা অর্থাৎ চড়া দামে যদি কোথাও কোনও ধরনের পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য বিক্রি হচ্ছে জানা যায় সেক্ষেত্রে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও সভায় তিনি জানান।খাদ্যমন্ত্রী শ্রীচৌধুরী ভোক্তা সচেতনতা বিষয়ে বলেন, ভোক্তাদের সাথে সমন্বয় সাধন করেই আমাদের কাজ করতে হবে। কারণ ভোক্তাদের নির্ধারিত সঠিকমূল্যে পণ্য সরবরাহ করাই আমাদের উদ্দেশ্য থাকতে হবে। নিরাপদ পণ্য, আত্মবিশ্বাসী ভোক্তা এই বছরের এই থিম অনুযায়ী আমাদের ভোক্তাদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে হবে। এজন্য ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যে সমন্বয় সাধনমূলক ভাবনা তৈরির বিশেষ প্রয়োজন আছে বলে তিনি মনে করেন। সভায় পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের সরবরাহ ও ক্রেতাস্বার্থ সুরক্ষা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন খাদ্য দপ্তরের বিশেষ সচিব দেবপ্রিয় বর্ধন ও খাদ্য দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব ও অধিকর্তা সুমিত লোধ। সভায় উপস্থিত ছিলেন খাদ্য দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা অভিজিৎ বিশ্বাস, দপ্তরের বিভিন্ন পদস্থ আধিকারিকগণ, রাজ্যের বিভিন্ন ন্যায্যমূল্যের দোকানের প্রতিনিধিগণ, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য সরবরাহকারী ডিলার ও এজেন্সির প্রতিনিধিগণ।

আগুনে নি:স্ব তিনটি কৃষক পরিবার

আগুনে নি:স্ব তিনটি কৃষক পরিবার

নিজস্ব প্রতিনিধি: কৈলাসহর বালুছড়া গ্রামের ইসলাম উদ্দিন, হজ্জাতুল ইসলাম এবং নুরুল ইসলামের পরিবার দিশেহারা।আগুনে পুড়ে তিনটি বসতবাড়ি ছাই হয়ে যায়। নি:স্ব হয়ে যায় তিনটি কৃষক পরিবার। ঘটনা কৈলাসহরের বালুছড়া গ্রামে। উল্লেখ্য, কৈলাসহরের গৌরনগর ব্লকের অধীনস্হ ইছবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পাঁচ নং ওয়ার্ডের বালুছড়া গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা ইসলাম উদ্দিন, হজ্জাতুল ইসলাম এবং নুরুল ইসলাম তিন ভাই পেশায় কৃষক। তিন ভাই ইদানীং কালে আলাদা আলাদা ভাবে নতুন বিল্ডিং ঘর নির্মান করে বসবাস করছিলেন। বুধবার দুপুরে তিন ভাই বাড়িতে ছিলেন না। বাড়িতে তিন ভাইয়ের স্ত্রী সহ শিশুরা ছিলেন। হঠাৎ করে ঘরে আগুন দেখে বাড়ির মহিলারা চিৎকার চেচামেচি শুরু করলে গ্রামবাসীরা ছুটে আসেন এবং আগুন লাগার খবর পেয়ে তিন ভাইও ছুটে আসেন। ঘটনার সাথে সাথেই কৈলাসহরের অগ্নি নির্বাপক দপ্তরে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়েই দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষনে ঘরের ভিতরে থাকা সোনা গয়না, নগদ এক লক্ষ টাকা, দামী বিছানা, ধান, দামী আসবাবপত্র সহ ঘরের ভিতরে থাকা সমস্ত কিছু আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এমনকি বিল্ডিং ঘরের টিনের ছাউনির সমস্ত টিন গুলোও পুড়ে যায়। তিন ভাইয়ের সমস্ত অরিজিনাল সার্টিফিকেট গুলো আগুনে পুড়ে যায়। আগুন লাগার খবর পেয়ে শহরের বিজেপি দলের নেতৃত্বরা ঘটনাস্থলে যান। নেতৃত্বদের মধ্যে ছিলেন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী সন্দীপ দেবরায়, আইনজীবী বিজিত দাস, যুব মোর্চা ঊনকোটি জেলা কমিটির সভাপতি অরুপ ধর, বিজেপি দলের সক্রিয় কর্মী ফুজাইল আলী, জুয়েল আহমেদ, পঞ্চায়েত সদস্য আরজান আলী, পঞ্চায়েত সদস্য আনছার আলী সহ আরও অন্যান্য নেতৃত্বরা। বিজেপি দলের নেতৃত্বরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তিন ভাইয়ের সাথে আলোচনা করে সমস্ত কিছু জানার পর কৈলাসহরের মহকুমা শাসক এবং তহশীলদার সহ কৃষি দপ্তরের আধিকারিকদের সাথে ফোনে সমস্ত কিছু জানান এবং পরবর্তী সময়ে তহশিলদার ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাওয়ার সমস্ত কিছু লিখে আনেন। আইনজীবী সন্দীপ দেবরায় জানান যে, প্রাথমিকভাবে জানা যায় যে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। আগুনে সমস্ত কিছু পুড়ে গিয়ে তিন ভাই হতাশ হয়ে পড়েছে। শরীরে পড়ার জন্য কাপড়ও নেই। দলের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে খুব শীঘ্রই মাথা গুজাবার জন্য স্থায়ী ঘরের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে এবং অন্যান্য সাহায্য সহযোগিতাও করা হবে বলে জানান সন্দিপ বাবু।

সিট্যুর বিধানসভা অভিযানে পুলিশি বাধাদান , ক্ষোভ প্রকাশ মানিক সরকারের

সিট্যুর বিধানসভা অভিযানে পুলিশি বাধাদান , ক্ষোভ প্রকাশ মানিক সরকারের

নিজস্ব প্রতিনিধি: নিয়মিতকরণ, বকেয়া মহার্ঘ ভাতা, শ্রম কোড বাতিল সহ ৪ দফা দাবিতে বিধানসভা অভিযানে সামিল হয়েছে সিআইটিইউ। কিন্তু মিছিলটি শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে বিধানসভা অভিমুখে এগোতে শুরু করলে ডিমসাগর এলাকায় আসতেই পুলিশ মিছিলটিকে আটকে দেয়। পুলিশি বাধার মুখে কিছুক্ষণের জন্য বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাকবিতণ্ডা হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে।এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রাক্তন পলিটব্যুরো সদস্য মানিক সরকার। চারটি দাবি হলো—অস্থায়ী শ্রমিকদের স্থায়ী করা, বকেয়া ডিএ ও ডিআর প্রদান, কেন্দ্রীয় শ্রম কোড কার্যকর না করা এবং ছাঁটাই হওয়া সমস্ত কর্মীদের পুনর্বহাল করা।পরবর্তী সময়ে তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে বর্তমান কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, স্বাধীনতার পর দেশের মানুষ বহু সরকার দেখেছে, কিন্তু বর্তমান সরকারের মতো জনবিরোধী ও শ্রমিকবিরোধী সরকার আগে কখনও দেখা যায়নি।তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর সাধারণ মানুষের কল্যাণে চালু হওয়া একাধিক প্রকল্প ধীরে ধীরে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ শ্রমজীবী, অথচ তাঁদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার উদাসীন।মানিক সরকারের বক্তব্যে উঠে আসে, শ্রমিকদের অধিকার রক্ষার আন্দোলন ভবিষ্যতেও জারি থাকবে এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চলবে।

বিশালগড় থানা নয়, ট্রাফিক পুলিশ পেছনে ধাওয়া করে চড়িলামে গিয়ে ধরলো প্রচুর ইয়াবা ট্যাবলেট বোঝাই গাড়ি!!

বিশালগড় থানা নয়, ট্রাফিক পুলিশ পেছনে ধাওয়া করে চড়িলামে গিয়ে ধরলো প্রচুর ইয়াবা ট্যাবলেট বোঝাই গাড়ি!!

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিশালগড় ট্রাফিক পুলিশের সাফল্য। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বিশালগড় ট্রাফিক পুলিশ বিশালগড় বাইপাস সড়ক থেকে সন্দেহবাজন একটি ওয়াগণার গাড়িকে পেছন পেছন ধাওয়া করে চড়িলাম দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয় সংলগ্ন জাতীয় সড়কে আটক করে। গাড়িটি আটক করার পর গাড়ি থেকে এক যুবক পালিয়ে যায় তার নাম রোহিত। ওয়াগনার গাড়ির চালক কাম মালিক সাগর শুক্লদাসকে আটক করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বিশালগড় মহকুমা পুলিশ আধিকারিক বিকাশ সিনথিয়া। তারা গাড়িটিতে তল্লাশি চালাচ্ছে। সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এবং বিশালগড় থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত সেকেন্ড ও সি অথবা ওসি ঘটনাস্থলে ছুটে আসলে কাউন্ট করার পর বাইট দেওয়া হবে।

সাড়া জাগানো মনোনয়ন জমা ধর্মনগর উপ নির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীর

সাড়া জাগানো মনোনয়ন জমা ধর্মনগর উপ নির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীর

নিজস্ব প্রতিনিধি: সোমবার এক বর্ণাঢ্য মিছিলের মধ্য দিয়ে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন কংগ্রেস প্রার্থী চয়ন ভট্টাচার্য।রাজ্যে আসন্ন উপনির্বাচনের দামামা বেজে যাওয়ার মধ্যেই এদিন ধর্মনগরে বিশাল শক্তি প্রদর্শন করে কংগ্রেস। সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ ধর্মনগর জেলা কংগ্রেস ভবন থেকে শুরু হয় সুসজ্জিত মিছিল। দলীয় পতাকা, ব্যানার ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা শহর। মিছিলের অগ্রভাগে ছিলেন প্রার্থী চয়ন ভট্টাচার্য। দলীয় কর্মী-সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি ও উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।শহরের বিভিন্ন প্রধান সড়ক পরিক্রমা করে মিছিলটি মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে পৌঁছায়। সেখানে মহকুমা শাসক তথা রিটার্নিং অফিসার দেবযানী চৌধুরীর কাছে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।জমা দিয়ে বেরিয়ে এসে চয়ন ভট্টাচার্য জয়ের ব্যাপারে পূর্ণ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে মানুষ কংগ্রেসের পাশেই থাকবে।হাজার হাজার সমর্থকের এই জমায়েতকে উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেসের বড়সড় শক্তি প্রদর্শন হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল। এখন দেখার, এই জনসমর্থন ভোটের ফলাফলে কতটা প্রভাব ফেলে।

মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কুৎসা ,আটক অভিযুক্ত

মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কুৎসা ,আটক অভিযুক্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি: সামাজিক মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিকর পোস্ট করার অভিযোগে সুবি রায় ত্রিপুরা নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। ধৃত যুবকের বাড়ি দক্ষিণ ত্রিপুরার সাবরুমের কলাছড়া এলাকায়। তার বয়স প্রায় ৩২ বছর বলে জানা গেছে।পুলিশ সূত্রে খবর, আজ ভোর প্রায় ৫টা নাগাদ সাবরুম থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়ার জন্য তাকে পশ্চিম থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।ওৎ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এখন দেখার বিষয় আদৌ মূল রহস্যের উন্মোচন হয় কিনা । সেদিকে তাকিয়েই এখন রাজ্যবাসী।

অনিশ্চয়তায় ধুঁকছে যুব সমাজ : নবারুন দেব | Newstoplink.com