৮ বড়দোয়ালী ৬ নং বুথে মন কি বাত অনুষ্ঠান ঘিড়ে ব্যাপক সাড়া
নিজস্ব প্রতিনিধি: মন কি বাত ভারতীয় জনতা পার্টি৮নং টাউন বড়দোয়ালী মন্ডল । প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রবিবার মাসিক মন-কি-বাত অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের মানুষের সঙ্গে নিজের চিন্তাভাবনা ভাগ করে নেন। আজ মাসের শেষ রবিবার আজকের মন-কি-বাত অনুষ্ঠানটি ছিল ১৩১-তম পর্ব। সারা দেশের সঙ্গে রাজ্যেও প্রতিটি জেলার সংগঠনসহ মণ্ডল স্তর, বুথ স্তরে বিজেপি কর্মকর্তারা আজ মোদিজীর মন কি বাত শ্রবন করেন। আজকের এই মন কি বাত অনুষ্ঠানটি ৮ নং টাউন বড়দোয়ালী ৬ নং বুথে ও ৩২ নং ওয়ার্ড, ৫৩ নং বুথে শোনার ব্যবস্থা করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, মেয়র দীপক মজুমদার, বড়দোয়ালী মন্ডল সভাপতি শ্যামল দেয় মন্ডলের সাধারন সম্পাদক সৌম্য শুভ্র পাল , সম্পাদক পিনাকী চক্রবর্তী সহ দলীয় অন্যান্য নেতৃত্ব।
বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মার উস্কানি মূলক কর্মকান্ড , প্রতিবাদে বিক্ষোভ কৃষ্ণপুর মন্ডল বিজেপির
নিজস্ব প্রতিনিধি: বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা-র বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভে সরব হল বিজেপি। রবিবার বিকেলে চাকমাঘাটে ২৯ কৃষ্ণপুর মন্ডলের উদ্যোগে এক প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়। অভিযোগ, প্রাক্তন জঙ্গি সংগঠন ATTF-র সঙ্গে যুক্ত থাকা এবং সাম্প্রতিক ঘটনায় উস্কানিমূলক ভূমিকার প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি। মন্ডল কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি চাকমাঘাট এলাকার বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে তুই মধু বাজারে এসে শেষ হয়। সেখানে এটিটিএফ সুপ্রিমো প্রাক্তন জঙ্গি নেতা তথা বিধায়কের কুশপুতুল দাহ করে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা গ্রেফতারের দাবিতে স্লোগান তোলেন। বিকেলের এই কর্মসূচিতে চোখে পড়ার মতো ভিড় ছিল বলে দাবি সংগঠকদের। বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন এমডিসি বিদ্যুৎ দেববর্মা, মন্ডল সভাপতি ধনঞ্জয় দাস-সহ একাংশ নেতৃত্ব। মিছিলে নেতৃত্ব দেন বিদ্যুৎ দেববর্মা। তাঁর অভিযোগ, শনিবার খোয়াই মহকুমার রামচন্দ্রঘাট বিধানসভা কেন্দ্রের বাইজল বাড়ি এলাকায় বিজেপির নির্ধারিত বাইক র্যালি বানচাল করতে পথ অবরোধ করা হয়। পাশাপাশি জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা এবং বিজেপি নেতা প্রসেনজিৎ দেববর্মার বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। বিদ্যুৎ দেববর্মা আরও অভিযোগ তোলেন, বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা অতীতে সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় গণহত্যার ঘটনায় তাঁর ভূমিকা ছিল। তাঁর বক্তব্য, “যে ব্যক্তি অতীতে একাধিক নৃশংস ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত, তিনি আজও জনজাতি মানুষকে নিয়ে রাজনৈতিক খেলায় মেতেছেন। নিহত পরিবারের সদস্যরা আজও বিচারের অপেক্ষায়।
৫০ নং বুথে বোর্ড পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়
নিজস্ব প্রতিনিধি: চাপমুক্ত পড়াশুনার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাজ্যেও মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা পরীক্ষাকে নম্বরের প্রতিযোগিতা থেকে হৃদয়ঙ্গম করার উপর গুরুত্ব দিতে আহ্বান রেখেছেন । মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান এবং মানসিক শক্তি বৃদ্ধির উদ্যোগ ভারতীয় জনতা পার্টির একটি উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম । বরাবরের মতো এবারও অব্যাহত রয়েছে।৮ নং টাউন বড়দোয়ালির অন্তর্গত ৩৩ নং ওয়ার্ডের ৫০নং বুথের যুব মোর্চার পক্ষ থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা বার্তা ও সামান্য কিছু উপহার প্রদান করা হয়।উপস্থিত ছিলেন ৫০ নং বুথের সভাপতি শ্রদ্ধেয় শ্রী দেবাশীষ রায় মহোদয় এবং তার সাথে ৫০ নং বুথের দেবতুল্য কার্যকর্তা গন।
৫০ নং বুথে বোর্ড পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়
নিজস্ব প্রতিনিধি: চাপমুক্ত পড়াশুনার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাজ্যেও মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা পরীক্ষাকে নম্বরের প্রতিযোগিতা থেকে হৃদয়ঙ্গম করার উপর গুরুত্ব দিতে আহ্বান রেখেছেন । মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান এবং মানসিক শক্তি বৃদ্ধির উদ্যোগ ভারতীয় জনতা পার্টির একটি উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম । বরাবরের মতো এবারও অব্যাহত রয়েছে।৮ নং টাউন বড়দোয়ালির অন্তর্গত ৩৩ নং ওয়ার্ডের ৫০নং বুথের যুব মোর্চার পক্ষ থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা বার্তা ও সামান্য কিছু উপহার প্রদান করা হয়।উপস্থিত ছিলেন ৫০ নং বুথের সভাপতি শ্রদ্ধেয় শ্রী দেবাশীষ রায় মহোদয় এবং তার সাথে ৫০ নং বুথের দেবতুল্য কার্যকর্তা গন।
নেশা ও শব্দ সন্ত্রাস বন্ধে মধুপুর থানায় বাম যুবারা
নিজস্ব প্রতিনিধি: সবেমাত্র তিনদিন হলো মধুপুর থানায় যোগ দিয়েছেন সদ্য থানার নতুন ওসি উজ্জল চৌধুরী। তারই মধ্যে এলাকার আইন শৃঙ্খলার অবনতির অভিযোগ জানিয়ে মধুপুর অঞ্চল, কমলাসাগর অঞ্চল এবং গকুলনগর অঞ্চল কমিটি তিনটি কমিটির যৌথ উদ্যোগে মধুপুর থানার আধিকারিকের নিকট ডেপুটেশনে মিলিত হয়। উপস্থিত ছিলেন ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন বিভাগীয় কমিটির হিরণ্ময় নারায়ন দেবনাথ, বিশালগড় সম্পাদক মন্ডলী সদস্য রাজেশ দত্ত ও গোপাল দেব, কমলাসাগর অঞ্চল সম্পাদক উত্তম দত্ত, মধুপুর অঞ্চল সম্পাদক কৃষ্ণ শর্মা সহ অন্যান্যরা। গোটা রাজ্যে নেশার বাড় বাড়ন্তে অতিষ্ঠ যুবসমাজ। বাদ যায়নি কমলাসাগর বিধানসভাও। দিনের পর দিন গার্হস্থ্য হিংসা বাড়ছে সমাজের নেমে এসেছে বিভিন্ন অপরাধ মূলক কাজ। নেশা এবং জুয়া কারবারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করার আর্জি জানান বাম যুব সংগঠন। তার পাশাপাশি সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো মধুপুর থানায় মাত্র তিন দিন হল যোগ দিয়েছেন নতুন ওসি তারই মধ্যে এলাকার আইন-শৃঙ্খলার অবনতির অভিযোগ জানিয়ে সরব হলেন বাম যুব সংগঠন। তাহলে কি মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই ব্যর্থ মধুপুর থানার নতুন ওসি। তা নিয়ে প্রশ্ন করতে শুরু করেছে গোটা এলাকার মধ্যে। পাশাপাশি রাজনৈতিক সন্ত্রাস রোধে পুলিশ প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করার আবেদন রাখেন। ছাত্রী, যুবতী মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসনকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতেও দাবী রাখেন। তাছাড়া মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার প্রাক্কালে গভীর রাত পর্যন্ত যেভাবে উচ্চস্বরে মাইক, ডিজে,মেলা, জলসা চালিয়ে যাচ্ছে সেদিকে প্রশাসনকে নজর দেওয়ার দাবী রাখেন।
ত্রিপুরায় কখনো ভাষাগত বিদ্রোহের ইতিহাস নেই : অমিত শাহ
নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরাসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন ভাষাকে নাগরী লিপিতে সংরক্ষণের আহ্বান জানালেন কেন্দ্রীয় গৃহমন্ত্রী অমিত শাহ। পূর্ব, উত্তর-পূর্ব এবং উত্তর অঞ্চলের যৌথ আঞ্চলিক রাজভাষা সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, বিদেশি লিপির মাধ্যমে দেশীয় ভাষার কোনোভাবেই সংরক্ষণ সম্ভব নয়।ত্রিপুরায় যারা বিদেশি লিপিতে নিজেদের ভাষা সংরক্ষণ করতে চাইছেন, তাঁদের নাগরী লিপি গ্রহণ করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য রাজ্য এই বিষয়টি স্বীকার করে এগিয়ে গেছে, তাই এ রাজ্যেও এ নিয়ে বিভ্রান্তি না বাড়িয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।গৃহমন্ত্রীর দাবি, দেশে ২০০০-রও বেশি ভাষা নাগরী লিপির মাধ্যমে সংরক্ষণ করা সম্ভব। বহু ভাষার নির্দিষ্ট লিপি না থাকায় সেগুলির সংরক্ষণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশে নাগরী লিপি কার্যকর ভূমিকা নিতে পারে বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি। নীতি-নির্ধারণ ও রাষ্ট্র গঠনের ক্ষেত্রে রাজভাষা এবং স্থানীয় ভাষার গুরুত্ব অপরিসীম—এ কথা উল্লেখ করে ভাষার বিকাশে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।হিন্দি ভাষা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হিন্দির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। তবে হিন্দি ও আঞ্চলিক ভাষার মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব নেই; বরং “একই মায়ের দুই বোন”-এর মতো সম্পর্ক। তাঁর কথায়, হিন্দির বিকাশ হলে অন্যান্য ভাষারও প্রসার সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র নেতৃত্বে স্বভাষা শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হয়েছে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দির মাধ্যমে যোগাযোগ আরও সহজ হয়েছে, যা জাতীয় ঐক্যকে শক্তিশালী করছে।উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রসঙ্গ তুলে গৃহমন্ত্রী জানান, এখানে আটটি রাজ্যে ২০০-রও বেশি ভাষা, ১৬০টি জনজাতি, প্রায় ৫০টি ভিন্ন উৎসব এবং ৩০-রও বেশি ঐতিহ্যবাহী নৃত্যশৈলী বিদ্যমান। একসময় যে অঞ্চল সন্ত্রাসের কারণে পরিচিত ছিল, গত দশ বছরে বিভিন্ন শান্তি চুক্তির মাধ্যমে সেখানে সাংস্কৃতিক বিকাশের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। বর্তমানে রাজভাষা সম্মেলনের মতো অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে আয়োজন সম্ভব হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।এছাড়াও মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষার ওপর বিশেষ জোর দেন গৃহমন্ত্রী। তাঁর মতে, শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা অবশ্যই মাতৃভাষায় হওয়া উচিত। পরিবারেও সন্তানদের মাতৃভাষায় পড়াশোনায় উৎসাহিত করার আহ্বান জানান তিনি। সম্মেলনে উপস্থিত বিশিষ্টজনদের উদ্দেশে তিনি ভাষার সংরক্ষণ, বিকাশ ও জাতীয় সংহতির স্বার্থে রাজভাষা ও স্থানীয় ভাষাকে আরও শক্তিশালী করার ডাক দেন।
আগরতলা কেন্দ্রীয় টাউন জামে মসজিদসহ বিভিন্ন জায়গায় ইফতার অনুষ্ঠিত হয়ে
নিজস্ব প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হলো ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের রমজান মাসের প্রথম রোজার ইফতার। এদিন স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৫:২৬ মিনিটে মাগরিব নামাজের আযানের সাথে ইফতারের মাধ্যমে দিনের রোজা ভাঙ্গেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। রাজ্যের সর্বত্রই মসজিদ এবং বাড়ি ঘরে ইফতারের অনুষ্ঠান আয়োজন হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় আকাশে চাঁদ দেখার পর তারাবির নামাজের মাধ্যমে রমজানের সংযমের পর্ব শুরু করেছিলেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। ভোর রাতে সেহরি খাবার খেয়ে তারা দিনের রোজা শুরু করেন। দিনভর অনাহার এবং পানাহারের পাশাপাশি সমস্ত পাপকর্ম বর্জনের মধ্য দিয়েই রোজার পূর্ণতা বলে জানিয়েছেন রোজাদাররা। রোজাদাররা দৈহিক মানসিক এবং আত্মিক পরিশুদ্ধতার মধ্য দিয়ে আল্লাহর এবাদত করার চেষ্টা করেন। এক মাস ব্যাপী রমজান শেষে অনুষ্ঠিত হবে খুশির ঈদুল ফিতর।
নির্মাণের কয়েক বছরেই অস্ত্বিত হারানোর মুখে রাস্তা !
নিজস্ব প্রতিনিধি:বেহাল রাস্তার জেরে চরম ভোগান্তির শিকার চড়িলাম ব্লকের বাঁশতলী এডিসি ভিলেজের জোটতলী, ননজলা, বয়ড়ামুড়া, গর্জনতলী ও জাঙ্গালিয়া এলাকার বাসিন্দারা।দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী।স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০১৮ সাল থেকেই রাস্তাটির অবস্থা বেহাল হয়ে রয়েছে। বর্ষাকালে কাদায় পরিণত হয়, শুকনো মৌসুমে ধুলোয় ঢেকে যায় পুরো পথ। ফলে স্কুল পড়ুয়া, রোগী, প্রবীণ নাগরিক সহ সাধারণ মানুষের চলাচলে মারাত্মক সমস্যা দেখা দিচ্ছে।এলাকাবাসীর দাবি, একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হলেও এখনো পর্যন্ত কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। জরুরি পরিষেবা যেমন অ্যাম্বুলেন্স বা অন্যান্য যানবাহন প্রবেশ করতেও সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ।অতিদ্রুত রাস্তাটির সংস্কার ও পাকা করণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের হুঁশিয়ারি, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন তারা।
সরকারকে কৃতজ্ঞতা জানালো ত্রিপুরা বার অ্যাসোসিয়েশন
নিজস্ব প্রতিনিধি: একসাথে দুটি সাফল্যের কথা জানিয়ে সরকারকে কৃতজ্ঞতা জানালো ত্রিপুরা বার অ্যাসোসিয়েশন !পশ্চিম জেলা ভোক্তা আদালতের সভাপতি গৌতম সরকার অপসারণ ইস্যুতে আজ ত্রিপুরা বার অ্যাসোসিয়েশনের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। ত্রিপুরা বার এসোসিয়েশন সভাপতি মৃণাল কান্তি বিশ্বাস, সম্পাদক কৌশিক ইন্দু আইনজীবী তপন সাহা এদিন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সহসম্পাদক উৎপল দাস, আইনজীবী অর্ঘ্যকুসুম পাল। সাব্রুম ও আগরতলার ঘটনায় বার কাউন্সিল ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।
কৈলাসহরের হীরাছড়ায় পানীয় জলের দাবিতে পথ অবরোধ!
নিজস্ব প্রতিনিধি: জলের অপর নাম জীবন হলেও কৈলাসহরের হীরাছড়া এলাকায় সেই জলই এখন জীবননাশের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ছয় মাস ধরে তীব্র জলসংকটে ভুগছেন এলাকাবাসী। প্রশাসন ও দপ্তরে জানিয়েও সুরাহা না মেলায়, আজ কলসি-বালতি নিয়ে পথ অবরোধে নামলেন ক্ষুব্ধ জনতা। একদিন বা দুদিন নয়, টানা ছয় মাস ধরে পানীয় জল থেকে বঞ্চিত কৈলাসহরের গৌরনগর ব্লকের অধীনস্হ হীরাছড়া এডিসি ভিলেজ কমিটির বাসিন্দারা। বিশেষ করে ১, ৩, ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ডে দেখা দিয়েছে তীব্র জলসংকট। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এলাকার সমস্ত পুকুর এবং কুয়োগুলো শুকিয়ে গেছে। বাধ্য হয়ে ড্রেনের নোংরা জল পান করতে হচ্ছে তাদের, যার ফলে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে নানান জলবাহিত রোগ। ৪ নং ওয়ার্ডে একটি ওয়াটার পাম্প থাকলেও গত ছয় মাস ধরে তা বিকল। স্থানীয় ভিলেজ কমিটি এবং ডিডাব্লিউএস দপ্তরে বারবার জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি। জনতার ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢালে আজকের একটি ঘটনা। অভিযোগ, দুপুর ১২টা বেজে গেলেও হীরাছড়া ভিলেজ কমিটির অফিসের গেটে ঝুলছিল তালা। এরপরই ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে এলাকাবাসীর। বাঁশ বেঁধে দুটি জায়গায় পথ অবরোধ করেন তাঁরা। পুরুষদের পাশাপাশি মহিলারাও কলসি-বালতি নিয়ে রাস্তায় বসে পড়েন। অবরোধের জেরে রাস্তার দুপাশে আটকে পড়ে বহু যানবাহন। খবর লেখা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে কোনো আধিকারিক পৌঁছাননি। প্রশাসনের এই উদাসীনতায় ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা হীরাছড়া। প্রশাসনের কাছে এলাকাবাসীর একটাই দাবি, অবিলম্বে বিকল্প ব্যবস্থা করে পানীয় জল সরবরাহ স্বাভাবিক করা হোক। প্রশাসনের কবে ঘুম ভাঙবে, সেদিকেই তাকিয়ে হীরাছড়াবাসী। দুপুর দুইটা থেকে পথ অবরোধ শুরু হলেও বিকাল তিনটা অব্দি অবরোধস্থলে কোনো আধিকারিক আসেনি।

