surga-image

Tags

Share this article

কৈলাসহরের হীরাছড়ায় পানীয় জলের দাবিতে পথ অবরোধ!

কৈলাসহরের হীরাছড়ায় পানীয় জলের দাবিতে পথ অবরোধ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: জলের অপর নাম জীবন হলেও কৈলাসহরের হীরাছড়া এলাকায় সেই জলই এখন জীবননাশের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ছয় মাস ধরে তীব্র জলসংকটে ভুগছেন এলাকাবাসী। প্রশাসন ও দপ্তরে জানিয়েও সুরাহা না মেলায়, আজ কলসি-বালতি নিয়ে পথ অবরোধে নামলেন ক্ষুব্ধ জনতা। একদিন বা দুদিন নয়, টানা ছয় মাস ধরে পানীয় জল থেকে বঞ্চিত কৈলাসহরের গৌরনগর ব্লকের অধীনস্হ হীরাছড়া এডিসি ভিলেজ কমিটির বাসিন্দারা। বিশেষ করে ১, ৩, ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ডে দেখা দিয়েছে তীব্র জলসংকট। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এলাকার সমস্ত পুকুর এবং কুয়োগুলো শুকিয়ে গেছে। বাধ্য হয়ে ড্রেনের নোংরা জল পান করতে হচ্ছে তাদের, যার ফলে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে নানান জলবাহিত রোগ। ৪ নং ওয়ার্ডে একটি ওয়াটার পাম্প থাকলেও গত ছয় মাস ধরে তা বিকল। স্থানীয় ভিলেজ কমিটি এবং ডিডাব্লিউএস দপ্তরে বারবার জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি। জনতার ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢালে আজকের একটি ঘটনা। অভিযোগ, দুপুর ১২টা বেজে গেলেও হীরাছড়া ভিলেজ কমিটির অফিসের গেটে ঝুলছিল তালা। এরপরই ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে এলাকাবাসীর। বাঁশ বেঁধে দুটি জায়গায় পথ অবরোধ করেন তাঁরা। পুরুষদের পাশাপাশি মহিলারাও কলসি-বালতি নিয়ে রাস্তায় বসে পড়েন। অবরোধের জেরে রাস্তার দুপাশে আটকে পড়ে বহু যানবাহন। খবর লেখা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে কোনো আধিকারিক পৌঁছাননি। প্রশাসনের এই উদাসীনতায় ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা হীরাছড়া। প্রশাসনের কাছে এলাকাবাসীর একটাই দাবি, অবিলম্বে বিকল্প ব্যবস্থা করে পানীয় জল সরবরাহ স্বাভাবিক করা হোক। প্রশাসনের কবে ঘুম ভাঙবে, সেদিকেই তাকিয়ে হীরাছড়াবাসী। দুপুর দুইটা থেকে পথ অবরোধ শুরু হলেও বিকাল তিনটা অব্দি অবরোধস্থলে কোনো আধিকারিক আসেনি।

ভগবানের হাত ধরে পশু হাসপাতালের উদ্বোধন

ভগবানের হাত ধরে পশু হাসপাতালের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: কুমারঘাট পূর্ব কাঞ্চনবাড়ি এলাকায় নবনির্মিত মহকুমা পশু চিকিৎসালয়ের শুভ উদ্বোধন করেন পাবিয়াছড়া বিধানসভার বিধায়ক ভগবান দাস।তিনি বলেন এই আধুনিক পশু হাসপাতাল এলাকার কৃষক ও পশুপালকদের জন্য অত্যন্ত উপকারী হবে। উন্নত চিকিৎসা পরিষেবার মাধ্যমে গবাদি পশুর সুরক্ষা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে।মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক মানিক সাহা মহাশয়ের নেতৃত্বে রাজ্য সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় কুমারঘাট আজ আরও একধাপ এগিয়ে গেল।

জন্মদিনে কেক আনতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু!

জন্মদিনে কেক আনতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু!

নিজস্ব প্রতিনিধি: বন্ধুদের সাথে বিশালগড় থেকে কেক নিয়ে ফেরার পথে গাড়ি দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয় কেনানিয়া বেলতলী শ্মশানঘাট এলাকায়। নিহত ২১ বছরের প্রদীপ দাস ওরফে শিপনের বাড়ি দেবীপুর রাজারটিলা এলাকায়। বাবার নাম নিতাই দাস। তার বন্ধুরাও গুরুতর আহত হন।

রোমান স্ক্রিপ্টের দাবীতে জনজাতি স্টুডেন্ট মুভমেন্ট কমিটির সাংবাদিক সম্মেলন

রোমান স্ক্রিপ্টের দাবীতে জনজাতি স্টুডেন্ট মুভমেন্ট কমিটির সাংবাদিক সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি: .ত্বিপ্রা স্টুডেন্টস ফেডারেশন (টিএসএফ) এবং টিপরা আদিবাসী স্টুডেন্টস ফেডারেশন (টিআইএসএফ) এর যৌথ উদ্যোগে গঠিত ইউনাইটেড মুভমেন্ট কমিটি ফর রোমান স্ক্রিপ্ট এর বিষয় নিয়ে আগরতলার মানিক্য কোর্টে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্তিত ছিলেন ইউনাইটেড মুভমেন্ট কমিটি ফর রোমানস্ক্রিপ্ট এর কনভেনার জন দেববমা, টি এস এফ এর সাধারন সম্পাদক মনিষ দেববমা, ইউনাইটেড মুভমেন্ট কমিটি ফর রোমান স্ক্রিপ্ট এর সদস্যরা। এই দিনের সাংবাদিক সম্মেলনে জন দেববমা গত ১৪ তারিখ মানববন্ধন যেই কর্মসূচি পালন করেছিলেন সেই কর্মসূচি সম্পক্রে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্যে বলেছিলে এই ধরনের কর্মসূচি টেররিস্ট কর্মসূচি এই ধরনের বক্তব্য তীব্র নিন্দা জানান ইউনাইটেড মুভমেন্ট কমিটি ফর রোমান স্ক্রিপ্ট এর কনভেনার জন দেববমা পাশাপাশি তিনি আরও বলেন রোমান হরফে ককবরক লিপি নিয়ে অন্দোলন কি আপরাধ যে কোন জাতি তাদের নিজেদের ভাষার অধিকার নিয়ে অন্দোলন করতে পারে সেটাকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য সঠিক নয়। এই দিনের সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন রোমান হরফে ককবরক লিপি আমাদের অধিকার এবং এই দাবি প্রতিনিয়ত থাকবে জনজাতি ছাএ ছাএী দের উন্নত শিখরে পৌছাতে রোমান হরফে ককবরক লিপি দরকার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কেন দাবি টাকে ডিনাই করছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দরকার নিজের চিন্তা ভাবনা কে দূর করার জন্য,অনেক গুলো বিষয় যদি রোমান হরফে হতে পারে তা হলে বাংলা যারা পড়তে পারেনা তাদের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কি চিন্তা করতে পারেন না সবকা সাথ সবকা বিকাশ করতে হলে রোমান হরফে ককবরক লিপির দরকার।

বৌদিকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে দেবর গ্রেফতার, থানার লকাপে অভিযুক্ত

বৌদিকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে দেবর গ্রেফতার, থানার লকাপে অভিযুক্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি........রাজ্যের আমতলী থানা এলাকায় চাঞ্চল্যকর পারিবারিক হিংসার ঘটনায় অভিযুক্ত দেবরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বড় ভাইকে খুনের চেষ্টা এবং বৌদিকে মারধর ও ধর্ষণের চেষ্টার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।ঘটনাটি আমতলী থানার অন্তর্গত কাঞ্চনমালা এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রয়াত চন্দ্র মোহন রায়ের ছোট ছেলে ঝুটন রায় পেশায় একজন বাইক মেকানিক। অভিযোগ, তিনি প্রায়ই মা, দুই বড় ভাই ও বৌদিদের সঙ্গে কারণে-অকারণে ঝগড়া-বিবাদে জড়াতেন এবং আক্রমণাত্মক আচরণ করতেন।রবিবার সন্ধ্যা প্রায় ছয়টা নাগাদ বাজার থেকে বাড়ি ফিরেই বড় ভাই টোটন রায়ের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন ঝুটন রায়।পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে আরেক বড় ভাই গৌতম রায় ঝগড়া থামাতে এগিয়ে আসেন। অভিযোগ, সেই সময় ঝুটন রায় ধারালো বস্তু দিয়ে গৌতম রায়ের মাথায় আঘাত করে প্রাণে মারার চেষ্টা করেন। এতে গৌতম রায় রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।এই সময় গৌতম রায়ের স্ত্রী প্রতিবাদ করতে এলে, অভিযুক্ত তাকে জোরপূর্বক ঘরে টেনে নিয়ে গিয়ে শাড়ি ধরে টানাহেঁচড়া করে এবং ধর্ষণের চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, টোটন রায়ের উপরেও হামলা চালানো হয় বলে পরিবারের দাবি।পরিবারের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে আমতলী থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত ঝুটন রায়কে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।সোমবার দুপুরে গৌতম রায়ের স্ত্রী মারধর, ধর্ষণের চেষ্টা ও খুনের চেষ্টার অভিযোগে লিখিত মামলা দায়ের করেন। এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে গৌতম রায় ও তাঁর স্ত্রী অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানান। স্থানীয় এলাকাবাসীরাও দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার অভিযুক্তকে আদালতে প্রেরণ করা হবে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

এ.ডি.সি নির্বাচনের আগে নাটকের মঞ্চে তিপ্রামথা কর্মীরা জানেন না কেন হাঁটছেন!”

এ.ডি.সি নির্বাচনের আগে নাটকের মঞ্চে তিপ্রামথা কর্মীরা জানেন না কেন হাঁটছেন!”

নিজস্ব প্রতিনিধি:ত্রিপুরা স্ব-শাসিত জেলা পরিষদ নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরই শাসক শরিক তিপ্রামথা দলের নাটকীয় কর্মসূচি নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। শনিবার তেলিয়ামুড়ার জাতীয় সড়কে হাতেগোনা কয়েকজন কর্মী-সমর্থককে নিয়ে তিপ্রা মথা নেতা কমল কলই ও মহেন্দ্র দেববর্মা মিছিল করেন। মূলত টি.আই.এস.এফ এবং টি.এস.এফ-এর যৌথ উদ্যোগে রোমান লিপিতে প্রশ্নপত্র প্রণয়ের দাবিতে মানব শৃংখল ও মিছিল অনুষ্ঠিত করা হয়। রোমান্স ক্রিপ্টের দাবি'কে সামনে রেখে এই কর্মসূচি সাজানো হলেও আশ্চর্যের বিষয়—মিছিলে উপস্থিত অধিকাংশ কর্মী-সমর্থকই জানতেন না আসলে কেন তাঁরা এই মিছিলে অংশ নিচ্ছেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের মতে, নির্বাচনের আগে জনসমর্থন টানতে তিপ্রামথা সস্তা নাটক শুরু করেছে।স্থানীয়দের অনেকেই এই কর্মসূচিকে ‘অযথা নাটক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁদের মতে, প্রকৃত সমস্যার সমাধান না করে এ ধরনের নাটকীয়তা শুধু বিভ্রান্তি বাড়াচ্ছে। এই ঘটনায় স্পষ্ট—নির্বাচনের আগে তিপ্রামথা নাটকীয় কর্মসূচি সাজিয়ে জনসমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছে। তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, কর্মীরা যদি নিজেরাই না জানেন কেন তাঁরা হাঁটছেন, তবে এই নাটকের আসল দর্শক কে?

চিলড্রেন পার্কের গলিতে আগুন আতঙ্ক

চিলড্রেন পার্কের গলিতে আগুন আতঙ্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি:চিলড্রেন পার্ক গলি সংলগ্ন এলাকায় হঠাৎ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বটতলা দমকল বাহিনীর একটি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু করেন।প্রাথমিকভাবে জানা যায়, স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে ধোঁয়া দেখতে পেয়ে দমকল বাহিনীকে খবর দেন। আগুনের সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে দমকল কর্মীদের তৎপরতায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে দমকল সূত্রে জানা গেছে।

বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট নিঃস্ব শ্রমিক পরিবার!

বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট নিঃস্ব শ্রমিক পরিবার!

নিজস্ব প্রতিনিধি: ঊনকোটি জেলার গৌরনগর ব্লক অফিস-এর বিপরীতে এক দিনমজুর পরিবারের বসতঘরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মুহূর্তের মধ্যে পুড়ে ছাই হয়ে যায় সম্পূর্ণ বাড়ি। আগুনের সূত্রপাত নিয়ে মতভেদ থাকলেও পরিবারটির দাবি, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগে।খবর পেয়ে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও গাড়িতে পর্যাপ্ত জল না থাকায় উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। পরে স্থানীয় পুকুর থেকে জল এনে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কৈলাসহর থানা-র ওসি তাপস মালাকার ও এসআই দেবব্রত শীল সহ পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।অগ্নিকাণ্ডে দিনমজুর দয়াল বাউরির পরিবারের সমস্ত আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র পুড়ে যায়। বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে পরিবারটি। স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে সরকারি সহায়তা না পেলে এই নিঃস্ব পরিবারের পক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব নয়।

অসুস্থ মেয়ের চিকিৎসায় সরকারী সাহার্য্য চেয়ে আর্জি অসহায় পরিবারের

অসুস্থ মেয়ের চিকিৎসায় সরকারী সাহার্য্য চেয়ে আর্জি অসহায় পরিবারের

নিজস্ব প্রতিনিধি: আর্থিক সংকটের কারণে অসুস্থ মেয়ের চিকিৎসা করাতে পারছেন না এক অসহায় মা! বুকের ফুসফুসে ছিদ্র ধরা পড়েছে ১৩ বছরের কিশোরী ক্যামেলি ত্রিপুরার। ক্যামেলি ত্রিপুরার বাড়ি বিলোনিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ভারতচন্দ্র নগর এলাকার দেওয়ানজি পাড়ার ১ নম্বর ওয়ার্ডে।চরম আর্থিক সংকট ও দারিদ্র্যের কারণে অসুস্থ কন্যার চিকিৎসা করাতে পারছেন না এক অসহায় মা। বুকের ফুসফুসে ছিদ্র ধরা পড়েছে ১৩ বছরের কিশোরী ক্যামেলি ত্রিপুরার। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা উদ্বেগজনক বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।ক্যামেলি ত্রিপুরার বাড়ি বিলোনিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ভারতচন্দ্র নগর এলাকার দেওয়ানজি পাড়া, ১ নম্বর ওয়ার্ডে। তাঁর পিতা রাজমোহন ত্রিপুরা পেশায় দিনমজুর এবং মাতা স্বপ্না রাণী ত্রিপুরা। অতি সাধারণ এই পরিবারটি দিন আনে দিন খায় অবস্থায় জীবনযাপন করছে। যেখানে দৈনন্দিন খরচ চালানোই কষ্টকর, সেখানে মেয়ের ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ জোগাড় করা তাঁদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।চিকিৎসকদের মতে, দ্রুত উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে চিকিৎসা প্রক্রিয়া শুরু করাও সম্ভব হচ্ছে না।অসহায় মা স্বপ্না রাণী ত্রিপুরা সমাজের সহৃদয় মানুষদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়ে বলেন, “আমার মেয়েকে বাঁচাতে যা যা দরকার, তা করার সামর্থ্য আমাদের নেই। সকলের একটু সহযোগিতা পেলে হয়তো আমার মেয়েটা নতুন করে বাঁচার সুযোগ পাবে।”এমন হৃদয়বিদারক পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসীরাও।যে কোনও সহৃদয় ব্যক্তি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে চাইলে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন এই নম্বরে: ৮৭৯৮২২৫৪০৬।মানবিক সহায়তা পেলেই হয়তো নতুন করে জীবনের আলো দেখতে পারে ছোট্ট ক্যামেলি।

চুরাইবাড়িতে অবৈধ পাথর কেশার বন্ধে প্রশাসনের অভিযান  মুখ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের পর নড়েচড়ে বসলো দপ্তরগুলি

চুরাইবাড়িতে অবৈধ পাথর কেশার বন্ধে প্রশাসনের অভিযান মুখ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের পর নড়েচড়ে বসলো দপ্তরগুলি

নিজস্ব প্রতিনিধি: শব্দ ও ধুলা দূষণে অতিষ্ঠ জনজীবন, ৫২টি কেশার সিল নথি যাচাই চলছে আরও।উত্তর ত্রিপুরা জেলার চুরাইবাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা অবৈধ পাথর ভাঙার কেশারকে কেন্দ্র করে চরম ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে। একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে আসে—নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিচালিত এসব পাথর ভাঙার মেশিনের কারণে পরিবেশ দূষণ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর পড়ছে গুরুতর প্রভাব।পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডঃ প্রফেসর মানিক সাহা সরাসরি এলাকা পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশের পরই প্রশাসনিক তৎপরতা চোখে পড়ার মতো বেড়ে যায়।শব্দ ও ধুলা দূষণে নাজেহাল বাসিন্দারাস্থানীয়দের অভিযোগ, কেশারগুলি চালু থাকলে তীব্র শব্দে আশপাশের পরিবেশ কার্যত বসবাসের অযোগ্য হয়ে ওঠে। দিনরাত বিকট শব্দে শিশু থেকে বৃদ্ধ—সবাই মানসিক চাপ ও শারীরিক অস্বস্তির মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন। পাশাপাশি পাথর ভাঙার সময় বিপুল পরিমাণ ধুলো বাতাসে মিশে গিয়ে শ্বাসকষ্ট, কাশি ও অ্যালার্জির সমস্যা বাড়িয়ে তুলেছে।চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘদিন অতিরিক্ত শব্দ ও ধুলাবালির সংস্পর্শে থাকলে কানের সমস্যা, শ্বাসতন্ত্রের জটিলতা, এমনকি ফুসফুসজনিত দীর্ঘস্থায়ী রোগের আশঙ্কা বেড়ে যায়। ইতিমধ্যেই এলাকায় শিশু, কিশোর-কিশোরী ও প্রবীণদের মধ্যে অসুস্থতার প্রবণতা বাড়ার অভিযোগ উঠেছে।যৌথ অভিযানে ৫২টি কেশার বন্ধএই পরিস্থিতিতে ত্রিপুরা রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ, উত্তর জেলা প্রশাসন এবং ধর্মনগর মহকুমা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে শুরু হয় তদন্ত অভিযান।প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মোট ১০৩টি পাথর কেশারের মালিকদের বৈধ নথিপত্র প্রদর্শনের জন্য নোটিশ জারি করা হয়েছিল। তদন্তে অধিকাংশ মালিকই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন।এরপর ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রথম দফায় ২৫টি এবং পরবর্তীতে আরও ২৭টি — মোট ৫২টি অবৈধ পাথর কেশার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাকি কেশারগুলির নথিপত্র যাচাই এখনও চলছে এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসন যদি আরও আগে পদক্ষেপ নিত, তাহলে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের যে ক্ষতি হয়েছে তা অনেকটাই এড়ানো যেত। তাঁদের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর সরাসরি পরিদর্শনের পরই দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের তৎপরতা দৃশ্যমান হয়েছে।দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের দাবিবর্তমানে এলাকাবাসীর আশা—এই অভিযান যেন সাময়িক পদক্ষেপে সীমাবদ্ধ না থাকে। তাঁদের দাবি, অবৈধ পাথর কেশারের স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে নিয়মিত নজরদারি ও আইনের কঠোর প্রয়োগ জরুরি।পরিবেশ সুরক্ষা ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় প্রশাসনের এই উদ্যোগ কতটা স্থায়ী ফল দেবে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে চুরাইবাড়ির মানুষ।