surga-image

Tags

Share this article

ধর্মনগরে বিজেপির যুব শঙ্খনাদ সমাবেশে মুখ্যমন্ত্রী

ধর্মনগরে বিজেপির যুব শঙ্খনাদ সমাবেশে মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি: রেলযোগে ধর্মনগরে এসে বিজেপির উত্তর জেলা যুব মোর্চার উদ্যোগে আয়োজিত ‘যুব শঙ্খনাদ ২০২৬’ সমাবেশে যোগ দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ড. মানিক সাহা। শুক্রবার ধর্মনগরের বিবিআই ময়দানে অনুষ্ঠিত এই যুব সমাবেশকে কেন্দ্র করে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।এই জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ড. মানিক সাহা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রদেশ বিজেপির সভাপতি রাজিব ভট্টাচার্য,রাজ্য সরকারের মন্ত্রী টিংকু রায়,প্রদেশ যুব মোর্চার সভাপতি ও বিধায়ক সুশান্ত দেব,উত্তর জেলা বিজেপির সভাপতি কাজল দাস,প্রদেশ ওবিসি মোর্চার সভাপতি মলিনা দেবনাথ,বিধায়ক যাদব লাল দেবনাথ,বিধায়ক বিনয় ভূষণ দাস,জেলা যুব মোর্চার সভাপতি জয়জিত শর্মা এবং উত্তর জেলা পরিষদের সভাধিপতি অপর্ণা নাথ।এছাড়াও সভায় দলের অন্যান্য পদাধিকারী,কর্মী ও বিপুল সংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

স্ত্রী-কে খু*ন করে মৃ*তদেহ নিয়ে রাত কাটালেন অভিযুক্ত খু*নি স্বামী

স্ত্রী-কে খু*ন করে মৃ*তদেহ নিয়ে রাত কাটালেন অভিযুক্ত খু*নি স্বামী

নিজস্ব প্রতিনিধি: সকালে নাটক করতে গিয়ে ধরা পড়ে অভিযুক্ত স্বামী লক্ষিন্দর মুন্ডা।মৃ*ত গৃহবধুর নাম মনি মুন্ডা (রটে)।ঘটনা কমলাসাগর হরিশ নগর মুন্ডা পাড়া।অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করে বিশালগড় থানা পুলিশ। পারিবারিক অশান্তির জানি প্রতিনিয়ত যৌতুক দেওয়ার জন্য নেশাগ্রস্ত অবস্থায় স্বামী স্ত্রীর উপর প্রতিনিয়ত আক্রমণ চালায়। ঘরে দুটি সন্তান কোন সন্তান রয়েছে। কিন্তু নেশাগ্রস্ত স্বামী সেদিকে চিন্তা না করে গতকাল রাতে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ঘরে ঢুকে স্থির উপর নির্যাতন চালায়। স্বামীর লোহা রড দিয়ে নিজ মাথায় আঘাত করে রাতে মাথা ফেটে চৌচির স্ত্রীর মৃত্যু হয়। কিন্তু স্বামী সে ঘটনা কাউকে জানায়নি শুক্রবার সকালে হঠাৎ সে চিৎকার করতে থাকে তার স্ত্রী মাটিতে পড়ে রয়েছে। মৃত গৃহবধূর আত্মীয়-স্বজন ছুটে এসে তাকে জিজ্ঞাসা করতে তার কথায় অসংলগ্নতা লক্ষ্য করতে পেরে খবর দিয়ে বিশালগড় থানায়‌ পুলিশ ঘটনার তলে ছুটে গিয়ে স্বামীকে জিজ্ঞাসা করতে সেই কোন রকম সঠিক উত্তর দিতে পারিনি দ্রুততাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। এই ঘটনাই মুহূর্তের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং অভিযুক্ত স্বামীর কঠোর শাস্তির দাবি করেন এলাকাবাসী।

জনজাতি এলাকার উন্নয়নে আন্তরিক রাজ্য সরকার: মুখ্যমন্ত্রী , ডক্টর মানিক সাহা

জনজাতি এলাকার উন্নয়নে আন্তরিক রাজ্য সরকার: মুখ্যমন্ত্রী , ডক্টর মানিক সাহা

নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরার জনজাতি জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ হিসেবে “মুখ্যমন্ত্রী জনজাতি কল্যাণ উন্নয়ন অভিযান”-এর আওতায় তেলিয়ামুড়া মহকুমার চাকমাঘাট ব্যারেজ প্রাঙ্গনে বৃহস্পতিবার আয়োজিত হল এক বিশেষ কর্মসূচি। এদিন প্রায় পাঁচ হাজার জনজাতি বস্ত্রবুনন শিল্পীর হাতে বিনামূল্যে সুতা তুলে দেওয়া হয়। এই দিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ রাজিব ভট্টাচার্য, জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা , রাজ্য বিধানসভার মুখ্য সচেতক কল্যাণী সাহা রায় , বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী সহ মহকুমা প্রশাসনের আধিকারিক ও অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা।সরকারি এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিশেষ করে জনজাতি মহিলা বুনন শিল্পীদের হাতে সুতা তুলে দেন উপস্থিত অতিথিরা। এর ফলে গ্রামীণ এলাকায় ঐতিহ্যবাহী বস্ত্রবুনন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত পরিবারগুলির জীবিকা আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য বলেন, জনজাতি জনগণের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে রাজ্য সরকার চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে প্রায় ৩৪৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মৌলিক অধিকার রক্ষায় এই অর্থ ব্যয় করা হবে বলেও তিনি জানান।তাঁর কথায়, অতীতে জনজাতি জনগণের উন্নয়নে তেমন উদ্যোগ দেখা যায়নি, তবে বর্তমানে উন্নয়নমূলক বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে তাদের জীবনমান উন্নয়নের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।অন্যদিকে, বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা বলেন, অতীতে জনজাতি সমাজকে ঘিরে আবেগের রাজনীতি হয়েছে, যার ফলে প্রকৃত উন্নয়ন ব্যাহত হয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে জনজাতি মানুষদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বে জনজাতি জনগণের স্বনির্ভরতা ও জীবিকা উন্নয়নের জন্য নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিরাও জনজাতি সম্প্রদায়ের উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। সুতা বিতরণ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এদিন চাকমাঘাট ব্যারেজ প্রাঙ্গনে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বহু মহিলা বুনন শিল্পী এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

নাবালিকার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

নাবালিকার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি:দক্ষিণ রামনগর জয়সুন্দরী জে বি স্কুলের সামনে ১০ বছরের নাবালিকার নিথর দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে এখনো । খুন না আত্মহত্যা সন্দিহান এলাকাবাসী ।নাবালিকার নাম শূষমিতা দেবনাথ , বয়স - ১৪ , সপ্তম শ্রেণির স্কুল ছাত্রী। বাড়ি সাব্রুম পশ্চিম জলাফা এলাকায় ।৫ মাস ধরে দক্ষিণ জয়নগর জয়সুন্দরী জে বি স্কুলের সামনে মনি দেবের বাড়িতে থাকে।মৃতা নাবালিকার বাবা টুটন দেবনাথ - দিন মজদুরের কাজ কাজ করে। মা - জয়ন্তী দেবনাথ বাসা বাড়িতে কাজ করে । এই ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন। তদন্ত শুরু হয়েছে। কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছেন মৃতার মা বাবা। শোকাহত এলাকাবাসী ।

এন ডি পি এস মামলায় আটক রাজা , তদন্তে পুলিশ

এন ডি পি এস মামলায় আটক রাজা , তদন্তে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি : এনডিপিএস মামলায় দীর্ঘদিন ধরে পলাতক আসামি রাজা সাহাকে আটক করেছে পূর্ব থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল গভীর রাতে গোপন খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালায় পূর্ব থানার পুলিশ। সেই অভিযানে পূর্ব থানা সংলগ্ন শনি মন্দির এলাকা থেকে রাজা সাহাকে আটক করা হয়।রাজা সাহার বাড়ি শহরের টাউন প্রতাপগড় এলাকায়। তিনি ২০২৫ সালের একটি এনডিপিএস মামলায় দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন।এ বিষয়ে পূর্ব থানার ওসি সুব্রত দেবনাথ জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে। আজ তাকে আদালতে তোলা হবে। পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

উপরাষ্ট্রপতি রাজ্য সফর ঘিড়ে প্রস্তুতি চূড়ান্ত

উপরাষ্ট্রপতি রাজ্য সফর ঘিড়ে প্রস্তুতি চূড়ান্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী ৭ মার্চ রাজ্যে আসছেন দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণাণ। তাঁর এই সফরকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই সফর সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানাতে গিয়ে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ডঃ বিশাল কুমার জানান, ৭ মার্চ উপ রাষ্ট্রপতি রাজ্যে আসবেন। ৮ মার্চ সকালে আগরতলায় অবস্থিত অ্যালবার্ট এক্কা ওয়ার মেমোরিয়ালে বীর সেনানীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন উপ-রাষ্ট্রপতি। এরপর তিনি উদয়পুরে গিয়ে মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দিরে পুজো দেবেন।এরপর ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪তম সমাবর্তন উৎসবে যোগ দেবেন তিনি। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের ডিগ্রি প্রদান সহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। এছাড়াও হাঁপানিয়াস্থিত ইন্টারন্যাশনাল মেলা প্রাঙ্গণে লাখপতি দিদিদের সঙ্গেও মত বিনিময় করার কথা রয়েছে তাঁর।

জলের অভাবে বেকায়দায় পড়েছেন মান্দাই মাধব পাড়ার মানুষ!

জলের অভাবে বেকায়দায় পড়েছেন মান্দাই মাধব পাড়ার মানুষ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: মান্দাই মাধব পাড়ার জনগণ পানিয়ে জলের অভাবে জর্জরিত,প্রশাসন ও স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ!!মান্দাই ব্লকের অন্তর্গত মাধব পাড়া এলাকার জনগণ দীর্ঘদিন যাবত পানীয় জলের অভাবে চরম ভোগান্তির শিকার।সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন ট্যাংকারের মাধ্যমে জল সরবরাহ করা হলেও এতে খুবই সমস্যার সম্মুখীন স্থানীয়রা।বিষয়টি মাধব পাড়ার জনগণ মান্দাই ব্লক এবং স্থানীয় বিধায়িকা স্বপ্না দেবর্মাকে একাধিকবার জানালেও প্রতিশ্রুতির পূরণ আজও হলো না।এই এলাকায় "না আছে নল না আছে জল"।তাই অবশেষে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জনগণ রাজ্য সরকারের জল বোর্ড এবং সরকারের নিকট পানীয় জলের ব্যবস্থা করার আবেদন জানান।পাশাপাশি হুশিয়ারি দেন আগামীদিনে তাদের দাবি পূরণ না হলে আন্দোলনে যাবে।

হোলিতেও দুই গোষ্ঠীর লড়াই কৈলাসহরে! প্রাক্তন বুথ সভাপতি ও তার স্ত্রী ও মেয়েকে মারধরের অভিযোগ স্বদলীদের বিরুদ্ধে!! পাল্টা অভিযোগ করেছে অভিযুক্তরাও!

হোলিতেও দুই গোষ্ঠীর লড়াই কৈলাসহরে! প্রাক্তন বুথ সভাপতি ও তার স্ত্রী ও মেয়েকে মারধরের অভিযোগ স্বদলীদের বিরুদ্ধে!! পাল্টা অভিযোগ করেছে অভিযুক্তরাও!

নিজস্ব প্রতিনিধি: শাসক বিজেপি দলের দুই গোষ্ঠীর লড়াইয়ে হোলির দিনেও কলঙ্কিত কৈলাসহর। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে উত্তপ্ত কৈলাসহরের শহর এলাকা। চার মার্চ বুধবার হোলিতে যখন সবাই মত্ত্ব ছিলো তখন সন্ধ্যার প্রাকমুহূর্তে কৈলাসহর পুর পরিসদের বৌলাপাশা এলাকায় শাসক বিজেপি দলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে লড়াই সংঘটিত হয়েছে। তবে এক পক্ষ আরেক পক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও কার অভিযোগ সত্য তা পুলিশের তদন্তে আসল সত্য বেরিয়ে আসবে বলে সকলের অভিমত। উল্লেখ্য, কৈলাসহর পুর পরিষদের বৌলাপাশা এলাকার বাসিন্দা অমিত দাস। এলাকার সবাই অমিতকে শান্তা বলেই চেনে। অমিত শাসক বিজেপি দলের সক্রিয় সদস্য এবং ৫৩-কৈলাসহর বিধানসভা কেন্দ্রের ৪১নং বুথের প্রাক্তন বিজেপি দলের সভাপতি। অমিত দাস স্থানীয় সংবাদ প্রতিনিধিদের নিজ বাসভবনে আমন্ত্রণ জানিয়ে অভিযোগ করেন যে, বুধবার দিনভর হোলিতে ব্যস্ত থাকার পর বিকেলে নিজ বাড়িতে এসে খাওয়া দাওয়া করে ঘুমিয়ে পড়েন। ঘুমে থাকা অবস্থায় সন্ধ্যার প্রাকমুহুর্তে পাশের এলাকার সায়ন চন্দ্র সহ চার পাঁচজন যুবক অমিতের বাড়িতে এসে অমিতকে ডাকে। তখন অমিতের স্ত্রী ঘর থেকে বেরিয়ে এসে জানায় অমিত ঘুমে রয়েছে। একথা শোনার পরও সায়ন চন্দ্র বলে অমিতকে ডাকুন জরুরী প্রয়োজন রয়েছে। এরপর অমিতের স্ত্রী অমিতকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে এবং অমিত ঘর থেকে বের হয়ে সায়ন চন্দ্রদের সাথে দেখা করতেই সায়ন অমিতকে বলে যে, চলো তুমার পাশের বাড়ির মিঠুনের বাড়িতে তুমাকে নিয়ে যাবো। একথা শোনার পর অমিত মিঠুনের বাড়িতে রওনা হবার পর অমিতকে বেধড়ক মারধর করে। অমিতের চিৎকার চেচামেচি শোনে অমিতের স্ত্রী এবং অমিতের ১৬বছরের মেয়ে ছুটে এসে অমিতকে রক্ষা করতে চাইলে অমিতের স্ত্রীকে এবং ১৬বছরের নাবালিকাকেও বেধড়ক মারধর করে বলে জানান অমিত দাস। অন্যদিকে এলাকার নাগরিকরা অভি নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে তোলে দিয়েছে। তবে, অমিত দাস বিজেপি দলের প্রাক্তন বুথ সভাপতি কিংবা দলের সক্রিয় সদস্য হলেও উনি যাদের নামে অভিযোগ করেছেন উনারাও বিজেপি দলের সক্রিয় সদস্যএব্যাপারে সায়ন চন্দ্রের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সায়ন চন্দ্র জানান যে, অমিত দাস যা অভিযোগ করেছে তা সম্পুর্ন মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। সম্পুর্ন পরিকল্পিত ভাবে অমিত দাস সহ কিছু যুবক উনাদের উপর আক্রমণ করেছে। বিকেলে কৈলাসহর পুর পরিসদের বৌলাপাশা এলাকার ভারত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাটাতারের পাশ দিয়ে হাঁটছিলেন। সেসময় অমিত দাস সহ কিছু যুবক কোনো কারন ছাড়াই উনাদের উপর বেধড়ক মারধর করে এবং নিজেদেরকে রক্ষা করতে পরবর্তী সময়ে উনারা দৌড়ে পালিয়ে গেলেও অভি নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে তোলে দেওয়া হয়েছে। তবে, কি কারনে অমিত দাস সহ কিছু যুবক উনাদের উপর আক্রমণ করেছে তা উনারা নিজেরাও জানেন না বলে জানান সায়ন চন্দ্র তবে, কৈলাসহরে একের পর এক শাসক বিজেপি দলের গোষ্ঠীর লড়াইয়ে গোটা কৈলাসহরে তীব্র আতংক বিরাজ করছে। বিশেষ করে, তেইশ জানুয়ারি সরস্বতী পূজার দিনের বেলায় প্রকাশ্য রাজপথে যেভাবে বিজেপি দলের দুই গোষ্ঠীর লড়াইয়ে খোদ মন্ডল সভাপতি সহ বিজেপি দলের কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন এবং গোটা কৈলাসহরে যে আতংক বিরাজ করেছিলো সেটা আজও কৈলাসহরে দগ দগ করছে এবং শহরবাসীরা ভুলে যান নি। এরই মধ্যে আজ হোলির দিনে ফের শাসক দলের গোষ্ঠীর লড়াইয়ে শহরবাসীরা আতংকিত।

মধ্যপ্রাচ্যে চলছে যুদ্ধের বিভীষিকা

মধ্যপ্রাচ্যে চলছে যুদ্ধের বিভীষিকা

সম্পাদকীয় কলম : চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি গভীর উদ্বেগের । চারিদিকে যুদ্ধের বিভীষিকা । সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আগ্রাসন বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিঘ্নিত করেছে । স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রধানরা পর্যন্ত নিরাপদ নয় । মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিদ্যমান । এশিয়া মহাদেশের মধ্যে অন্যতম শক্তিধর দেশ ভারতবর্ষ । অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে । নৌ সেনা , স্থল ও আকাশপথে পর্যাপ্ত আগাম সুরক্ষা নিয়ে রেখেছে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক । সমস্ত রাজ্যগুলোকেও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে । যে কোন সময় আঘাত হলে প্রত্যাঘাত করতে সক্ষম ভারত । তবে , মধ্য প্রাচ্যের অস্থিতিশীল অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী । যুদ্ধ মানেই সম্পদ ও মানব জাতির ক্ষতি । তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হলে ভৌগোলিক মানচিত্র থেকে বহু দেশ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন বিশেষজ্ঞরা । আগ্রাসন ও কতৃত্ব কায়েম করতে ইরানের রাষ্ট্র প্রধানের হত্যার পর পাল্টা প্রত্যাঘাত যেন ভয়াবহতা বাড়িয়েছে । এদিকে হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষনা ইরানের । বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তেল সংকট সৃষ্টির আশঙ্কা । মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলো আভ্যন্তরীণ শান্তি ও নিরাপত্তা ভুলে ক্ষমতার বহিঃ প্রকাশ করতে মারন খেলায় মেতে উঠেছে। ইসলামীক রাষ্ট্রগুলোও বহু ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ছে । সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি মধ্য প্রাচ্যের প্রায় সব রাষ্ট্রেই পরমাণু শক্তি ধীরে ধীরে গোপনে বৃদ্ধি করে নিয়েছে । এমতাবস্থায় যুদ্ধের অশনি আবহাওয়ায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ন্যায় পরমাণু কোন হামলা হলে পরিণাম ভোগতে হবে গোটা মানব সভ্যতাকে । বিশ্ব শান্তি রক্ষায় জাতি সংঘ , ন্যাটো , ইউন্যস্কো সহ বিশ্ব মানবাধিকার কমিশনের মধ্যস্থতা অত্যন্ত আবশ্যক । এই পরিস্থিতি বন্ধ না হলে আন্তর্জাতিক আর্থিক ,বাণিজ্যিক , সামাজিক যাবতীয় ব্যালেন্স নষ্ট হয়ে পড়বে । শেয়ার বাজারে ধ্বস পড়বে । মূল্যবৃদ্ধি হবে । সাধারন জনজীবন বিপন্ন হয়ে পড়বে । স্থিতিশীল দেশের মধ্যে অস্থিতিশীলতা ঘনীভূত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে । মানব সম্পদ রক্ষায় যুদ্ধের আগ্রাসন ভুলে স্থিতিশীল সহবস্থান গড়ে উঠুক মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে , এটাই কাঙ্খিত ।

0

এডিসি ভোটের মুখে পুরানো ফর্মে রতন

নিজস্ব প্রতিনিধি: এডিসি নির্বাচনের ওয়ার্ম-আপ শুরু মন্ত্রী রতন লাল নাথের।বোজংনগর ওয়াকি নগর কেন্দ্রের কার্যকর্তাদের নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠক।ত্রিপুরা স্বশাসিত জেলা পরিষদের নির্বাচনকে সামনে রেখে ১৪ নং বোধজংনগর–ওয়াখকিনগর কেন্দ্রের সকল বুথ কার্যকর্তাদের নিয়ে এক সাংগঠনিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন মন্ত্রী রতন লাল নাথ।আসন্ন নির্বাচনে ১৪ নং আসন থেকে ভারতীয় জনতা পার্টি মনোনীত প্রার্থীকে বিপুল ভোটে জয়ী করার দৃঢ় অঙ্গীকার গ্রহণ করা হয়।আগামী নির্বাচনে টিটি এডিসিতে ভারতীয় জনতা পার্টি সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে—এই বিশ্বাস ও আত্মবিশ্বাস নিয়েই এগিয়ে চলেছে সরকার বললেন মন্ত্রী রতন লাল নাথ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সদর গ্রামীণ জেলার সভাপতি, সিমনা, মোহনপুর বামুটিয়া মন্ডলের মণ্ডল সভাপতিগণ সহ অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দ ।