নিয়ম-নীতি মেনে রাজ্যে পালিত বিশ্বকর্মা পূজা
নিজস্ব প্রতিনিধি: নিয়ম-নীতি ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান মেনে দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার পূজা অনুষ্ঠিত হলো ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। ভাদ্র মাসের শেষের দিকে প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী মহলের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয় বিশ্বকর্মা পূজা।দেবশিল্পী বিশ্বকর্মাকে কারিগরি, নির্মাণ ও শিল্পকর্মের দেবতা হিসেবে শ্রদ্ধার সঙ্গে আরাধনা করা হয়। বিশেষ করে যাঁরা বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি, যানবাহন, নির্মাণকাজ, কারিগরি পেশা ও শিল্পের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের কাছে এই পূজার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় দুই চাকার যানবাহন থেকে শুরু করে চার চাকার গাড়ি, বিভিন্ন ধরনের মেশিনপত্র, যন্ত্রপাতি ও কর্মস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে সাজিয়ে বিশ্বকর্মার আরাধনা করা হয়। অনেক জায়গায় পূজাকে কেন্দ্র করে ছোটখাটো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রসাদ বিতরণেরও আয়োজন করা হয়।সকাল থেকেই বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ ও কর্মস্থলে ভক্তদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পুরোহিতদের মন্ত্রোচ্চারণ ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় পূজার মূল পর্ব। নিজেদের কর্মক্ষেত্রে উন্নতি, সাফল্য, নিরাপত্তা এবং যন্ত্রপাতির সুষ্ঠু ব্যবহারের জন্য দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার কাছে প্রার্থনা করেন কর্মজীবী মানুষরা।বিশ্বকর্মা পূজাকে ঘিরে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়। কর্মজীবী মানুষ থেকে শুরু করে যানবাহনের মালিক, চালক, কারিগর এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে এই পূজায় অংশগ্রহণ করেন।
বুলডোজার ‘হাতিয়ে নেওয়ার চক্রান্তের’ অভিযোগে চাঞ্চল্য ধর্মনগরে!তদন্তে পুলিশের দিকে তাকিয়ে মালিক
নিজস্ব প্রতিনিধি:চুরি হয়ে যাওয়া একটি বুলডোজার উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধর্মনগরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুলডোজারটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর পরিবর্তন এবং সেটিকে অন্যভাবে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় অভিযোগের তীর বুলডোজারটি ভাড়া নেওয়া শাসকদলীয় যুব মোর্চার তথাকথিত ধর্মনগরের এক সিকি নেতা তথা ঠিকাদার দীপন নাথের বিরুদ্ধে । তবে অভিযোগের সত্যতা তদন্ত সাপেক্ষে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, কালাছড়ার বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস, পিতা আব্দুর শহিদ, তাঁর নিজ নামে নিবন্ধিত TR 02L1838 নম্বরের একটি বুলডোজার গত ২ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে ধর্মনগর রাজবাড়ী মণ্ডপপাড়া এলাকার বাসিন্দা ঠিকাদার দীপন নাথ, পিতা মান্তু নাথের ঠিকাদারি সংস্থা ডি এন কনস্ট্রাকশন-এর কাছে মাসিক ভাড়ায় দেন। কয়েক মাস চলার পর গত ২৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে বুলডোজারটির মালিক আব্দুল কুদ্দুসকে জানানো হয় যে, সাতচাঁদ-মনুবাজার এলাকার পার্থজিৎ চক্রবর্তীর বাড়ির কাছ থেকে তাঁর বুলডোজারটি চুরি হয়ে গেছে। এরপর ২৮ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে মনুবাজার থানায় এ বিষয়ে একটি জিডি এন্ট্রি করেন বুলডোজারের মালিক। পুলিশ দীর্ঘদিন তদন্ত ও খোঁজাখুঁজি করেও বুলডোজারটির সন্ধান না পাওয়ায় পরবর্তীতে আদালতে শর্তসাপেক্ষে ফাইনাল রিপোর্ট পেশ করে বলে দাবি মালিকের। এরপরও বুলডোজারটির সন্ধানে নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন আব্দুল কুদ্দুস। অবশেষে শুক্রবার রাতে গোপন সূত্রে তিনি খবর পান, তাঁর চুরি যাওয়া বুলডোজারটি ধর্মনগর দক্ষিণ হুরুয়া এলাকার একটি সয়াবিন ফ্যাক্টরির আশপাশে পার্ক করে রাখা হয়েছে।খবর পাওয়ার পর আব্দুল কুদ্দুস ধর্মনগর থানায় বিষয়টি জানান। পরে পুলিশের সহযোগিতায় সেখানে অভিযান চালিয়ে বুলডোজারটি উদ্ধার করে ধর্মনগর থানায় নিয়ে আসা হয়। তবে উদ্ধার হওয়া বুলডোজারটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। মালিকের দাবি, তাঁর বুলডোজারের আসল রেজিস্ট্রেশন নম্বর TR 02L1838। অথচ উদ্ধার হওয়া বুলডোজারটিতে বর্তমানে NL 04DA0049 নম্বর লেখা রয়েছে। আব্দুল কুদ্দুসের দাবি, বর্তমান রেজিস্ট্রেশন নম্বরের সঙ্গে বুলডোজারটির চেসিস ও ইঞ্জিন নম্বরের মিল নেই। অন্যদিকে তাঁর নামে থাকা TR 02L1838 নম্বরের নথির সঙ্গে চেসিস ও ইঞ্জিন নম্বরের মিল রয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুলডোজারটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর পরিবর্তন এবং মালিকানা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে।আব্দুল কুদ্দুসের আরও অভিযোগ, শুক্রবার রাতে যে স্থান থেকে বুলডোজারটি উদ্ধার করা হয়, সেখানে বুলডোজারটির আশপাশে বুলডোজারটি ভাড়া নেওয়া ঠিকাদার দীপন নাথের দুটি ব্যক্তিগত গাড়ি দাঁড়ানো অবস্থায় ছিল। এছাড়াও উদ্ধার হওয়া বুলডোজারটির বর্তমান রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি ডি এন কনস্ট্রাকশন-এর নামে করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন আব্দুল কুদ্দুস। তাঁর দাবি, বুলডোজারটি ভাড়া নেওয়া ঠিকাদার দীপন নাথই ওই সংস্থার মালিক। সমস্ত অভিযোগের ভিত্তিতে আব্দুল কুদ্দুসের দাবি, চুরি যাওয়ার ঘটনার আড়ালে বুলডোজারটি অন্যভাবে হাতিয়ে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। ঘটনাকে ঘিরে এখন মূল প্রশ্ন—কীভাবে বুলডোজারটি চুরি যাওয়ার পর অন্যত্র পৌঁছাল, তার রেজিস্ট্রেশন নম্বর কেন পরিবর্তিত অবস্থায় পাওয়া গেল এবং এর পেছনে কারা জড়িত। পুরো বিষয়টি তদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে। এখন দেখার বিষয়, ধর্মনগর থানার পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটন করতে পারে কি না।
পরিবহন দপ্তরের উদ্যোগে বিশ্বকর্মা পুজো, এবারের থিম ‘রোড সেফটি
নিজস্ব প্রতিনিধি: দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার আরাধনায় মেতে উঠল ত্রিপুরা পরিবহন দপ্তর। পরিবহন দপ্তরের উদ্যোগে আগরতলার ত্রিপুরা পরিবহন নিগমের মুখ্য কার্যালয় প্রাঙ্গণে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বকর্মা পুজো। প্রতিবছরের মতো এবছরও কর্মীদের পাশাপাশি পরিবহন দপ্তরের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন মহলের উপস্থিতিতে পালিত হয় এই পুজো।এবারের বিশ্বকর্মা পুজোর বিশেষ আকর্ষণ ছিল ‘রোড সেফটি’ বা সড়ক নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে সাজানো বিভিন্ন সচেতনতামূলক থিম। গাড়ি চালানোর সময় কী কী নিয়ম মেনে চলা উচিত, তার পাশাপাশি ড্রিঙ্ক অ্যান্ড ড্রাইভ, নির্ধারিত গতিসীমা, ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং নিরাপদভাবে যানবাহন চালানোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতেই এই উদ্যোগ বলে জানা যায়।এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পরিবহন দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। তিনি স্বপরিবারে পরিবহন দপ্তরের পুজো প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখেন এবং বিশ্বকর্মা দেবের আরাধনায় অংশ নেন। পাশাপাশি পুজো উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন সচেতনতামূলক থিম ও প্রদর্শনীও ঘুরে দেখেন তিনি।বিশ্বকর্মা পুজোর এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার আরাধনা করা হয়েছে, অন্যদিকে সড়ক নিরাপত্তার বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উদয়পুর রেলস্টেশন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১৫ বছরের এক কিশোরকে!
নিজস্ব প্রতিনিধি: সম্ভবত দু’দিন আগে বাড়ির কাউকে না জানিয়ে সে বেরিয়ে পড়েছিল। বৃহস্পতিবার উদয়পুর রেলস্টেশন চত্বরে তাকে দেখতে পাওয়া যায়।বিষয়টি নজরে আসার পর চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির উদ্যোগে কিশোরটিকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও নিজের পরিচয়, বাড়ির ঠিকানা কিংবা পরিবারের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে সে অনীহা প্রকাশ করে।প্রাথমিকভাবে কিশোরের কথাবার্তা থেকে ধারণা করা হচ্ছে, তার বাড়ি তেলিয়ামুড়া এলাকায় হতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত তার পরিচয় ও পরিবারের বিষয়ে নিশ্চিত কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।কিশোরটির কাছ থেকে প্রকৃত পরিচয় ও পরিবারের তথ্য জানার জন্য কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে কথা বলার চেষ্টা করছে চাইল্ড লাইন। একইসঙ্গে পরিবারের সন্ধান পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পরিবারের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন করে কিশোরটিকে তার স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়াই এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রধান লক্ষ্য।
চুরির আতঙ্কে আরেক নাম বিশালগড়?
নিজস্ব প্রতিনিধি: মঙ্গলবার রাতে বিশালগড় বিওসি সংলগ্ন সড়কে পাশে ঢাকেশ্বরী জুয়েলারি মালিক গৌতম ধর দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যান পরের দিন ছিল সাপ্তাহিক বন্ধ। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি দোকানে এসে দেখতে পান দোকানের পেছনের ওয়াল ভেঙ্গে চোরের দল রুপার জিনিস সহ অন্যান্য জিনিস নিয়ে পালিয়ে যায় চোর। পরবর্তী সময়ে তিনি বিষয়টি বিশালগড় থানায় জানান কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল বিশালগড় থানায় জানানো হওয়ার পর চুরির ঘটনা তদন্ত করার জন্য আসেনি থানার পুলিশ বাবুরা। এতে বুঝা যায় চুরের সঙ্গে পুলিশের গোপন সংযোগ রয়েছে যার ফলে বিশালগড় অত্র এলাকায় বৃদ্ধি পাচ্ছে চুরির ঘটনা এবং ছিনতাই এর ঘটনা। বিশালগড় থানার বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত খবর প্রকাশিত হওয়ার পর ঘুম ভাঙ্গেনি জেলা পুলিশ সুপারের। তবে বলাই বাহুল্য আগরতলা এবং অন্যান্য জায়গাতে চুরির ঘটনা ঘটে পুলিশ যথাযথ সময় তদন্ত শুরু করে এবং চুরির জিনিস এবং চোরকে আটক করতে সক্ষম হয় আর বিশালগড় থানার পুলিশ নাকে তেল দিয়ে ঘুমিয়ে রয়েছে। তবে বিশালগড় থানার কিছু অপদার্থতা পুলিশ কর্মীদের কর্তব্যের গাফিলতি ফলে বৃদ্ধি পাচ্ছে এই ধরনের ঘটনা তবে বাঁকা পথে কত কামাইয়ের জন্য শীর্ষস্থানে রয়েছে বিশালগড় থানার পুলিশ।
সহানুভূতি নয়, দিব্যাঙ্গজনের চাই ক্ষমতায়ন: রতন লাল নাথ
আগরতলা: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে উন্নয়নের সুফল সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে এবং উন্নয়নের ধারায় কেউ পিছিয়ে থাকবে না।মোহনপুরের দক্ষিণ তারানগর গ্রাম পঞ্চায়েতে ভারত সরকারের রাষ্ট্রীয় বয়শ্রী যোজনা (RVY) এবং দিব্যাঙ্গজন ব্যক্তিদের সহায়তা প্রকল্প (ADIP)-এর আওতায় আয়োজিত ৭৬তম সামাজিক অধিকারিতা শিবিরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী রতন লাল নাথ এ কথা বলেন।দিব্যাঙ্গজনদের কল্যাণে কেন্দ্রের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহানুভূতির পরিবর্তে দিব্যাঙ্গজনদের ক্ষমতায়ন ও স্বনির্ভরতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ‘দিব্যাঙ্গ’ শব্দটি তাঁদের মর্যাদা ও সক্ষমতার প্রতিফলন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, দিব্যাঙ্গজনদের প্রতি সামাজিক সংবেদনশীলতা এবং তাঁদের স্বনির্ভর করে তুলতে সমাজের সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব রয়েছে। সরকারি প্রকল্পগুলির সুফল যাতে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে সামাজিক সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের কথাও এদিন তুলে ধরেন রতন লাল নাথ।তিনি বলেন, সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে প্রধানমন্ত্রী মোদি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে জনজীবনে প্রায় ২৫ বছর পূর্ণ করেছেন।কেন্দ্রের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জনধন যোজনা, প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা এবং স্বচ্ছ ভারত অভিযান সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। জনধন যোজনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকারি সহায়তা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভরতা কমেছে বলেও তিনি জানান।উজ্জ্বলা যোজনার মাধ্যমে মহিলাদের ও পরিবারগুলিকে এলপিজি সংযোগ দেওয়া এবং স্বচ্ছ ভারত অভিযানের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী।তিনি আরও বলেন, আবাসন ও পানীয় জলের সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সরকার একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।রতন লাল নাথ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে জনকল্যাণে একের পর এক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। উন্নয়নের সুফল সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই সরকারের লক্ষ্য। এই উন্নয়নের পরিধির বাইরে যেন প্রবীণ নাগরিক এবং দিব্যাঙ্গজনরাও না থাকেন, তা নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
কর্তব্যে গাফিলতি সহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত বড়মুড়া নারেং জমি উচ্চ বিদ্যালয়,উদাসিং সংশ্লিষ্ট দপ্তর!
নিজস্ব প্রতিনিধি:ত্রিপুরা স্ব শাসিত জেলা পরিষদ অর্থাৎ জনজাতি অধ্যুষিত এলাকার শিক্ষা ব্যবসার প্রতি,জাতির প্রেমের মতো প্রেন না লক্ষ্য করা যায় প্রশনায়,অবকাঠামো সহ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে।আবারো এমনই এক দৃশ্য ওঠে এলো পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার বেলবাড়ি ব্লকের অধীন ইন্সপেক্টর অফ স্কুল বেলবাড়ি এর অধীন বড়মুড়া নারেঙ জমি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক শিক্ষিকাদের কর্তব্যে গাফিলতির বিষয় নিত্য দিনের,ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মাস্টার বাবুদের দেখা যায় না।পাশাপাশি পানীয় জল সহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত বিদ্যালয়টি।পরে চরম বেহাল দশা পড়াশোনার,অন্ধকারে আগামীর ভবিষ্যত,পাহাড়ে সম্পূর্ণ উদাসীন সংশ্লিষ্ট দপ্তর,মাঠ পর্যায়ের ইন্সপেক্টর অফ স্কুল বেলবাড়ি।গোটা বিষয় নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিস্তারিত জানান কর্তিপক্ষ্য এবং সমাধানের দাবি জানান ।
টেট উত্তীর্ণদের দ্রুত নিয়োগের দাবিতে আগরতলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন
নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০২৪ সালের টেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের দ্রুত নিয়োগের দাবিতে আগরতলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে টেট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা তাঁদের দীর্ঘদিনের নিয়োগ-সংক্রান্ত সমস্যার কথা তুলে ধরেন এবং দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে দাবি জানান।পরীক্ষার্থীদের বক্তব্য, ২০২৪ সালে টেট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও এখনও পর্যন্ত তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হয়নি। তাঁদের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৪০ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র প্রায় ১,৮০০ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। এত কম সংখ্যক পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হওয়ার পরও তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা।সাংবাদিক সম্মেলনে পরীক্ষার্থীরা রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁদের অভিযোগ, শহরকেন্দ্রিক কিছু স্কুল বাদ দিলে গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত এলাকার বহু বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই। এর ফলে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলেও দাবি করেন তাঁরা। শিক্ষক সংকটের কারণে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার উপরও বিরূপ প্রভাব পড়ছে বলে তাঁদের বক্তব্য।টেট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ মানিক সাহার ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের দাবি, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথের কাছে বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সহযোগিতা চাওয়া হলেও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত তাঁরা প্রত্যাশিত সাড়া পাননি।এদিন সাংবাদিক সম্মেলন থেকে পরীক্ষার্থীরা ঘোষণা করেন, তাঁদের দাবি দ্রুত পূরণ না হলে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে। তাঁদের মূল দাবি—২০২৪ সালের টেট উত্তীর্ণ সকল যোগ্য পরীক্ষার্থীর দ্রুত নিয়োগ এবং রাজ্যের বিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষক সংকট দূর করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।টেট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা সরকারের কাছে তাঁদের দাবিগুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার আহ্বান জানান।
একের পর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আক্রান্ত!
নিজস্ব প্রতিনিধি:চুরির ঘটনা রেকর্ড গরল বিশালগড়। একের পর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে মানুষের বাড়ি ঘরে ঘটে চলেছে চুরির ঘটনা। গতকাল রাতে পশ্চিম লক্ষ্মীপুর নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ে ঘটে চুরির ঘটনা। বুধবার সকালে স্কুল খুলতে এসে শিক্ষক শিক্ষিকারা দেখতে পান স্কুলের মধ্যে বৈদ্যুতিক তার সহ বিভিন্ন জিনিস নিয়ে গেছে চোরের দল। একদিকে বাঁকা পথে কত কামাইয়ের জন্য ব্যস্ত বিশালগড় থানার পুলিশ আরেক দিকে ঘটে চলেছে চুরির ঘটনা। বিশালগড় থানার ওসি বিজয় দাস থেকে শুরু করে চার পুলিশ অফিসার কে ক্লোজ করা হলে স্বভাব পাল্টায়নি পুলিশ কর্মীদের। একের পর এক তুল্লা দায় করে যাচ্ছে পুলিশ বাবুরা নিরব জেলা প্রশাসন সহ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর চোরের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশালগড় জনগণ পুলিশের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। বুধবার সকালে পশ্চিম লক্ষীবিল নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয় শিক্ষক এই চুরির ঘটনা নিয়ে বিস্তারিত জানান।
বিশালগড় কলেজ সংলগ্ন জাতীয় সড়ক থেকে এক মহিলার গলা থেকে স্বর্ণের হার ছিনতাই !
নিজস্ব প্রতিনিধি: বেশ কয়েক বছর ধরে বিশালগড় অত্র এলাকায় চুরির ছিনতাই এর ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বুধবার দুপুরে আগরতলা সুভাষ নগর থেকে বিশালগড় নিচে আত্মীয়র বাড়িতে স্কুটি করে স্বামী-স্ত্রী আসার পর বিশালগড় কলেজ সংলগ্ন জাতীয় সড়ক থেকে জাগৃতি চৌধুরী পালের গলা থেকে দুই বুড়ি ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনতাই করে নিয়ে যায় ছিনতাই বাজরা। এই ব্যাপারে বিশালগড় থানায় ছিনতাই মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনা খবর পেয়ে ঘটনার স্থলে ছুটে আছেন বিশালগড় থানার পুলিশ। তবে বলাই বাহুল্য বিশালগড় থানার পুলিশের দায়িত্ব অবহেলার কারণে এই ধরনের ঘটনা দিনের পর দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে আর আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে বিশালগড়ে। নিরব জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।
Top News
View All →নিয়ম-নীতি মেনে রাজ্যে পালিত বিশ্বকর্মা পূজা
September 18th, 2026
বুলডোজার ‘হাতিয়ে নেওয়ার চক্রান্তের’ অভিযোগে চাঞ্চল্য ধর্মনগরে!তদন্তে পুলিশের দিকে তাকিয়ে মালিক
September 18th, 2026
পরিবহন দপ্তরের উদ্যোগে বিশ্বকর্মা পুজো, এবারের থিম ‘রোড সেফটি
September 18th, 2026
উদয়পুর রেলস্টেশন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১৫ বছরের এক কিশোরকে!
September 18th, 2026
চুরির আতঙ্কে আরেক নাম বিশালগড়?
September 17th, 2026
সহানুভূতি নয়, দিব্যাঙ্গজনের চাই ক্ষমতায়ন: রতন লাল নাথ
September 17th, 2026