surga-image

Tags

Share this article

পরীক্ষা নম্বরের প্রতিযোগিতা নয় , এটি আত্মবিশ্বাসের চাবিকাঠি : মুখ্যমন্ত্রী

পরীক্ষা নম্বরের প্রতিযোগিতা নয় , এটি আত্মবিশ্বাসের চাবিকাঠি : মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি:শিক্ষা যেন বোঝা না হয়। শুধু নম্বর নয়, জীবনের উন্নতিতেই জোর দাও। ‘পরীক্ষা পে চর্চা ২০২৬’-এর নবম সংস্করণে পড়ুয়াদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তাদের এই সুপরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি পড়ুয়াদের পরামর্শ দিয়েছেন, দেশে ইন্টারনেট ডেটা সস্তা বলে অকারণে সময় নষ্ট না করে জীবন ও শিক্ষাগত দক্ষতা উন্নয়নে মনোযোগ দেওয়ার জন্য।‘পরীক্ষা পে চর্চা ২০২৬’-এর নবম সংস্করণে পড়ুয়াদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা কখনওই বোঝা হয়ে ওঠা উচিত নয়। অর্ধ-মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করলে জীবনে সাফল্য আসে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা যেন বোঝা বলে মনে না হয়। এতে সম্পূর্ণভাবে যুক্ত থাকা প্রয়োজন। টুকরো টুকরো পড়াশোনায় সাফল্য নিশ্চিত হয় না। শুধু নম্বরের দিকে তাকিয়ে না থেকে জীবনে তুমি কোথায় পৌঁছেছ, সেটার দিকে নজর দাও। বাবা-মা, শিক্ষক বা বন্ধুদের কথা শোনো, কিন্তু নিজের উপর বিশ্বাস রাখো এবং সব পরামর্শ বিবেচনায় রেখেই নিজের পথ অনুসরণ করো।তিনি আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য এমন হওয়া উচিত, যা হাতের নাগালে থাকবে, কিন্তু সহজে পাওয়া যাবে না। আগে মনকে নিয়ন্ত্রণ করো, তারপর মনকে যুক্ত করো পড়াশোনার সঙ্গে। তাহলে ছাত্রজীবনে সাফল্য আসবেই।ইন্টারনেট ও গেমিং প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, তুমি গেম খেলতে আগ্রহী হতে পারো, কিন্তু শুধু সময় কাটানোর জন্য বা ডেটা সস্তা বলে তাতে ডুবে যেয়ো না। মজা করার জন্যও নয়। যারা টাকার জন্য গেমিং বা অনলাইন জুয়ায় জড়ায়, তারা ধ্বংসের পথেই যায়। দেশে জুয়া উৎসাহিত করা যায় না। অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে আমি আইন করেছি। তবে তিনি এটাও স্বীকার করেন যে গেমিং নিজেই একটি দক্ষতা, যেখানে দ্রুততা ও সতর্কতার প্রয়োজন হয় এবং তা আত্মোন্নয়নের ক্ষেত্রেও কাজে লাগতে পারে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক মানুষের কাজ করার নিজস্ব ধরন বা প্যাটার্ন রয়েছে। তিনি বলেন, আমি অতীতের দিকে তাকাই না, সবসময় ভবিষ্যতের দিকে তাকাই। অনেক সময় শিক্ষকরা শুধু পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার মতো বিষয়ই পড়ান। কিন্তু ভালো শিক্ষক সার্বিক উন্নয়নের উপর জোর দেন। জীবন শুধু পরীক্ষা নয়। শিক্ষা হল আমাদের উন্নতির একটি মাধ্যম মাত্র।নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে মোদি বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী হয়েছি, তবুও মানুষ আমাকে নানা ভাবে কাজ করার পরামর্শ দেয়। কিন্তু প্রত্যেকেরই নিজস্ব প্যাটার্ন থাকে। কেউ সকালে পড়ে ভালো ফল করে, কেউ রাতে। যেটা তোমার জন্য উপযুক্ত, সেটাতেই বিশ্বাস রাখো। তবে পরামর্শ শোনো, আর যদি তা উপকারে আসে, তবেই জীবনে গ্রহণ করো।‘পরীক্ষা পে চর্চা’ অনুষ্ঠান নিয়েও প্রধানমন্ত্রী বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি এর রূপে কিছু পরিবর্তন এনেছেন, তবে মূল আদর্শ বা কাঠামো ছাড়েননি। তিনি বলেন, যখন আমি ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ শুরু করেছিলাম, তখন একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্ন ছিল। ধীরে ধীরে তাতে পরিবর্তন এনেছি। এবার বিভিন্ন রাজ্যেও অনুষ্ঠান করেছি। প্যাটার্ন বদলেছে, কিন্তু মূল ভিত্তি অটুট রয়েছে।

শিল্প উৎপাদন সূচক (IIP) বিষয়ক কর্মশালা

শিল্প উৎপাদন সূচক (IIP) বিষয়ক কর্মশালা

আগরতলা, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬: দুই দিনব্যাপী শিল্প উৎপাদন সূচক (IIP) বিষয়ক কর্মশালা আজ প্রজ্ঞা ভবন, আগরতলাতে উদ্বোধন করা হয়েছে। কর্মশালাটি আয়োজন করেছে পরিকল্পনা (পরিসংখ্যান) বিভাগাধীন অর্থনীতি ও পরিসংখ্যান অধিদপ্তর (DES), ত্রিপুরা সরকার, যৌথভাবে অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান বিভাগ, পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রণালয় (MoSPI), ভারত সরকার।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রী বিকাশ দেববর্মা, মাননীয় মন্ত্রী, ত্রিপুরা সরকার (আদিবাসী কল্যাণ, পরিসংখ্যান ও অন্যান্য বিভাগ), যিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মশালার উদ্বোধন করেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শ্রী এন. কে. সন্তোষী, মহাপরিচালক, MOSPI, ভারত সরকার এবং শ্রী দীপক ধানাওয়াত, পরিচালক, অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান বিভাগ, MOSPIIত্রিপুরা DES-এর পক্ষ থেকে স্বাগত ভাষণ প্রদান করেন শ্রী চিরঞ্জীব ঘোষ, যুগ্ম পরিচালক, DES। তাঁর বক্তব্যে মহাপরিচালক, MoSPI, চলমান GDP ও অন্যান্য সূচকের ভিত্তি বছর সংশোধন কার্যক্রম-এর প্রেক্ষিতে কর্মশালার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং শিল্প উৎপাদন সূচককে আরও যথাযথভাবে শিল্পোন্নয়ন পরিমাপের ক্ষেত্রে অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন।মাননীয় মন্ত্রী সকল অংশগ্রহণকারীকে ত্রিপুরায় স্বাগত জানান এবং ত্রিপুরা সরকারের গৃহীত উন্নয়নমূলক উদ্যোগগুলির কথা তুলে ধরেন। তিনি প্রবৃদ্ধির সূচক নিরূপণে পরিসংখ্যানের গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দেন।কর্মশালায় দেশের বিভিন্ন রাজ্যের অর্থনীতি ও পরিসংখ্যান অধিদপ্তরের পরিচালক ও সিনিয়র কর্মকর্তাগণ, MoSPI-এর কর্মকর্তাগণ এবং TTAADC প্রশাসনের প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করছেন। অংশগ্রহণকারী রাজ্যগুলি হলো: হরিয়ানা, উত্তরাখণ্ড, মেঘালয়, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মিজোরাম, জম্মু ও কাশ্মীর, আসাম, ছত্তিশগড়, দিল্লি, নাগাল্যান্ড, রাজস্থান, মণিপুর, অরুণাচল প্রদেশ, গুজরাট, ঝাড়খণ্ড এবং উত্তরপ্রদেশ। শ্রী পল এস. দারলং, যুগ্ম পরিচালক, DES, ত্রিপুরা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং সকল অতিথি, অংশগ্রহণকারী ও কর্মকর্তাদের সক্রিয় সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।কর্মশালাটি ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে চলবে এবং এতে শিল্প উৎপাদন সূচকের ভিত্তি বছর সংশোধন সংক্রান্ত পদ্ধতি ও দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা ও কারিগরি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে, যা MoSPI-এর চলমান জাতীয় পরিসংখ্যান কার্যক্রমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

পশ্চিম থানার জালে হিরোইন সহ আটক দুই

পশ্চিম থানার জালে হিরোইন সহ আটক দুই

নিজস্ব প্রতিনিধি: গোপন সূত্রের ভিত্তিতে পশ্চিম থানার পুলিশ বুধবার গভীর রাতে প্রগতি স্কুল সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে হেরোইন সহ দুই নেশা কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ধৃতদের নাম বান্টি নায়েক ও সুজিত রায়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দু’জনেরই বাড়ি রাধানগর এলাকায়।পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই প্রগতি স্কুল ও তার আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় নেশা দ্রব্যের অবৈধ কারবার চালিয়ে যাচ্ছিল এই চক্র। বিশেষ করে যুব সমাজকে লক্ষ্য করে তারা হেরোইন সহ বিভিন্ন নেশা সামগ্রী বিক্রি করছিল বলে অভিযোগ। বিষয়টি পুলিশের নজরে আসার পর গোপনে নজরদারি চালানো হয় এবং নির্ভরযোগ্য সূত্র মারফত সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার পরই বুধবার রাতে অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালীন পুলিশ দুই অভিযুক্তকে আটক করে তল্লাশি চালায়। তল্লাশিতে তাদের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ হেরোইন উদ্ধার হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য এক লক্ষাধিক টাকা বলে পুলিশ জানিয়েছে। উদ্ধার হওয়া নেশা দ্রব্য বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।পশ্চিম থানার ওসি রানা চ্যাটার্জী জানান, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে নেশা চক্রের সঙ্গে জড়িত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে আরও বেশ কয়েকজন নেশা কারবারিকে আটক করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি আশাবাদী। তিনি আরও জানান, এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত রয়েছে, কোথা থেকে নেশা দ্রব্য সংগ্রহ করা হচ্ছিল এবং কোন কোন এলাকায় সরবরাহ করা হতো—সেসব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বৃহস্পতিবার ধৃতদের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে তোলা হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত জোরদার করা হয়েছে এবং নেশা বিরোধী অভিযানে পুলিশ আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলেও জানানো হয়েছে।

 বেপরোয়া গাড়ির তাণ্ডব কাঁঠালতলী-  মহেশখলা শিল্প কারখানা এলাকায়!

বেপরোয়া গাড়ির তাণ্ডব কাঁঠালতলী- মহেশখলা শিল্প কারখানা এলাকায়!

নিজস্ব প্রতিনিধি: বেশকয়েটি অটো, পুলিশের জিপসি সহ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত করে পালায় সেই বেপরোয়া গাড়ি!! এমনকি এই গাড়ির ধাক্কায় স্কুল ছাত্র সহ কয়েকজন আহতও হয়েছেন!! পুলিশ এবং এলাকাবাসী সেই গাড়ি ভাঙচুর করলেও আটকাতে পারেননি অভিযুক্ত চালককে!! যদিও কিছুদূর গিয়ে রাস্তায় গাড়ি রেখে পালায় চালক!! প্রশ্ন উঠছে রাস্তায় কেন এই গাড়ির চালক এমন তাণ্ডব চালালো ? গাড়িতে কি ছিল ? আমতলী থানা পুলিশ এখন মুখ খুলতে নারাজ!!

জ্বরে আক্রান্ত ছাত্রীকে হার্টের ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ মধুপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিরুদ্ধে!

জ্বরে আক্রান্ত ছাত্রীকে হার্টের ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ মধুপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিরুদ্ধে!

নিজস্ব প্রতিনিধি: একাদশ শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্রীকে জ্বরের ওষুধ না দিয়ে হার্টের রোগীর ঔষধ খেয়ে দিল। মুহূর্তের মধ্যে ১৭ বছরের স্কুল পড়ুয়া ছাত্রী কমলাসাগর দেবীপুর বাজার সংলগ্ন এলাকার স্বপন সরকারের মেয়ে সুস্মিতা সরকার বমি করতে করতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। শুরু হয়ে যাক চিৎকার মা বাবা এবং অন্যান্য আত্মীয়দের মধ্যে। তারপরেও দৌড়ে গিয়ে কোন ডাক্তারের হদিস পানিয় রোগীর আত্মীয়রা। একটা সময়ে নার্সের কাছে গেলে নার্স নাকি মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। শুরু হয়ে যায় মুহূর্তের মধ্যে হাসপাতাল ভাঙচুর। কিন্তু অভিযোগ এই সময়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিজের রুমে আরাম-আয়াসে হালকা ঠান্ডায় নাক ডেকে ঘুমোচ্ছেন । পরে এলাকার জনগণ কিংবা রোগীর আত্মীয়দের চিৎকারে দ্রুত ছুটে আসে সেই ডাক্তার। মুহূর্তের মধ্যেই সেই সুস্মিতা সরকারকে কোনরকমে বমি করিয়ে সেই ওষুধ ভিতর থেকে বের করে দেয়। যদিও তার অবস্থা বর্তমানে গুরুতর। তাকে বর্তমানে মধুপুর হাসপাতাল থেকে জিবিপি হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

নয়নের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত বিজেপি নেতাকে গ্রেফতারের দাবি জানালেন DYFI রাজ্য সম্পাদক

নয়নের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত বিজেপি নেতাকে গ্রেফতারের দাবি জানালেন DYFI রাজ্য সম্পাদক

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিপাহী জলা পুলিশ সুপার বিজয় দেববর্মার সঙ্গে দেখা করলেন বাম গণতান্ত্রিক যুব সংগঠন ডি ওয়াই এফ আই রাজ্য কমিটির এক প্রতিনিধিদল। শনিবার বিকেল পাঁচটায় প্রতিনিধি দল বিশ্রামগঞ্জ পুলিশ সুপার অফিসে গিয়ে তার কক্ষে দেখা করেন। কয়েকদিন আগে মেলাঘর থানা এলাকায় রাষ্ট্রবাদী বিজেপি দলের অ- মানুষ নেতা দুলাল সূত্রধর তার প্রতিবেশী তের বছরের এক নাবালক ছেলে কে জঘন্য ভাবে মারধর করে রক্তাক্ত করে। অপমান ঘৃণা অত্যাচার এবং যন্ত্রণায় শিশুটি আত্মহত্যা করে। রাষ্ট্রবাদী নেতার বিরুদ্ধে মেলাঘর থানায় মামলা হয়। কিন্তু মেলাঘর থানার পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করছে না। মেলাঘর থানার আই ও অসীম ভৌমিক তাকে গ্রেফতার করছে না বলে অভিযোগ। পুলিশ নাকি অভিযুক্তকে খুঁজে পাচ্ছে না। অথচ এলাকার মানুষ বলেছে গতকাল রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত অভিযুক্ত দুলাল সূত্রধর তার নিজ বাড়িতে ছিল। পুলিশ বলছে তাকে খুঁজে পাচ্ছে না। অভিযুক্ত দুলাল সূত্রধর কে অতি দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে সিপাহীজলা পুলিশ সুপারের কাছে ডেপুটেশন প্রদান করে ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন রাজ্য কমিটির নেতৃত্ব নবারুণ দেব। তার সঙ্গে ছিলেন হিরন্ময় নারায়ন দেবনাথ গৌতম ঘোষ শান্তনু দেব ,প্রনয় সিনহা এবং জন্টু দেবনাথ। এসপির সঙ্গে দেখা করে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বাম যুব সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক নবারুণ দেব পুরো বিষয় তুলে ধরে বলেন পুলিশ সুপার তাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন অভিযুক্ত বেশি দিন পালিয়ে বাঁচতে পারবে না। তাকে আটক করা হবে। আইন আইনের পথে চলবে। যুব সংগঠনের নেতৃত্বরা পুলিশ সুপারকে সিপাহী জলায় গাঁজা বাগান ধ্বংস করার যে অভিযান তিনি শুরু করেছেন তার জন্য তার প্রশংসা করেছেন তারা। পাশাপাশি সিন্থেটিক নেশার বিরুদ্ধে অভিযান জারি রাখার জন্য এসপিকে অনুরোধ জানিয়েছেন তারা। কারণ নেশার সাথে যুক্ত রয়েছে রাজ্যের ডাবর তাবড় ব্যক্তিত্ব। আগামী প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে রাজ্যকে নেশা মুক্ত করতে হবে। তাই আমরা আমাদের সংগঠনের তরফে স্লোগান তুলেছি " প্রজন্ম বাঁচাও"। এই স্লোগান বাস্তবায়িত করার জন্য আমরা মাঠে ছিলাম মাঠে আছি এবং মাঠে থাকবো বলে জানিয়েছেন রাজ্য সম্পাদক নবারুণ দের। সোনামুড়া বিভাগের যুব সংগঠনের নেতৃত্বদের নিয়ে আমরা আজকে মেলাঘর থানায় গিয়ে কথা বলেছি এবং নাবালকের বাড়িতে গিয়ে ও তার বাবা-মার সঙ্গে দেখা করেছি, এবং পুলিশকে বলেছি পুলিশ যাতে অতি দ্রুত অভিযুক্তকে আটক করে আইনের আওতায় নিয়ে আসে এমনটাই জানিয়েছেন বাম যুবনেতা নবারুণ দেব।

জনজাতি শিক্ষার নামে দুর্নীতির কালো অধ্যায় লুথুয়া আবাসিক বিদ্যালয়ে ঠিকাদারি লুট!

জনজাতি শিক্ষার নামে দুর্নীতির কালো অধ্যায় লুথুয়া আবাসিক বিদ্যালয়ে ঠিকাদারি লুট!

নিজস্ব প্রতিনিধি: জনজাতি ছাত্র ছাত্রীদের শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহার সদিচ্ছায় রাজ্যের সাব্রুম মহকুমার লুথুয়া চা বাগান এলাকায় নির্মিত হয় একলব্য আবাসিক বিদ্যালয়। উদ্দেশ্য ছিল পাহাড়ি ও জনজাতি এলাকার দরিদ্র মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের উন্নত ও মানসম্মত আবাসিক শিক্ষা প্রদান। কিন্তু বাস্তবে সেই স্বপ্ন আজ দুর্নীতির ভারে ভেঙে পড়ছে।সূত্রের খবর, ২০২১ সালে শুরু হওয়া এই সুবিশাল আবাসিক বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ ২০২৩ সালে শেষ হয়। অথচ বিদ্যালয় চালু হওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই প্রকৃত চিত্র সামনে আসে। বিদ্যালয়ের বাথরুমের ছাদ ভেদ করে জল চুঁইয়ে পড়ছে, যা স্বয়ং বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ স্বীকার করেছেন। শুধু তাই নয়, একাধিক প্রধান কংক্রিট কলামে স্পষ্ট ফাটল দেখা যায়। এসব ত্রুটি ঢাকতে তড়িঘড়ি অর্ধেক পর্যন্ত রং করে “শাক দিয়ে মাছ ঢাকার” অপচেষ্টা চালায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি সংস্থা।অভিযোগ আরও গুরুতর। জানা যাচ্ছে, বিদ্যালয় নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ও নির্মাণসামগ্রী আত্মসাৎ করেছে। জনজাতি শিক্ষার নামে বরাদ্দ অর্থ কার্যত কিছু রাঘববোয়ালের পকেটে ঢুকেছে বলেই অভিযোগ।সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয়, এই দুর্নীতির খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার আগেই মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সংবাদমাধ্যমকে ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু সাব্রুমের সংবাদমাধ্যম মাথা নত করেনি। রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধুলোয় লুটিয়ে দেওয়ার এই চক্রান্ত তারা মেনে নেবে না।আজ গোটা সাব্রুমবাসীর একটাই দাবি—এই দুর্নীতির পর্দা অবিলম্বে উন্মোচন হোক। দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার শিক্ষা উন্নয়নের স্বচ্ছ উদ্যোগ যেন দুর্নীতির কালো ছায়ায় কলুষিত না হয়—এটাই জনগণের জোরালো আহ্বান।

মেলাঘরে গাঁজা বিরোধী অভিযানে সফলতা পুলিশের

মেলাঘরে গাঁজা বিরোধী অভিযানে সফলতা পুলিশের

নিজস্ব প্রতিনিধি :একই দিনে মেলাঘর থানার দুই, দুটি নেশা বিরোধী অভিযানে বিরাট সাফল্য! একটি গাঁজা কাটিং অভিযান, অপরটি হলো শুকনো গাঁজা উদ্ধার অভিযান। জানা গেছে, মেলাঘর থানার, তৈবান্দাল ফারি থানার অন্তর্গত গামাইছড়া গভীর জঙ্গল থেকে S,T,F, বাহিনী ও মেলাঘর থানার পুলিশ মিলে ২০৬ কেজি শুকনো গাজা উদ্ধার করে। অন্যদিকে মেলাঘর থানার শেষ সীমানা দুলঙ্গা এলাকায় ফলন্ত গাঁজা কাটিং এ অভিযান চালিয়ে কুড়িটি প্লটে এক লক্ষ ৪২ হাজার গাজা গাছ ধ্বংস করা হয়। নেতৃত্বে ছিলেন, মেলাঘর থানার si সুবীর সাহা, টিএসআর ও সিআরপিএফ বাহিনী। মেলাঘর থানার এই দুটি নেশা বিরোধী অভিযানে, মানুষ সাধুবাদ জানাচ্ছে। আগামী দিনেও মেলাঘর থানা এই সমস্ত নেশা বিরোধী অভিযানে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানা গিয়েছে।

মথার নেতার বাড়ি থেকে সার বাজেয়াপ্ত করলো দপ্তর

মথার নেতার বাড়ি থেকে সার বাজেয়াপ্ত করলো দপ্তর

নিজস্ব প্রতিনিধি: ধলাই জেলার লংতরাই ভ্যালীর ছৈলেংটা থানাধীন দূর্গাছড়া এলাকার তিপরা মথা দলের নব্য নেতা মোহন লাল চাকমার বাড়ি থেকে কৃষি দপ্তরের জৈব সার উদ্ধার করেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর। সংবাদ সূত্রে জানা যায় তিপরা মথা দলের নেতা মোহন লাল চাকমার বাড়িতে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তার বাড়িতে জমা রেখেছে প্রচুর জৈব সার। স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী জানা যায় বহু প্রকৃত কৃষকরা সার পাচ্ছে না কিন্তু নেতা হওয়ার সুবাদে হাতিয়ে নিচ্ছে সরকারের সুযোগ সুবিধা। উল্লেখ্য তিপরা মথা দলের নেতা মোহন লাল চাকমার স্ত্রী যমুনা চাকমা ছামনু এলাকায় কৃষি দপ্তরের কর্মরত ছিল তখন এই সব কান্ড সংঘটিত হয়। বর্তমানে যমুনা চাকমা অন্যত্র বদলি হয়েছে। মঙ্গলবার স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে মোহন লাল চাকমার বাড়িতে হানা দেয় সঙ্গে ছৈলেংটা থানার পুলিশ এবং ছামনু কৃষি দপ্তরের আধিকারিক জ্যোতির ময় চাকমা মোহন লাল চাকমার বাড়ি থেকে মোট ৫৮ বস্তা জৈব সার উদ্ধার করে। গোটা বিষয়ে পুলিশ তদন্তে নেমেছে সেইসাথে দপ্তর কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে বলে খবর। অন্যদিকে দপ্তরের স্টোর কিপারের বক্তব্যে অন্য কিছু বেড়িয়ে আসছে। এদিকে তিপরা মথা দলের নেতা মোহন লাল চাকমা নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

গোমতী হোটেল থেকে ৪ জন নেশা কারবারী সমেত ফেন্সিডিল উদ্ধার

গোমতী হোটেল থেকে ৪ জন নেশা কারবারী সমেত ফেন্সিডিল উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি : গোপন খবরের ভিত্তিতে সোনামুড়া থানা, ব্রিজ সংলগ্ন স্বনামধন্য গোমতী হোটেল থেকে চারজন নেশা কারবারি এবং ১৪৭ বোতল নেশা জাতীয় কফ সিরাপ এসকপ উদ্ধার করে! কলকাতার যুবক মোহাম্মদ তৌহিদুল একটি ব্যাগে করে ১৪৭ বোতল নেশা জাতীয় এসকপ সিরাপ নিয়ে, সোনামুড়া ব্রিজ সংলগ্ন গোমতী হোটেলের ২০৮ নম্বর রুমে অবস্থান করছিলেন। হঠাৎ খবর আছে সুনামুরা থানার কাছে, তরীঘরি করে সোনামুড়া থানার পুলিশ গোমতী হোটেলের 208 নম্বর কক্ষে অভিযান চালান, অভিযান চালিয়ে ব্যাগ ভর্তি ১৪৭ বোতল নেশা জাতীয় কফ সিরাপ এসকপ উদ্ধার করে। যার বাজার মূল্য প্রায় তিন লক্ষ টাকার কাছাকাছি। উদ্ধার কালে হোটেল থেকে গ্রেপ্তার হয় পশ্চিমবাংলার মোহাম্মদ তহিদুল, সুনামুরা মধুবন এলাকার ইকবাল আহমেদ, দক্ষিণ বেজিমারার জাহিদ মিয়া, ও জাহিদ হোসেন খান নামে বেজিমারার আরো এক যুবক। বর্তমানে সোনামুড়া থানা তাদের বিরুদ্ধে এনডিপিএস মামলা হাতে নিয়েছে। পুরো ঘটনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন সোনামুড়া থানার ওসি তাপস দাস।